1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

অন্বেষণ

পশ্চিমের মোহ ত্যাগ করে জনসেবায় মিশেল

বস্তিবাসীর জন্য ঘরের ব্যবস্থা করছেন মিশেল৷ বয়স এখনো ৩০ পেরোয়নি তাঁর৷ সুযোগ ছিল বিদেশে থেকে যাওয়ার৷ কিন্তু সব বাদ দিয়ে নিজের দেশের গরিব, দুঃখীদের সহায়তায় মাঠে নেমেছেন তিনি৷

ইকোয়েডরের কিটো শহরের অদূরে অবস্থিত একটি ঘর৷ মিশেল এবং স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ‘টেকো'-র অন্যান্য কর্মীরা ভিড় করেছেন সেখানে৷ কাঠবোর্ড এবং দান হিসেবে পাওয়া বিভিন্ন নির্মাণ সামগ্রী দিয়ে মাত্র একদিনে ঘর তৈরি করে দেয় সংগঠনটি৷

শিক্ষাবৃত্তি নিয়ে যুক্তরাজ্য এবং ক্যালিফোর্নিয়ায় লেখাপড়া করেছেন মিশেল আরাভেলো কার্পেন্টার৷ তাঁর রেজাল্টও খুব ভালো৷ মিশেল এখন তাঁর নিজের দেশ ইকুয়েডরের গরিব মানুষদের সহায়তা করতে চান, অন্তত তাদের মাথার উপর ছাদ নিশ্চিত করতে চান তিনি৷ মিশেল বলেন, ‘‘মানুষের জন্য নতুন সম্ভাবনা সৃষ্টির কাজ ক্ষুদ্র পদক্ষেপের মাধ্যমে শুরু করতে হবে৷ শুরুতে তাদের প্রয়োজন মাথা গোঁজার ঠাই, একটি ঘর৷

এটা তাদের কাজ করতে এবং কিছু সঞ্চয় করতে সহায়তা করবে৷ যা তাদেরকে দারিদ্র্য থেকে মুক্তির পথ করে দেবে৷''

কিটোর অদূরে দারিদ্র্য পীড়িত বস্তিতে ৩৭০ পরিবারের বাস৷ স্বেচ্ছাসেবীরা তাদের সহায়তা করেন৷ এখন পর্যন্ত তাঁরা এখানে চল্লিশটির মতো বাড়ি তৈরি করেছেন৷ স্থানীয় কর্তৃপক্ষ আনুষ্ঠানিকভাবে বস্তির অস্তিত্ব স্বীকার করে না৷ ফলে পানি বা জল সরবরাহ কিংবা আবর্জনা সরিয়ে নেওয়ার মতো সুযোগসুবিধা এখানে নেই৷

বস্তির বাসিন্দাদের অনেকে দিনমজুরের কাজ করেন৷ অনেকে এত গরিব যে শুধুমাত্র রাস্তায় কুড়িয়ে পাওয়া জিনিসপত্তর দিয়ে ঘর তৈরি করেছেন৷ মার্টা টাকোর এটুকুও ছিল না৷ কিন্তু এখন তাঁর নিজের বাড়ি আছে৷ দশ সন্তানের মা টাকো বলেন, ‘‘সেই ছোটবেলা থেকেই নিজের একটি ছোট্ট বাড়ির স্বপ্ন দেখেছি আমি৷ কিন্তু আমার সাধ্য ছিল না৷ এখন মনে হচ্ছে, আসলে আমার সত্যি একটি বাড়ি আছে৷''

মিশেলের মতো অনেক তরুণ এখন নিজের জীবনে এবং সমাজে আরো সক্রিয় ভূমিকা রাখতে চান৷ যেমন কিটোর অদূরে গরিব মানুষের জন্য এসব সাধারণ ঘর তৈরি৷ মিশেল এবং অন্যান্য স্বেচ্ছাসেবীরা আশাবাদী৷ তাঁরা মনে করেন, পরিবর্তন সম্ভব৷ তাই তাঁরা পরিবর্তন আনতে কাজ করছেন৷

নির্বাচিত প্রতিবেদন

ইন্টারনেট লিংক