1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

পাঠক ভাবনা

পলিথিন ব্যবহারে সচেতনতা প্রয়োজন

ভারতের কলকাতার সুহৃৎ ব্যানার্জি ‘পরিবেশ দূষণে প্লাস্টিক ব্যাগ – রাশ টানার উদ্যোগ’ শীর্ষক ডয়চে ভেলের প্রতিবেদন সম্পর্কে ইমেলে তাঁর মতামত জানিয়েছেন৷

তিনি লিখেছেন, ‘‘ভারতে পলিথিন বা প্লাস্টিক সম্বন্ধে জনগণ সচেতন না হলে আগামী কয়েক বছরের মধ্যে এই প্লাস্টিক পরিবেশ দূষণে বড় ভূমিকা রাখবে৷ কারণ গ্রামের দিকে নজর দিলে দেখা যায় নদী-নালা, এমনকি ছোট ছোট ডোবায় জলের উপর নোংরা পলিথিন ভাসে৷ পুকুর বা জলাশয়ে হাত-পা ধুতে গেলে আমাদের এই নোংরা পলিথিন সরিয়ে কাজ সারতে হয়৷''

তিনি প্লাস্টিকের ব্যবহারের ক্ষেত্রে কী ধরনের সাবধানতা অবলম্বন করা উচিত তা নিয়ে প্রতিবেদন প্রকাশ করতে ডয়চে ভেলেকে অনুরোধ জানিয়েছেন৷

এদিকে, হজ ও অন্যান্য প্রসঙ্গ নিয়ে টেলিযোগাযোগমন্ত্রী আব্দুল লতিফ সিদ্দিকীর করা মন্তব্যের ব্যাপারে আমাদের ফেসবুক পাতায় অনেক পাঠক তাঁদের প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন৷

শহিদুল ইসলাম কবির লিখেছেন, ‘‘(মন্তব্যের কারণে) শুধু মন্ত্রিত্ব থেকে অপসারণ নয়, লতিফ সিদ্দিকীকে গ্রেফতার করে ধর্মদ্রোহিতার জন্য দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিতে হবে৷ অন্যথায় বুঝতে হবে সজিব ওয়াজেদ জয়কে কটাক্ষ করার কারণে মন্ত্রিত্ব থেকে বাদ দেয়া হয়েছে৷''

মোহাম্মদ ফায়েদ অনু-ও বহিষ্কারের পাশাপাশি লতিফ সিদ্দিকীর শাস্তি দাবি করেছেন৷ দেলওয়ার হোসেন মনে করেন, তাঁকে এমন শাস্তি দেওয়া উচিত যেন ভবিষ্যতে অন্য কেউ এমন করতে না পারে৷

মেহেদী হাসান সোহেল লিখেছেন, ‘‘হাজার বছর ধরে মুসলিম উম্মাহর ঈমানী অনুভূতিতে এটা একটা আঘাত৷ তাঁর এই অভিমত দুঃখজনক, নিন্দনীয়৷ জাতির কাছে ক্ষমা চাওয়া ও আল্লাহর কাছে তওবা করা উচিত৷''

সুজন দাস গুপ্ত শুধু মন্ত্রিসভা থেকে নয়, আওয়ামী লীগ থেকেও লতিফ সিদ্দিকীর বহিষ্কার বেশি প্রয়োজন বলে মন্তব্য করেছেন৷ মোঃ উজ্জ্বল মনে করেন, এইসব লোকের জন্য আওয়ামী লীগের বদনাম হয়৷ তাই তিনি দলে পরিবর্তন চেয়েছেন৷

মোঃ এয়ামনুল ইসলাম লিখেছেন, ‘‘শেখ হাসিনাকে কিছু বললে সাথে সাথে বিচার হয়৷ ইসলামের বিরুদ্ধে বলছে এখন দেখি কি বিচার করে হাসিনায়৷''

নির্বাচিত প্রতিবেদন