1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

বিশ্ব

পর্তুগালকে আর্থিক সহায়তা প্রসঙ্গে বৈঠক চলছে হাঙ্গেরিতে

যে কোন দেশের আর্থিক সংকট হাত ধরে নিয়ে আসে অন্য অনেক সমস্যা৷ যেমনটা হচ্ছে পর্তুগালের ক্ষেত্রে৷ এই দেশটি গত রাতে ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের কাছে আর্থিক সাহায্যের আনুষ্ঠানিক আবেদন জানিয়েছে৷

default

পর্তুগালের আর্থিক সংকটের সূচনা ঘটে বেশ ক'মাস আগে৷ এই সংকট কাটানোর জন্য সে দেশের সরকার নানামূখী কৃচ্ছ্রতা কর্মসূচি যখন গ্রহণের কথা ঘোষণা করলো, তখনি শুরু হয় আন্দোলন৷ আর এই আন্দোলনের চাকুতে এতোটাই ধার ছিল যে নিয়মিত সরকার আর চালাতে পারেনি দেশটি৷ দায়িত্ব চলে গেছে অন্তর্বর্তী সরকারের কাছে৷ অবশ্য প্রধানমন্ত্রী হিসাবে কিছুটা সময় দেশ চালিয়ে যাচ্ছেন আগের সেই নেতা হোসে সক্রেটেস৷ তিনিই গত দুই দিন আগে এক ভাষণে বলেন, ‘‘না আর কোন উপায় নেই৷ দেশকে বাঁচাতে হলে প্রয়োজন প্রতিবেশী দেশগুলোর সহায়তা৷'' মানে অর্থ চাইছেন তিনি, অবশ্যই তা ধার হিসাবে৷ অর্থনীতির ভাষায় একে বলা হয় ‘বেলআউট'৷ তিনি সেই বেলআউট'এর বল গতরাতে ছুঁড়ে দিয়েছেন ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল বা আইএমএফ'এর দিকে৷

NO FLASH Euro europa Münze Rettungsschirm Rettungsfonds

আর তাই, হাঙ্গেরির গোডেলোতে তড়িঘড়ি বৈঠক ইউরোপীয় দেশগুলোর অর্থমন্ত্রীদের৷ এক টাকা দুই টাকার গল্প তো নয়, হাজার কোটি ইউরোর সাহায্য দিতে হবে পর্তুগালকে৷ ফলে তাঁরা আলোচনা করছেন৷ অবশ্য এখনো এ নিয়ে কোন সিদ্ধান্তে পৌঁছনো যায়নি৷ দুই দিনের বৈঠকের শেষের দিন, মানে আগামীকাল শনিবার জানা যাবে কি বলেন তাঁরা৷

সঠিক অঙ্কটা এখনো প্রকাশ করা না হলেও, ইউরো জোনের অন্যতম দেশ বেলজিয়ামের ধারণা সমস্যা উতরে নিতে পর্তুগালের প্রয়োজন হবে অন্তত ৮০ থেকে ৯০ বিলিয়ন ইউরো৷ তবে কেবল অর্থ সহায়তা নিয়েই বসে থাকলে চলবে না, পর্তুগালকে অযাচিত অনেক খরচ কমাতে হবে বলে মনে করছেন গোডলো বৈঠকের নেতারা৷

পর্তুগালের আনুষ্ঠানিক আর্থিক সহায়তা চাইবার বিষয়টি প্রকাশ করেন ইউরোপীয় ইউনিয়নের অর্থ বিষয়ক কমিশনার ওলি রেন৷ তিনি বলেন, ‘‘অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা আনয়নের লক্ষ্যে পর্তুগালের এই উদ্যোগকে আমি ব্যক্তিগতভাবে স্বাগত জানাই৷''

কিন্তু তিনি স্বাগত জানালেও অন্যরা কী স্বাগত জানাবেন ? এই প্রশ্নের উত্তর দেয়া এখনই সম্ভব নয় ! এর জন্য কিছু সময় অপেক্ষা প্রয়োজন৷

প্রতিবেদন: সাগর সরওয়ার

সম্পাদনা: দেবারতি গুহ