1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

পাঠক ভাবনা

পরিবর্তন সত্ত্বেও আজও সঙ্গী ডিডাব্লিউ

এককালের শ্রোতা আজকের ওয়েবসাইটের বন্ধু৷ চিঠিপত্র নয়, যোগাযোগ রাখছেন ফেসবুক ও ই-মেলের মাধ্যমে৷ নতুন যুগে পরিবর্তিত পরিস্থিতিতেও ডয়চে ভেলের সঙ্গ ত্যাগ করেননি অনেকেই৷

নাটোরের শাওন ডিএক্স কর্নারের রাজীব মণ্ডল লিখেছেন, ‘‘ডিডাব্লিউ পরিবারের সাথে পরিচয় ২০০৬ সালের কোনো এক কনকনে শীতের সকালে, শর্ট ওয়েভে বাংলা অনুষ্ঠানের বিশ্বসংবাদ এর মাধ্যমে৷ তখনকার এক ঘণ্টার পুরো অনুষ্ঠান এখনো খুব বেশি মনে পড়ে৷ ভালো লাগতো ক্লাব কর্নার, সুপ্রভাত বন, ইউরোপের জানালা, সবকিছুই৷ পরবর্তীতে দু'বেলার অনুষ্ঠানেও ছিল আমার সঙ্গ৷ ২০০৮ সালের বিশেষ ধাঁধা প্রতিযোগিতায় বিজয়ী হয়ে গ্রুন্ডিগ রেডিও পেয়ে আমার খুব ভালো লাগলেও এখন ঐ রেডিওতেই আমার প্রিয় ডিডাব্লিউ বাংলা অনুষ্ঠান শুনতে না পেয়ে খুবই খারাপ লাগে৷ তবুও ডিডাব্লিউ পরিবারের সঙ্গ ছাড়তে পারি না৷ এখন সাথেই আছি ফেসবুক, ওয়েবসাইটে৷''

পাবনা, চাটমোহরের হরিপুর সিনিয়র মাদ্রাসার শিক্ষক শেখ আব্দুল মান্নান বারী লিখেছেন, ‘‘যত কথাই বলি, খাঁটি কথা এই যা প্রয়োজনে আসে, উপযোগ মেটায়, তাই জীবন ধরে রাখে৷ এ অনুষ্ঠানের মধ্যে চেতনাবোধ খুঁজে পাই৷ বোধ করি কালের সমান্তরালে রয়ে যায় এ অনুষ্ঠানের অপরিহার্যতা৷ স্বপ্ন পূরণে অন্তরে লেগেছে ছোঁয়া৷ গুনে-মানে গোটা বিশ্বে অপ্রতিদ্বন্দ্বী এ প্রচার মাধ্যম আমাদের উজ্জীবিত করেছে৷ স্বপ্ন দেখিয়েছে৷ এ মিডিয়ার জন্মলগ্ন থেকেই কর্মকর্তা মহোদয় অতীব নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে আসছে৷ আপনাদের প্রচেষ্টার সঙ্গে আমরা সর্বশেষ নতুন আয়োজন অন্বেষণে সামিল হতে পেরে নিজেকে ধন্য মনে করছি৷''

পাবনারই হরিপুর, চাটমোহর থেকে কোহিনূর বেগম লিখেছেন একটি কবিতা:

এই ছোট্ট জীবনটায় বেদনা দগ্ধ সময়গুলো
এখন আমার একমাত্র অবলম্বন৷
কালের কঠোরতম কষাঘাতে আজ আমি বিধ্বস্ত
দূর সমুদ্রের দিকে তাকিয়ে আমার দিন কাটছিল
আরো সুবর্ণ সুখের প্রত্যাশায়৷
অকস্মাৎ সব এলোমেলো হয়ে গেল
কালের নির্মম ঔদাস্যে
এক রাতের প্রথম প্রহরে অবাঞ্ছিত ভাবে আমার পুত্রকে অকালে
প্রাণ দিতে হলো এক পরিবহনের বর্বর দ্রুততম গতিময়তায় ৷

সংকলন: সঞ্জীব বর্মন

সম্পাদনা: দেবারতি গুহ

নির্বাচিত প্রতিবেদন