1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

বিশ্ব

পরিধি বাড়িয়ে চীন, ভারত, রাশিয়ার সঙ্গে হাত মেলাবে ন্যাটো

ভারত, চীন আর রাশিয়ার মত শক্তিধর দেশগুলোর সহযোগিতা প্রয়োজন বলে মনে করছে ন্যাটো৷ মহাসচিব রাসমুসেন জার্মানির মিউনিখে নিরাপত্তা সম্মেলনের শেষে বললেন এই কথা৷

default

মিউনিখ সম্মেলনে ভাষণ দিচ্ছেন ন্যাটোর মহাসচিব রাসমুসেন

ন্যাটো কী চাইছে

আন্তর্জাতিক সন্ত্রাসবাদের মোকাবিলা যেমন প্রয়োজনীয় সেরকমই দরকার হয়ে পড়েছে নতুন সব হুমকির মোকাবিলা করাটাও৷ যার মধ্যে সর্বাগ্রে রয়েছে সাইবার সন্ত্রাসের ভয়৷ এইসবের মোকাবিলা করতে উত্তর অতলান্তিক সামরিক জোট বা ন্যাটো এবার বিশ্বের অন্যপ্রান্তের শক্তিধর দেশগুলোর সঙ্গে গাঁটছড়া বাঁধতে চায়৷

NATO Konferenz Vilnius Gruppenbild Verteidigungsminister

ন্যাটো সদস্য দেশগুলির পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের বৈঠক, ফাইল ছবি

কে বললেন একথা ?

মিউনিখে রবিবার সন্ধ্যায় শেষ হওয়া নিরাপত্তা সম্মেলনে ন্যাটোর মহাসচিব আন্দ্রেস ফগ রাসমুসেনের ভাষণে শোনা গেল এই নতুন ধাঁচের কথা৷ ন্যাটো, যার নামের মধ্যেই পরিচয় লুকিয়ে রয়েছে, যে এই সামরিক জোট মূলত অতলান্তিক সমুদ্রের উত্তরাঞ্চলের দেশগুলোর কথা ভেবে করা হয়েছিল৷ এর সঙ্গে ইউরোপ আর উত্তর অ্যামেরিকার সম্পর্ক রয়েছে৷ কিন্তু মহাদেশের সীমানা ছাড়িয়ে ন্যাটোর মত মিলিজুলি সংগঠন যদি এশিয়া আর রাশিয়ায় ডালপালা ছড়াতে চায়, তাতে আপত্তির কী আছে ? এ প্রশ্নই তুললেন রাসমুসেন৷

হঠাৎ করে সীমানা ছাপানোর কারণ

কারণটাও ওই রাসমুসেন বলে দিয়েছেন৷ তাঁর অভিমত, সময় এসে গেছে, যখন বিশ্বের সবপ্রান্তের শক্তিগুলির প্রয়োজন নিত্য নিয়মিত যোগাযোগ৷ দরকার তথ্য আদানপ্রদান করারও৷ এইসবের জন্যই মধ্যবর্তীর ভূমিকা নিতে চায় ন্যাটো৷ তাতে আন্তর্জাতিক জঙ্গিবাদের সঙ্গে লড়াইটা কোমরে অনেক জোর পাবে৷ ভারত বা চীনের মত ক্রমশ বিকাশশীল দেশগুলির দিকে এখন গোটা বিশ্বের মনোযোগ৷ রাসমুসেন মনে করেন, ন্যাটো সেখানে নিরাপত্তা বিষয়ে ভূমিকা নিতে পারবে অতি সহজেই৷

সেরকম ঘটলে বিশ্বের পরিধি আরও বিস্তৃত হবে

সেটাই রাসমুসেনের বা ন্যাটোর ব্যাখ্যা৷ মহাসচিব মনে করেন, শুধুমাত্র সন্ত্রাস মোকাবিলার ক্ষেত্রেই নয়, এতগুলি দেশ মিলে একটা যৌথ নিরাপত্তা ব্যবস্থা বা নিরাপত্তা শৃঙ্খল গড়ে তুলতে পারলে তাতে অনেক লাভও আছে৷ সামরিক বাহিনীর যে বিপুল খরচ প্রতিটি দেশকে সদাসর্বদা করে যেতে হয়, তাতেও সাশ্রয় হবে অদূর ভবিষ্যতে৷ তবে এই পুরো বিষয়টিই এই মুহূর্তে গবেষণা এবং আলাপ আলোচনার স্তরে রয়েছে৷ সব বিষয়ে নিশ্চিত হলেই অদূর ভবিষ্যতে হয়তো আমরা দেখব, ন্যাটো তথা সামরিক জোটের পরিধি অনেকটাই বাড়বে এবং এই প্রবৃদ্ধি হবে প্রায় বিশ্বজুড়ে৷

প্রতিবেদন - সুপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়, সম্পাদনা - রিয়াজুল ইসলাম

সংশ্লিষ্ট বিষয়