1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

সমাজ সংস্কৃতি

পরমাণু শক্তির বিরুদ্ধে জার্মানিতে জনমত

জাপানে ভূমিকম্প, সুনামিতে পরমাণু চুল্লির মারাত্মক দুর্ঘটনায়, বিপর্যয়ে ইউরোপসহ জার্মানি উদ্বিগ্ন৷ জার্মানদের দাবি, অচিরেই পরমাণু বিদ্যুৎ চুল্লি বন্ধ করা হোক৷

default

জার্মানিতে মাঝে মাঝেই পরমাণু শক্তি বিরোধী বিক্ষোভ দেখা যায়

কখন, কোনদিক থেকে বিপদাঘাত আসে, কেউই হলফ করে বলতে পারেনা৷ সেই দিব্যজ্ঞান মানুষের নেই৷ জাপানের মতো কারিগরী-শিল্প-বিজ্ঞানে উন্নত দেশ কি ভেবেছিল, ভূমিকম্প, সুনামিতে পরমাণু চুল্লিগুলি বিধ্বস্ত হবে৷ ভয়াবহ কাণ্ড ঘটবে৷

জার্মানিতে ১৭টি পরমাণু চুল্লি আছে বিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্যে৷ সবই জার্মানির পশ্চিমাংশে৷ পূর্বাংশে বা একটিও নেই৷ প্রশ্ন তুলছেন কেউ কেউ, তৎকালীন কমিউনিস্ট পূর্ব জার্মানিতে কি বিদ্যুতের ঘাটতি ছিল? কারখানা শিল্প বন্ধ ছিল?

Greenpeace Nuklear Atomkraftwerk Banner Flash-Galerie

একটি পারমাণবিক কেন্দ্রে গ্রিনপিসের ব্যানার, ‘পারমাণবিক শক্তি জার্মানির জন্য ক্ষতিকর’

জার্মান চ্যান্সেলর আঙ্গেলা ম্যার্কেল বলেছেন, আগামী ৩ মাসের মধ্যে পরমাণু কেন্দ্র বন্ধের বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে৷ তবে জার্মানির পরমাণু চুল্লির নিরাপত্তা রক্ষায় কোনো গড়িমসি নেই, বরং আরো জোরদার করা হচ্ছে৷ খতিয়ে দেখার কথায় বন্ধের আশ্বাস আছে৷ কিন্তু অনেকেই বিশ্বাসী নয়৷ প্রত্যেকের দাবি, পরমাণু চুল্লি এখনি বন্ধ করতে হবে৷ কোনো অজুহাত চলবে না৷ কেউ বলেন, জার্মানিতেও প্রাকৃতিক বিপর্যয় ঘটতেই পারে এবং পরমাণু চুল্লিকেও আঘাত হানতে পারে৷ তখন সামাল দেওয়া মুশকিল৷ মৃত্যু অনিবার্য৷ কারোর কথা, বিকল্প বিদ্যুৎ উৎপাদন তৈরি অবশ্যই সম্ভব৷ তৈরিও হচ্ছে যথেষ্ট৷ ব্যবহারও করা হচ্ছে বিস্তর৷ প্রয়োজনে সরকার আরো অর্থ বিনিয়োগ করুক, গবেষণা করুক৷ পরীক্ষা চালাক৷ কিন্তু পরমাণু চুল্লি নয়৷ বন্ধ করা হোক৷

আসলে পরমাণু চুল্লির বিদ্যুৎ ব্যবসায় জার্মানির বড়ো-বড়ো কোম্পানি, ভারি শিল্পের কলকারখানা, রাঘব বোয়ালরা জড়িত৷ সরকারও৷ নানা কেচ্ছা সত্ত্বেও সরকার, রাজনৈতিক নেতারা সময়মতো মৌনী৷ যেমন, ইতঃপূর্বে সামাজিক গণতন্ত্রী এস পি ডি এবং সবুজ দল৷ এখন ক্ষমতাহীন হয়ে পরমাণুর বিরুদ্ধে সোচ্চার৷

পরমাণু রোধে সাধারণ মানুষ কতোটা মরিয়া, দেখা গেল গত সোমবার৷ চ্যান্সেলরের কার্যালয়ের সামনে নানা শ্রেণীর, নানা পেশার জনসমাবেশ৷ হাতে প্ল্যাকার্ড৷ নানা স্লোগান৷ প্রত্যেকের একটিই দাবি: পরমাণু চুল্লি বন্ধ করতেই হবে৷ যে-কোনো মূল্যে৷ কোনো গাফিলতি, দোনামনা নয় আর৷ অনেক হয়েছে৷ ‘স্টপ ইট'৷

প্রতিবেদন: দাউদ হায়দার

সম্পাদনা: সঞ্জীব বর্মন

নির্বাচিত প্রতিবেদন