1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

বিশ্ব

‘পড়াশোনার গুরুত্ব তুলে না ধরলে শিক্ষায় আগ্রহ কমবেই'

বাংলাদেশে কি শিক্ষার প্রতি আগ্রহ কমে যাচ্ছে? প্রচলিত তথ্য-উপাত্তে শিক্ষার হার বাড়লেও, ভিন্ন এক তথ্যে শিক্ষার প্রতি আগ্রহ কমার প্রমাণ পাওয়া গেছে৷ আর তা হলো এবারের এসসসি পরীক্ষায় অন্তত ১০ লাখ শিক্ষার্থীর ‘ড্রপ আউট'৷

অডিও শুনুন 04:54

‘অভিভাবকরা মনে করেন, পড়াশোনা করে কী হবে, চাকরি তো পাবে না’

হিসাবটি এ রকম৷ শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী সোমবার থেকে যারা এসএসসি এবং সমমানের পরীক্ষায় বসেছে, তাদের সংখ্যা ১৬ লাখ ৫১ হাজার ৫২৩ জন৷ এরাই ২০১০ সালের প্রাথমিক সমাপনী পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিল৷ তখন তাদের সংখ্যা ছিল ২৪ লাখ ৮৬ হাজার ৩১৮ জন৷ দেখা যাচ্ছে, পাঁচ বছরের দৌঁড় শেষে মাধ্যমিক, ভোকেশনাল ও দাখিল সমাপনী পরীক্ষা পর্যন্ত ঝরে পড়েছে অন্তত লাখ ১১ হাজার ৩৯১ জন শিক্ষার্থী৷ তারা এক হয় এবারের পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছে না অথবা এ পর্যন্ত পৌঁছাতেই পারেননি তারা৷

বাংলাদেশে শিক্ষার হার বাড়ানোর জন্য নানা ব্যবস্থা চালু আছে৷ তার মধ্যে বিনামূল্যে পাঠ্যপুস্তক বিতরণ, মেয়েদের জন্যে উপ-বৃত্তি অন্যতম৷

শিক্ষা মন্ত্রণালয় জানায়, এর বাইরে বিশ্বব্যাংকের সহায়তায় দেশের ৬১টি জেলার পিছিয়ে পড়া ১২৫টি উপজেলার ৫৩৫টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের গণিত ও ইংরেজি বিষয়ের প্রতি ভীতি দূর করতে অতিরিক্ত ক্লাস পরিচালনা করা হচ্ছে৷

এছাড়া শিক্ষার্থীদের ঝরে পড়া বন্ধ করতে বর্তমান সরকার আগের মেয়াদে ক্ষমতায় আসার পরপরই শিক্ষা ব্যবস্থায় প্রাথমিক সমাপনী পরীক্ষা, জুনিয়র স্কুল সার্টিফিকেট (জেএসসি) পরীক্ষা চালু করে৷ কিন্তু তাতেও এই ঝড়ে পড়া বন্ধ করা যাচ্ছে না৷

এমন কেন হচ্ছে জানতে চাইলে শিক্ষাবিদ অধ্যাপক সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী ডয়চে ভেলেকে বলেন, ‘‘এর প্রধান কারণ দারিদ্র্য৷ অভিভাবকদের বড় একটি অংশ প্রাথমিকের পর তাদের সন্তানদের পড়াশুনা চালিয়ে নিতে পারছেন না৷ শিক্ষা উপকরণ বিনামূল্যে পাওয়া যাচ্ছে৷ কিন্তু তাদের ভরণপোষন তো আর সরকার দেবে না৷ তাই ছেলে শিক্ষার্থীদের একটি বড় অংশ পড়াশোনা বাদ দিয়ে কাজে ঢুকে যাচ্ছে৷''

তাঁর কথায়, ‘‘শিক্ষা এখনো সেই অর্থে উপযোগিতা তৈরি করতে পারেনি৷ কারণ দেশের শিক্ষিতদের একটি অংশ বেকার৷ তাঁরা চাকরি পান না৷ তাই হয়ত অভিভাবকরা মনে করছেন, পড়াশোনা করে কী হবে, চাকরি তো পাবে না৷ তাই তাঁরা ছেলেদের অল্প বয়সেই কাজে ঢুকিয়ে দিচ্ছেন৷''

অধ্যাপক সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী মনে করেন, ‘‘শিক্ষাব্যবস্থা এবং অর্থনীতির মধ্যে একটা ভারসাম্যহীন অবস্থা তৈরি হয়েছে৷ তাই শিক্ষার প্রতি আগ্রহ কমছে৷ শিক্ষা যে অর্থকরী এবং পড়াশুনা করলে চাকরি পাওয়া যাবে, তা নিশ্চিত করতে হবে৷ নয়ত এই আগ্রহ কমতেই থাকবে৷''

বন্ধুরা, শিক্ষার প্রতি আগ্রহ কিভাবে বাড়ানো যায়? জানান আপনার মত, নীচের ঘরে৷

নির্বাচিত প্রতিবেদন

এই বিষয়ে অডিও এবং ভিডিও

সংশ্লিষ্ট বিষয়