পছন্দের গান শুনলে মন খুশি থাকতে পারে | বিশ্ব | DW | 20.03.2015
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

বিশ্ব

পছন্দের গান শুনলে মন খুশি থাকতে পারে

সংবাদপত্র খুললেই বিশ্বজুড়ে নানা সংকট, মানুষের দুঃখ-কষ্টের খবর৷ আনন্দের কোনো খবর থাকেই না৷ ২০শে মার্চ ‘ডে অফ হ্যাপিনেস' তারই মধ্যে খুশির বার্তা আনার চেষ্টা করছে৷ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও তার প্রতিফলন দেখা যাচ্ছে৷

‘ডে অফ হ্যাপিনেস' বা ‘খুশির দিন' উপলক্ষ্যে জাতিসংঘ নানা ভাবে এ বিষয়ে সচেতনতা বাড়ানোর চেষ্টা চলছে৷ যাবতীয় সমস্যা সত্ত্বেও যতটা সম্ভব খুশি বা আনন্দিত থেকে মানসিক স্বাস্থ্যের যত্ন নেওয়া অত্যন্ত জরুরি – এ বিষয়ে বিশেষজ্ঞরা একমত৷ এক্ষেত্রে সংগীত বা গানের একটা বিশেষ ভূমিকা থাকতে পারে৷ তাই পছন্দের গান ‘শেয়ার' করতে টুইটারে হ্যাশট্যাগ তৈরি হয়েছে #HappySoundsLike৷ জাতিসংঘের মহাসচিব বান কি-মুন এক ভিডিও বার্তায় বলেছেন,

বান কি-মুন সহ অনেক খ্যাতিমান ব্যক্তি এ বিষয়ে তাঁদের ‘আইডিয়া' তুলে ধরেছেন৷

জাতিসংঘের অন্যান্য কিছু সংস্থাও এই বিশেষ দিবস উপলক্ষ্যে খুশির কিছু সংজ্ঞার উদাহরণ দিয়েছে৷ যেমন ইউএনডিপি মনে করে, একটি মেয়ে যখন তার ভবিষ্যৎ উজ্জ্বল করতে পড়াশোনা করে, তখন সেটা আনন্দের বড় কারণ৷ এই মুহূর্তে গোটা বিশ্বে মাত্র ৩০ শতাংশ মেয়ে সেই সুযোগ পাচ্ছে৷

শুধু নারীশিক্ষা নয়, সামগ্রিকভাবে শিক্ষার সুযোগ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করে ইউনিসেফ৷ প্রথমবার স্কুলে যাবার অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে তারা একটি মিউজিক ভিডিও প্রকাশ করেছে৷

আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন ভারতীয় সংগীতশিল্পী এ আর রহমান নিজের পছন্দের গান শেয়ার করেছেন৷

কৃষিবিজ্ঞানী অধ্যাপক এম এস স্বামীনাথন এক ফরাসি দার্শনিকের উদ্ধৃতি দিয়ে মনে করিয়ে দিয়েছেন, যে অস্তিত্বের স্বার্থে নয়, আনন্দের কারণে শিশুদের জন্ম হলে জনসংখ্যা স্থিতিশীল হবে৷

ইউরোপীয় পার্লামেন্টও ‘ডে অফ হ্যাপিনেস' উপলক্ষ্যে গানের এক প্লেলিস্ট প্রকাশ করেছে, যা শুনলে নাকি মনটা আনন্দে ভরে যাবে৷

সংকলন: সঞ্জীব বর্মন

সম্পাদনা: দেবারতি গুহ

নির্বাচিত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট বিষয়