1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

বিশ্ব

পছন্দের গান শুনলে মন খুশি থাকতে পারে

সংবাদপত্র খুললেই বিশ্বজুড়ে নানা সংকট, মানুষের দুঃখ-কষ্টের খবর৷ আনন্দের কোনো খবর থাকেই না৷ ২০শে মার্চ ‘ডে অফ হ্যাপিনেস' তারই মধ্যে খুশির বার্তা আনার চেষ্টা করছে৷ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও তার প্রতিফলন দেখা যাচ্ছে৷

‘ডে অফ হ্যাপিনেস' বা ‘খুশির দিন' উপলক্ষ্যে জাতিসংঘ নানা ভাবে এ বিষয়ে সচেতনতা বাড়ানোর চেষ্টা চলছে৷ যাবতীয় সমস্যা সত্ত্বেও যতটা সম্ভব খুশি বা আনন্দিত থেকে মানসিক স্বাস্থ্যের যত্ন নেওয়া অত্যন্ত জরুরি – এ বিষয়ে বিশেষজ্ঞরা একমত৷ এক্ষেত্রে সংগীত বা গানের একটা বিশেষ ভূমিকা থাকতে পারে৷ তাই পছন্দের গান ‘শেয়ার' করতে টুইটারে হ্যাশট্যাগ তৈরি হয়েছে #HappySoundsLike৷ জাতিসংঘের মহাসচিব বান কি-মুন এক ভিডিও বার্তায় বলেছেন,

বান কি-মুন সহ অনেক খ্যাতিমান ব্যক্তি এ বিষয়ে তাঁদের ‘আইডিয়া' তুলে ধরেছেন৷

জাতিসংঘের অন্যান্য কিছু সংস্থাও এই বিশেষ দিবস উপলক্ষ্যে খুশির কিছু সংজ্ঞার উদাহরণ দিয়েছে৷ যেমন ইউএনডিপি মনে করে, একটি মেয়ে যখন তার ভবিষ্যৎ উজ্জ্বল করতে পড়াশোনা করে, তখন সেটা আনন্দের বড় কারণ৷ এই মুহূর্তে গোটা বিশ্বে মাত্র ৩০ শতাংশ মেয়ে সেই সুযোগ পাচ্ছে৷

শুধু নারীশিক্ষা নয়, সামগ্রিকভাবে শিক্ষার সুযোগ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করে ইউনিসেফ৷ প্রথমবার স্কুলে যাবার অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে তারা একটি মিউজিক ভিডিও প্রকাশ করেছে৷

আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন ভারতীয় সংগীতশিল্পী এ আর রহমান নিজের পছন্দের গান শেয়ার করেছেন৷

কৃষিবিজ্ঞানী অধ্যাপক এম এস স্বামীনাথন এক ফরাসি দার্শনিকের উদ্ধৃতি দিয়ে মনে করিয়ে দিয়েছেন, যে অস্তিত্বের স্বার্থে নয়, আনন্দের কারণে শিশুদের জন্ম হলে জনসংখ্যা স্থিতিশীল হবে৷

ইউরোপীয় পার্লামেন্টও ‘ডে অফ হ্যাপিনেস' উপলক্ষ্যে গানের এক প্লেলিস্ট প্রকাশ করেছে, যা শুনলে নাকি মনটা আনন্দে ভরে যাবে৷

সংকলন: সঞ্জীব বর্মন

সম্পাদনা: দেবারতি গুহ

নির্বাচিত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট বিষয়