1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

বিশ্ব

ন্যূনতম মজুরি শ্রমিক-মালিক কেউই মানছে না

মালিক পক্ষের একগুঁয়েমির কারণে অবশেষে ভোটাভুটির মাধ্যমে তৈরি পোশাক শিল্পের শ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণ করা হয়েছে ৫,৩০০ টাকা৷ তবে মালিক পক্ষ এটা মানেননি৷ ওদিকে শ্রমিকরা বলছেন, তাঁদের ন্যূনতম মজুরি দিতে হবে ৭,৩০০ টাকা৷

Garment workers clash with locals, who they believe are supporting the garment factory owners, during a protest in Dhaka September 23, 2013. More than 100 Bangladeshi garment factories were forced to shut on Monday as thousands of workers protested to demand a $100 a month minimum wage and about 50 people were injured in clashes, police and witnesses said. REUTERS/Andrew Biraj (BANGLADESH - Tags: CIVIL UNREST BUSINESS TEXTILE)

ফাইল ফটো

সোমবার দীর্ঘ বৈঠক এবং ভোটাভুটির পর, তৈরি পোশাক শিল্পে শ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি ৫,৩০০ টাকা বলে ঘোষণা করেন মজুরি বোর্ডের চেয়ারম্যান এ কে রায়৷ ৪-২ ভোটে এই মজুরি নির্ধারণ হয়৷ মালিক পক্ষের দু' জন প্রতিনিধিই এই মজুরির বিপক্ষে ভোট দেন৷ তাঁরা সর্বশেষ ৪,৪৫০ টাকা মজুরি দিতে রাজি হন৷

নির্ধারিত ৫,৩০০ টাকার মধ্যে মূল বেতন ৩,২০০ টাকা, বাড়ি ভাড়া ১,২৮০ টাকা, চিকিত্‍সা ভাতা ৩২০টাকা, যাতায়ত ২০০ টাকা এবং খাদ্য ভর্তুকি ৩০০ টাকা৷

এর আগে ২০১০ সালে সর্বশেষ ৩,০০০ টাকা ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণ করা হয়৷ এরপর তাজরীন ফ্যাশানস-এ আগুন এবং রানা প্লাজা ধসের পর, পোশাক শ্রমিকদের নিরপত্তা এবং মজুরি নিয়ে দেশে-বিদেশে প্রশ্ন ওঠে৷ তাই তিন মাস আগে নতুন করে ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে মজুরি বোর্ড গঠন করা হয়৷ শুরুতে মালিকপক্ষ মাত্র ৬০০ টাকা বাড়িয়ে ৩,৬০০ টাকা মজুরির প্রস্তাব করে৷ আর শ্রমিকরা দাবি করেন ৮,১০০ টাকা৷

সোমবারের বৈঠকে মালিকরা শেষ পর্যন্ত ৪,৪৫০ টাকা ন্যূনতম মজুরি দিতে রাজি হন৷ শ্রমিকরা দাবি করেন ৭,৩০০ টাকা৷ অবশেষে নিরপেক্ষ প্রতিনিধিরা ৫,৩০০ টাকা প্রস্তাব করলে তা ভোটাভুটির মাধ্যমে পাস হয়৷

বাংলাদেশ গার্মেন্টস শ্রমিক ঐক্য পরিষদের আহ্বায়ক সিরাজুল ইসলাম ডয়চে ভেলেকে বলেন, এটা খসড়া, যা চূড়ান্ত হবে ৯ই নভেম্বর৷ তাঁরা চাইবেন, মজুরি যেন ৭,৩০০ টাকাই নির্ধারণ করা হয়৷ এ জন্য তাঁরা আন্দোলনে যাবেন না কি করবেন, তা শ্রমিক সংগঠনগুলো বৈঠক করে ঠিক করবে৷

এদিকে মালিক পক্ষের প্রতিনিধি আশরাফ জামাল দিপু ডয়চে ভেলেকে জানান যে, তাঁদের পক্ষে ৫,৩০০ টাকা মজুরি দেয় সম্ভব নয়৷ তাঁরা এর বিরুদ্ধে আপিল করবেন৷ কারণ, এই মজুরি দিলে তাঁদের পক্ষে ব্যবসা টিকিয়ে রাখা অসম্ভব হয়ে পড়বে৷

ওদিকে ২০১০ সালের মজুরি বোর্ডের চেয়ারম্যান ইকতেদার আহমেদ ডয়চে ভেলেক জানান, শ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি কমপক্ষে ৬,০০০ টাকা হওয়া উচিত৷ মজুরি কমিশনের উচিত ছিল, সোমবারই খসড়া প্রকাশ না করে মালিকদের সঙ্গে আলাপ-আলোচনা চালিয়ে ৬,০০০ টাকা নির্ধারণ করা৷ তিনি বলেন, এভাবে ভোটাভুটি করে নয়, সমঝোতা এবং ঐক্যমতের ভিত্তিতে মজুরি নির্ধারণ করা উচিত৷ নয়ত তা কার্যকর করতে সমস্যা হবেই৷

নির্বাচিত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট বিষয়