1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

জার্মানি ইউরোপ

ন্যাটোর কাছে কৈফিয়ত চাইলো রাশিয়া

পূর্ব ইউরোপে সদস্য দেশগুলিতে আরও সক্রিয় হয়ে ওঠার কথা ভাবছে ন্যাটো৷ এমন পরিকল্পনা উত্তেজনা আরও বাড়িয়ে তুলবে বলে মনে করছে রাশিয়া৷ ইউক্রেন সীমান্তে সৈন্য প্রত্যাহারের ইঙ্গিতও দিয়েছে মস্কো৷

ইউক্রেন সংকটকে কেন্দ্র করে রাশিয়ার সঙ্গে পশ্চিমা জগতের সম্পর্কের ভিত্তি কেঁপে গেছে৷ প্রাতিষ্ঠানিক স্তরেও দুই পক্ষের মধ্যে দূরত্ব বাড়তে শুরু করেছে৷ সামরিক জোট ন্যাটো মস্কোর সঙ্গে সবরকম সহযোগিতা বন্ধ করে দিয়েছে৷ সেইসঙ্গে পূর্ব ইউরোপে সদস্য দেশগুলির নিরাপত্তা আরও জোরদার করতে চায় ন্যাটো৷ আপাতত কাগজে-কলমে এমন পরিকল্পনার খসড়া তৈরি করার কাজ শুরু হয়েছে৷ তবে পোল্যান্ডের দাবি অনুযায়ী অবিলম্বে আরও সৈন্য মোতায়েনের পথে যাচ্ছে না ন্যাটো৷ প্রয়োজনে দ্রুত সৈন্য সংখ্যা বাড়ানো এবং আরও সামরিক মহড়ার মতো ব্যবস্থার কথা ভাবা হচ্ছে৷ কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই বিভিন্ন সম্ভাবনার খসড়া প্রস্তুত হয়ে যাবে বলে শোনা যাচ্ছে৷

ইউক্রেন সীমান্তে প্রায় ৪০,০০০ রুশ সৈন্যের উপস্থিতি ন্যাটোকে বেশ ভাবিয়ে তুলেছে৷ ক্রাইমিয়ার পর রাশিয়া ইউক্রেনের পূর্ব ও দক্ষিণ অংশকেও বিচ্ছিন্ন করার চেষ্টা করতে পারে বলে আশঙ্কা করছে কিছু মহল৷ রাশিয়া অবশ্য নিজস্ব সীমানার মধ্যে সৈন্য মোতায়েন নিয়ে কোনোরকম আলোচনা করতে প্রস্তুত নয়৷ রাশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই লাভরভ বলেছেন, সামরিক মহড়ার কারণে সৈন্যরা সেখানে সমবেত হয়েছে৷ মহড়া শেষ হলে তারা নিজেদের ঘাঁটিতে ফিরে যাবে, যদিও তার কোনো সময়সীমার উল্লেখ তিনি করেন নি৷ এই অবস্থায় ন্যাটোর কাছে কৈফিয়ত চেয়েছেন তিনি৷ তাঁর মতে, বর্তমান পরিস্থিতিতে উত্তেজনা কমানোই মূল উদ্দেশ্য হওয়া উচিত৷

এ প্রসঙ্গে লাভরভ বলেছেন, পূর্ব ইউরোপে ন্যাটোর স্থায়ী সৈন্য সংখ্যা বাড়ালে ১৯৯৭ সালের চুক্তি লঙ্ঘিত হবে৷ তাঁর আশা, ন্যাটো এই দ্বিপাক্ষিক চুক্তির কাঠামোর পরিপ্রেক্ষিতে বর্তমান সিদ্ধান্তের ব্যাখ্যা দেবে৷

এদিকে রাশিয়ার উপ পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই রিয়াবকভ বলেছেন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের উচিত ক্রাইমিয়ার রাশিয়ায় যোগদানের ঘটনা মেনে নেওয়া৷ কিছুটা হালকা মেজাজে তিনি বলেন, মার্কিন প্রশাসনের কর্মকর্তাদের উচিত আরও যোগাসন করা, খোলা আকাশের নীচে সময় কাটানো, টেলিভিশনে কমেডি শো দেখা ইত্যাদি৷ তাঁর মতে, মার্কিন মহাকাশ সংস্থা নাসা রাশিয়ার সঙ্গে সম্পর্ক প্রায় পুরোপুরি ছিন্ন করার যে সিদ্ধান্ত নিয়েছে, তার ফলে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের ক্ষতি হবে৷

এসবি / এপিবি (এএফপি, রয়টার্স)

নির্বাচিত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট বিষয়