1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

বিশ্ব

নোবেল জয়ী কারাবন্দি জিয়াওবোর স্ত্রীও গৃহবন্দি

শান্তিতে নোবেল জয়ী চীনের লিউ জিয়াওবোর স্ত্রী লিউ জিয়াকে গৃহবন্দি করলো চীন৷ অক্টোবরের আট তারিখ থেকেই তাঁকে গৃহবন্দি করা হয়েছে বলে টুইটারে জানিয়েছেন লিউ জিয়া৷

default

গৃহবন্দি লিউ জিয়া

অশ্রুসিক্ত কারবন্দি জিয়াওবো

কারাবন্দি লিউ জিয়াওবোর সঙ্গে শনিবার সাক্ষাৎ করেন তাঁর স্ত্রী লিউ জিয়া৷ শান্তিতে নোবেল জয়ের খবরে অশ্রুসিক্ত জিয়াওবো, ১৯৮৯ সালের ৪ জুন তিয়েনানমেন চত্বরে নিহতদের কথা স্মরণ করেন৷ তিনি এই নোবেল পুরস্কার উৎসর্গ করেছেন তাঁদের উদ্দেশ্যে, যাঁরা সেদিন গণতান্ত্রিক আন্দোলনে প্রাণ হারিয়েছিলেন৷ জিয়াওবোর নোবেল জয়ের খবরে চীন ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানালেও, লিউ জিয়াকে নিয়ে যায় চীনের উত্তরপূর্বাঞ্চলের কারাগারে৷ জিয়াওবো ১১ বছর মেয়াদের কারাদণ্ড ভোগ করছেন সেখানে৷ নোবেল জয়ের পর কারাগার সংশ্লিষ্ট এলাকায় নিরাপত্তা বাড়িয়েছে চীন৷ ইতিমধ্যে জিয়াওবোর কয়েক ডজন সমর্থককে চীনের বিভিন্ন শহর থেকে আটক করা হয়েছে৷

Norwegen China Friedensnobelpreis 2010 an Liu Xiaobo Flash-Galerie

শান্তিতে নোবেল জয়ী লিউ জিয়াওবো

গৃহবন্দি লিউ জিয়া

জিয়াওবোর সঙ্গে সাক্ষাতের পর লিউ জিয়া ফিরে এসেছেন বেইজিং৷ কিন্তু তাঁকে বর্তমানে গৃহবন্দি করে রাখা হয়েছে৷ টুইটারে জিয়া জানান, তাঁকে অনির্দিষ্টকালের জন্য গৃহবন্দি করা হয়েছে৷ কার্যত অক্টোবরের আট তারিখ থেকেই এই অবস্থায় আছেন তিনি৷ তাঁর মোবাইল ফোনটিকেও ভেঙ্গে ফেলা হয়েছে৷ ফলে বহির্বিশ্বের সঙ্গে কোন যোগাযোগ রাখতে পারছেন না লিউ জিয়া৷ একাধিক মানবাধিকার সংস্থা লিউ জিয়ার গৃহবন্দির খবরকে নিশ্চিত করেছে৷

আন্তর্জাতিক প্রতিক্রিয়া

হিউম্যান রাইটস ইন চায়না লিউ জিয়ার গৃহবন্দিত্বের অবসানের দাবি জানিয়েছে৷ এক বিবৃতিতে সংস্থাটি, লিউ জিয়া এবং লিউ জিয়াওবো - দু'জনেরই মুক্তি চেয়েছে৷ এজন্য আন্তর্জাতিক বিশ্বের সহায়তাও চেয়েছে সংস্থাটি৷ লিউ জিয়াওবোর নোবেল জয়ের পর পরই অবশ্য তাঁর মুক্তি চেয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা৷ বলাবাহুল্য গত বছর শান্তিতে নোবেল জয়ী ছিলেন ওবামা৷ ইউরোপীয় ইউনিয়নও জানিয়েছে, জিয়াওবোকে সশরীরে নোবেল পুরস্কার গ্রহণের সুযোগ দেওয়া উচিত৷

প্রতিবেদন: আরাফাতুল ইসলাম

সম্পাদনা: সুপ্রিয় বন্দোপাধ্যায়

নির্বাচিত প্রতিবেদন