1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

সমাজ সংস্কৃতি

নেতৃত্বের স্থানে পৌঁছতে চায় লিবিয়ার নারীরা

মুয়াম্মর গাদ্দাফির বিরুদ্ধে আন্দোলনে লিবিয়ার নারীরাও বিশেষ ভূমিকা রেখে চলেছে৷ অথচ বিদ্রোহীদের মধ্য থেকে নারী নেতৃত্ব উঠে আসতে হলে নারীদের পাড়ি দিতে হবে আরো দীর্ঘ সংগ্রামের পথ৷

default

লিবিয়ায় সোচ্চার হয়ে উঠছেন নারীরা

লিবিয়ার পূর্বাঞ্চলের শহর বেনগাজি৷ সরকার বিদ্রোহীরা কুচকাওয়াজ করছে৷ আর মঞ্চে বসে তা দেখছেন ন্যাশনাল ট্রান্জিশন্যাল কাউন্সিল এর নতুন সদস্যরা৷ যেখানে ১৭ জন পুরুষের মধ্যে নারী রয়েছেন দুইজন৷

Libyen Demonstration für die Allierten in Bengasi

বেনগাজিতে সরকার-বিরোধী বিক্ষোভ

বেনগাজির স্থানীয় পরিষদের শিক্ষা বিভাগের প্রধান হানা এল-গালাল৷ নারীদের আরও অধিকার আদায়ের জন্য তিনি এই পদ থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন৷ তিনি বলেন, ‘‘গাদ্দাফি বিরোধী আন্দোলনে নারীরা গুরুত্বপূর্ণ এবং নেতৃস্থানীয় ভূমিকা পালন করেছিলো৷ সেইসব নারীরা ছিলেন বহুভাষী৷ এবং তখন তাঁদেরকে স্বাগত জানানো হয়েছিল৷'' তিনি আরো বলেন, ‘‘কিন্তু এখন সেখানে প্রতিযোগিতা চলে এসেছে৷ আবার আমরা যেন সেই দৃষ্টিভঙ্গিতে ফিরে গেছি যে, নারীদের পুরুষদের প্রতিযোগী হওয়া উচিত নয় এবং নেতৃত্বের স্থানে সবসময় পুরুষদের থাকা উচিত৷''

তবে প্রাচ্যের এই নারীরা এখন তাদের নিজেদের স্বাধীনতার কথা বলছে৷ রাজনৈতিক পটভূমিতে তাদের অংশগ্রহণের ক্ষেত্রে আনতে চাচ্ছে পরিবর্তন৷ চাইছে সামাজিক মর্যাদা বাড়াতে৷

Libyen Demonstration gegen Muammar Gaddafi in Bengasi Flugverbotszone

গাদ্দাফির পতন চান বেনাগাজির নারীরা

মধ্য ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হওয়া গাদ্দাফি বিরোধী আন্দোলনে বিদ্রোহীদের পরবর্তী কর্ম পরিকল্পনা গ্রহণের পর্যায়ে বিদ্রাহীদের প্রধান দফতরে তাঁদের সঙ্গে বৈঠকও করেছেন নারীরা৷

একাধিক ভাষা জানার কারণে অনেক সময় গণমাধ্যমের সামনে প্রধান বক্তা হিসেবে দেখা গেছে তাঁদেরকে৷ যেখানে তাঁরা বলেছেন কী ধরণের নতুন এক লিবিয়া তাঁরা দেখতে চান৷ পুরুষ নেতাদের সঙ্গে এইসব বিষয় নিয়ে আলাপ-আলোচনা করতেও দেখা গেছে তাঁদেরকে৷

Libyen Demonstration gegen Muammar Gaddafi in Bengasi Flagge

মুক্তিকামী বিদ্রোহীদের পতাকা নিয়ে রাজপথে নেমেছেন নারীরা

নারী আইনজীবীদের একটি গ্রুপ বিদ্রোহীদের সঙ্গে বিভিন্ন বৈঠকে সক্রিয় ভূমিকা পালন করেছেন৷ সালওয়া বুগাইঘিস তাঁদের অন্যতম৷ তিনি বলেন, ‘‘আমি এটা দেখে দু:খ পেয়েছিযে জাতীয় পরিষদে ৫০ জন সদস্যের মধ্যে নারী সদস্য মাত্র পাঁচজন৷ নারীদের নেতা হিসেবে উপস্থিত হওয়া বা ঊর্ধ্বতন কোনো পদের অধিকারী হওয়ার জন্য লিবিয়ার মানুষের মানসিকতার যে পরিবর্তন দরকার তার জন্য হয়ত আরো কিছু সময় লাগবে৷''

প্রতিবেদন: জান্নাতুল ফেরদৌস

সম্পাদনা: আব্দুল্লাহ আল-ফারূক

সংশ্লিষ্ট বিষয়