1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

বিশ্ব

নেতানিয়াহু পূর্ব জেরুসালেমে বসতি নির্মাণে বদ্ধপরিকর

শুধু যুক্তরাষ্ট্রই নয়, জার্মান চ্যান্সেলর আঙ্গেলা ম্যার্কেলও এ-ব্যাপারে খুব সন্তুষ্ট নন৷ শান্তি প্রক্রিয়ার পক্ষে একটি ‘‘গুরুতর আঘাতের’’ কথা বলেছেন তিনি, লেবাননের প্রধানমন্ত্রী সাদ হারিরি’র বার্লিন সফরের অবকাশে৷

default

লেবাননের প্রধানমন্ত্রী সাদ হারিরি, চ্যান্সেলর আঙ্গেলা ম্যার্কেলের সঙ্গে

শুধু যুক্তরাষ্ট্রই নয়, জার্মান চ্যান্সেলর আঙ্গেলা ম্যার্কেলও এ-ব্যাপারে খুব সন্তুষ্ট নন৷ শান্তি প্রক্রিয়ার পক্ষে একটি ‘‘গুরুতর আঘাতের'' কথা বলেছেন তিনি৷ লেবাননের প্রধানমন্ত্রী সাদ হারিরি'র বার্লিন সফরের অবকাশে ম্যার্কেল এ-কথা বলেন৷

ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বিনিয়ামিন নেতানিয়াহু'র কাছে পূর্ব জেরুসালেমে বসতি নির্মাণের পরিকল্পনাটি পুরোপুরি স্বাভাবিক৷ তাঁর লিকুদ সংসদীয় গোষ্ঠীর সদস্যদের সমীপে নেতানিয়াহু ঘোষণা করেন যে, ইসরায়েল জেরুসালেম এবং অপরাপর স্থানে ঠিক সেভাবেই নির্মাণকার্য চালাবে, যেভাবে ইসরায়েল বিগত ৪২ বছর ধরে তা চালিয়ে আসছে৷ এক্ষেত্রে নেতানিয়াহু ওয়াশিংটনের সঙ্গে মনোমালিন্যের কথা উল্লেখ করেননি৷ সোমবার দ্বিপ্রহরে নেতানিয়াহু ইসরায়েলি সংসদে ব্রেজিলের প্রেসিডেন্ট লুলা দা সিলভা'কে স্বাগত জানানোর সময় বলেন যে, বিগত ৪০ বছরে কোনো ইসরায়েলি সরকারই জেরুসালেমে নির্মাণকার্য সঙ্কুচিত করেননি৷ নেতানিয়াহুর ভাষায়:

‘‘এই ইহুদি বসতিটির নির্মাণ পূর্ব জেরুসালেমের আরব বাসিন্দাদের কোনোমতেই ক্ষতি করেনি, এবং তা তাদের ক্ষতি করেও ঘটেনি৷ বর্তমানে জেরুসালেমের ইহুদি বাসিন্দাদের প্রায় অর্ধেক ঐ বসতিতে বাস করে৷ এবং সেই কারণে - সংসদে কিছু মতপার্থক্য সত্ত্বেও - প্রায় সকলেই, হয়তো বাস্তবিক সকলেই এ-বিষয়ে একমত যে, যে-কোনো চূড়ান্ত শান্তি চুক্তিতে এই বসতি ইসরায়েল রাষ্ট্রের অঙ্গই থাকবে৷''

বার্লিনে জার্মান চ্যান্সেলর আঙ্গেলা ম্যার্কেল ঠিক এই মনোভাবের সমালোচনা করে বলেছেন:

‘‘পূর্ব জেরুসালেমে নতুন আবাসন নির্মাণের ঘোষণা দেওয়ার ফলে ফিলিস্তিনি এবং ইসরায়েলের মধ্যে প্রাথমিক আলাপ-আলোচনা সংঘটিত হবে কিনা, সে প্রশ্নে আমরা একটা গুরুতর আঘাতের সম্মুখীন হয়েছি৷ আমি প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহুর সঙ্গে টেলিফোনালাপে তা স্পষ্ট করেও দিয়েছি৷''

Auslandseinsätze der Bundeswehr UNIFIL Deutschen Fregatte Bayern in den Gewässern vor Beirut Libanon

বৈরুতের উপকুলে জার্মান রণতরী ‘বায়ার্ন’

নয়তো ম্যার্কেল নবাগত অতিথি লেবাননের প্রধানমন্ত্রী সাদ হারিরি'কে বলেন যে, তিনি ভূমধ্যসাগরে জার্মান নৌবাহিনীর অভিযানের মেয়াদ বাড়ানোর সপক্ষে - হারিরি'র যা ভালো লাগারই কথা৷ সাদ হারিরি মাত্র ছ'মাস আগে লেবাননের প্রধানমন্ত্রী হয়েছেন, এ'টি তাঁর প্রথম বার্লিন সফর৷ এবং স্বভাবতই চ্যান্সেলরের সঙ্গে তাঁর আলাপ-আলোচনায় লেবাননের দক্ষিণের প্রতিবেশী ইসরায়েলের প্রসঙ্গটি বাদ পড়েনি৷ এবং সেক্ষেত্রে চ্যান্সেলরের মুখে অপ্রত্যাশিত রকম স্পষ্ট ভাষা শোনেন হারিরি৷ ম্যার্কেল এই আশা প্রকাশ করেন যে, ভবিষ্যতে ইসরায়েলের কাছ থেকে ইতিবাচক সঙ্কেত আসবে, এবং বর্তমানের মতো শুধু নেতিবাচক নয়, যা যাবতীয় আলাপ-আলোচনার সম্ভাবনা বিনষ্ট করে৷

এবং ফিলিস্তিনি-ইসরায়েল প্রসঙ্গটি যে লেবাননের কাছে কতো গুরুত্বপূর্ণ, সাদ হারিরি তার প্রমাণ দিয়েছেন এ-কথা বলে: ‘‘আন্তর্জাতিক রাষ্ট্রসমাজে আমাদের বান্ধবরা যখন প্রশ্ন করেন, ‘আমরা লেবাননকে কিভাবে সাহায্য করতে পারি?' সব সময়েই আমাদের প্রথম উত্তর হল, ‘ফিলিস্তিনি প্রশ্নে বিশ্বাসযোগ্য প্রগতির ব্যবস্থা করো'৷''

প্রতিবেদক: অরুণ শঙ্কর চৌধুরী

সম্পাদনা: সাগর সরওয়ার

সংশ্লিষ্ট বিষয়