1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

বিশ্ব

‘‘নূর হোসেন গুমের শিকার হতে পারেন’’

তিন র‌্যাব কর্মকর্তাকে গ্রেফতার ও র‌্যাব-১১’র নারায়ণগঞ্জ ক্যাম্প তল্লাশির দাবি জানিয়েছেন নিহত কাউন্সিলর নজরুল ইসলামের শ্বশুর শহিদুল ইসলাম৷ তাঁর আশঙ্কা প্রধান অভিযুক্ত নূর হোসেনকে গুম করে ঘটনা ধামাচাপা দেয়া হতে পারে৷

default

তিন র‌্যাব কর্মকর্তাকে গ্রেফতারের দাবি জানিয়েছেন নজরুল ইসলামের শ্বশুর শহিদুল ইসলাম

তিনি ডয়চে ভেলেকে বলেন, তদন্তের নামে ঢাকঢোল পেটানো হলেও আসামিদের গ্রেফতার না করা রহস্যজনক৷

নারায়ণগঞ্জের ওয়ার্ড কাউন্সিলর নজরুল ইসলামসহ সাতজনকে অপহরণ করা হয় ২৭ এপ্রিল৷ আর শীতলক্ষ্যা নদী থেকে তাঁদের লাশ উদ্ধার করা হয় ৩০ এপ্রিল৷ তারপর ১০ দিন কেটে গেলেও আসামি এবং অভিযুক্তদের গ্রেফতারে তেমন কোনো অগ্রগতি নেই৷ আর মূল অভিযুক্ত আরেক ওয়ার্ড কাউন্সিলর নূর হোসেনকে নিয়ে নতুন নাটক চলছে বলে দাবি করেন নিহত নজরুলের শ্বশুর শহিদুল ইসলাম৷

ডয়চে ভেলেকে তিনি জানান, ‘‘প্রথমে হাতের কাছে পেয়েও নূর হোসেনকে গ্রেফতার করেনি পুলিশ৷ আর এখন প্রচার করা হচ্ছে নূর হোসেন দেশের বাইরে পালিয়ে গেছে৷'' তিনি আশঙ্কা করেন, ‘‘নূর হোসেন শেষ পর্যন্ত গুমের শিকার হতে পারেন৷ কারণ নূর হোসেন গ্রেফতার হলে সব কিছু প্রকাশ পাবে৷

এই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত তিন র‌্যাব কর্মকর্তা এবং প্রভাবশালীদের নাম প্রকাশ করে দেবে সে৷ আর সে কারণেই হয়তো নূর হোসেনকেও আর পাওয়া নাও যেতে পারে৷'' শহিদুল ইসলাম দাবি করেন, ‘‘নূর হোসেন আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর নিয়ন্ত্রণেই আছে৷ তাঁকে দিয়ে হয়তো নতুন কোনো নাটকের অধ্যায় তৈরি হচ্ছে৷''

তিনি বলেন, ‘‘র‌্যাব-১১'র কমান্ডিং অফিসার লে. কর্নেল তারেক সাইদ মোহাম্মদ, মেজর আরিফ হোসেন এবং র‌্যাবের নারায়ণগঞ্জ ক্যাম্পের প্রধান লে. কমান্ডার মাসুদ রানা – এই তিনজনকে এখনো গ্রেফতার বা জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়নি৷ নূর হোসেনকে পাওয়া না গেলেও এই তিনজনতো পালিয়ে যাননি৷ তাঁদের জিজ্ঞাসাবাদ করলেই সব তথ্য বেরিয়ে আসবে৷'' শহিদুল ইসলাম প্রশ্ন করেন, ‘‘কি কারণে এখনো এই তিন কর্মকর্তাকে গ্রেফতার করা হচ্ছে না?'' তিনি দাবি করেন, ‘‘এই তিন কর্মকর্তা যে ৬ কোটি টাকার বিনিময়ে সাতজনকে হত্যা করেছেন তা এখন পুরোপুরি পরিষ্কার৷ হত্যার পর লাশ নদীতে ডোবাতে যে ইট, দড়ি এবং বস্তা ব্যবহার করা হয়েছে তা সবই র‌্যাবের নারায়ণগঞ্জ ক্যাম্পের৷'' তারপরও বিষযটি নিয়ে সময় পার করা হচ্ছে বলে তাঁর দাবি৷ তিনি বলেন, ‘‘নারায়ণগঞ্জের র‌্যাব ক্যাম্পে তল্লাশি চালানো হলে হত্যাকাণ্ডের সব আলামত পাওয়া যাবে৷ কিন্তু তাও করা হচ্ছে না৷''

শহীদুল ইসলাম বলেন, ‘‘নূর হোসেনকে পাওয়া গেলেই সব কিছু জানা যাবে, পুলিশ এই দাবি করছে৷ কিন্তু তাকে আদৌ পাওয়া যাবে কি না তা নিয়ে এখন সন্দেহ আছে৷ আর তাকে পাওয়া না গেলেও তিন র‌্যাব কর্মকর্তাইতো সব জানেন৷ তাদের কেন ধরা হচ্ছে না৷''

তিনি বলেন, ‘‘এখন মামলার তদন্ত নয়, এটা নিয়ে রাজনীতি হচ্ছে৷ তিন র‌্যাব কর্মকর্তাসহ প্রভাবশালীদের বাঁচানোর চেষ্টা চলছে৷ রাজনীতি নয়, আমি হত্যার বিচার চাই৷''

নির্বাচিত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট বিষয়