1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

খেলাধুলা

নিষিদ্ধ অলিম্পিকে স্বর্ণজয়ী লি

ডোপিং টেস্টে অংশ না নেয়ায় এবং ব্যক্তিগত তথ্যাদি দিতে ব্যর্থ হওয়ায় নিষিদ্ধ করা হয়েছে অলিম্পিক ব্যাডমিন্টনে স্বর্ণজয়ী দক্ষিণ কোরিয়ার অ্যাথলিট লি চং ওয়েই এবং তাঁর সহ-খেলোয়াড়কে৷

বিশ্বের সব বড় খেলাতেই অংশগ্রহণকারী অ্যাথলিটদের ডোপিং টেস্টের মধ্য দিয়ে যেতে হয় এবং নিজেদের ব্যক্তিগত তথ্য বিশ্ব ক্রীড়া ফেডারেশনের কাছে জমা দিতে হয়৷ ব্যাডমিন্টন খেলোয়াড়দের বেলায় মালয়েশিয়াভিত্তিক ব্যাডমিন্টন ওয়ার্ল্ড ফেডারেশনে এ সব তথ্যাদি জমা দিতে হয়৷ সেইসাথে অংশ নিতে হয় বেশ কিছু শারীরিক ও মানসিক পরীক্ষায়৷

ব্যাডমিন্টন ওয়ার্ল্ড ফেডারেশন বা বিডাব্লিউএফ এ সপ্তাহে এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, আন্তর্জাতিক অঙ্গনে যেসব খেলোয়াড় খেলেন তাঁদের বিভিন্ন পরীক্ষার মধ্যে দিয়ে যেতে হয়৷ এ জন্য কিম এবং লি-কে বেশ কয়েকবার এ সব তথ্য জমা দিতে বলা হয়েছে, যাতে সেগুলো পরীক্ষা-নীরিক্ষা করা যেতে পারে৷ কিন্তু ২০১৩ সালে তিন-তিন বার এই দুই অ্যাথলিটকে এ সংক্রান্ত প্রশাসনের কাছে তথ্যাদি জমা দিতে বলা হলেও, তাঁরা ব্যর্থ হন৷

এ মাসের প্রথম দিকে লি এবং কিম বিডাব্লিউএফ-এর তিন সদস্য বিশিষ্ট ডোপিং প্যানেলে উপস্থিত হন, যেখানে তাঁদের বিরুদ্ধে শুনানি হয়৷ শুনানিতে প্যানেল তাঁদের দু'জনকে এক বছরের নিষেধাজ্ঞা দেয়৷ প্রসঙ্গত, এ ধরনের পরিস্থিতিতে সাধারণত দু'বছরের নিষেধাজ্ঞা দেয়া হয়৷ কিন্তু ব্যাডমিন্টন কোরিয়া অ্যাসোসিয়েশন বিডাব্লিউএফ-কে তথ্য জমা দেয়ার বিষয়টি অবগত না করায় তাঁদের শাস্তি কম হয়েছে৷

বলা হয়েছে, ২৩ জানুয়ারি ২০১৪ থেকে ২৩ জানুয়ারি ২০১৫ পর্যন্ত তাঁরা কোনো ধরনের প্রতিযোগিতায় অংশ নিতে পারবেন না৷ তবে ১৭ ফেব্রুয়ারির মধ্যে তাঁরা এই নিষেধাজ্ঞার বিরুদ্ধে আবেদন করতে পারবেন৷

দক্ষিণ কোরিয়ার সংবাদ সংস্থা ইয়োনহাপ ব্যাডমিন্টন কোরিয়া অ্যাসোসিয়েশন-এর নির্বাহী পরিচালক কিম ইয়ুং সু-এর বরাত দিয়ে জানিয়েছে যে, এই দুই অ্যাথলিট কেবল প্রশাসনের প্রক্রিয়ার লঙ্ঘণ করেছেন, তাঁরা ডোপিং টেস্টে ব্যর্থ হননি৷ এছাড়া, তাঁরা কখনোই কোনো ধরনের নিষিধ্য দ্রব্য গ্রহণ করেননি বলে জানান তিনি৷ বরং বিভিন্ন আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় তাঁরা ডোপিং টেস্টের মধ্য দিয়ে গেছেন এবং সেখানে এ ধরনের কোনো ফল পাওয়া যায়নি বলেই জানিয়েছেন ইয়ুং সু৷

এপিবি/ডিজি (এপি, এএফপি)

নির্বাচিত প্রতিবেদন