1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

বিশ্ব

নির্বাচন নিয়ে অনিশ্চয়তায় উভয় দল

সরকার এবং বিরোধী – উভয় দলের নেতারাই আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন নিয়ে অনিশ্চয়তার কথা বলেছেন ডয়চে ভেলেকে৷ এই অনিশ্চয়তার জন্য আওয়ামী লীগ বিএনপিকে এবং বিএনপি আওয়ামী লীগকে দায়ী করছে৷

সংবিধান অনুযায়ী বর্তমান সরকারের মেয়াদের শেষ ৩ মাসে নির্বাচন হতে হবে৷ আর তাই যদি হয়, তাহলে অক্টোবর মাসেই সংসদ ভেঙে দিতে হবে৷ আওয়ামী লীগ এখনো বর্তমান সংবিধানের অধীনেই নির্বাচনের কথা বলছে৷ অন্যদিকে বিএনপি সংবিধান সংশোধন করে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা ফিরিয়ে আনার দাবিতে অনড়৷

এই অবস্থায় নির্ধারিত সময়ে নির্বাচন হবে কিনা জানতে চাইলে আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা মণ্ডলীর সদস্য মোহাম্মদ নাসিম ডয়চে ভেলেকে বলেন, ‘‘আওয়ামী লীগ চায় ঠিক সময়ে নির্বাচন৷ আওয়ামী লীগ নির্বাচনের কাজও শুরু করে দিয়েছে৷ কিন্তু বিরোধী দল বিএনপি অসাংবিধানিক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দাবি তুলে দেশে অস্থিতিশীল পরিবেশ সৃষ্টি করে নির্বাচন বানচাল করতে চায়৷ তারা নির্বাচন নিয়ে অনিশ্চয়তার সৃষ্টি করতে চাইছে৷ তারা চাইছে নির্বাচন নয় অসাংবিধানিকভাবে ক্ষমতায় যেতে৷'' তবে নাসিম মনে করেন, তারা সে সুযোগ পাবেনা৷ কারণ বর্তমান সংবিধান অনুযায়ী যতদিন নির্বাচন না হবে ততদিন বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাই প্রধানমন্ত্রী থাকবেন৷ কোনো অসাংবিধানিক শক্তির ক্ষমতায় আসার সুযোগ নেই৷

Bangladesh Protest gegen Kriegsverbrecher

সংবিধান অনুযায়ী বর্তমান সরকারের মেয়াদের শেষ ৩ মাসে নির্বাচন হতে হবে

এর জবাবে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশররফ হোসেন ডয়চে ভেলেকে জানান, ‘‘নির্বাচন নিয়ে অনিশ্চয়তা সৃষ্টি হয়েছে সত্য৷ তবে এর জন্য দায়ী সরকার৷ আওয়ামী লীগ চাইছে যে কোনোভাবে ক্ষমতায় থেকে যেতে৷ তারা জানে, সুষ্ঠু এবং নিরপেক্ষ নির্বাচন হলে ক্ষমতায় আসতে পারবেনা৷ তাই তারা তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দাবি মেনে না নিয়ে তাদের অধীনে নির্বাচন করতে চাইছে৷ অথবা সংকট সৃষ্টি করে ক্ষমতা দীর্ঘায়িত করতে চাইছে৷'' ‘যতদিন নির্বাচন না হবে ততদিন শেখ হাসিনা প্রধানমন্ত্রী থাকবেন' – মোহাম্মদ নাসিমের এই বক্তব্যকে তিনি ষড়যন্ত্রমূলক বলে অভিহিত করেন৷ তবে তিনি মনে করেন, শেষ পর্যন্ত এই ‘ষড়যন্ত্র' সফল হবেনা৷

সংবিধান বিশেষজ্ঞ ড. শাহদীন মালিক ডয়চে ভেলেকে বলেন, সংববিধানের পঞ্চদশ সংশোধনী অনুযায়ী বর্তমান প্রধানমন্ত্রী নতুন নির্বাচিত প্রধানমন্ত্রীর কাছে ক্ষমতা হস্তান্তর করবেন৷ এর মানে এই নয় যে নির্বাচন না দিয়ে যতদিন খুশি প্রধানমন্ত্রী থাকা যাবে৷ সরকারের ভিতরে এ ধরনের কোনো চিন্তা আছে বলে তিনি মনে করেন না৷ তবে কেউ সুযোগ নিতে চাইলে নিতে পারেন৷ কিন্তু তা কারো জন্যই কল্যাণকর হবেনা৷

নির্বাচিত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট বিষয়