1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

বিশ্ব

নির্বাচনের পর জাপানে স্বস্তির আভাস

প্রথম দফায় দুঃসময়ই দেখেছিলেন শিনজো আবে৷ তবে এবারের নির্বাচনে জয়লাভ করে জাপানের প্রধানমন্ত্রী স্বস্তি এনে দিয়েছেন দেশবাসীর মনেও৷ উচ্চকক্ষে বিপুল জয় আরো আত্মবিশ্বাসী করেছে প্রধানমন্ত্রী ও তাঁর জোট সরকারকে৷

বলতে গেলে ২০০৭ সাল থেকেই এক ধরণের অচলাবস্থার মধ্য দিয়ে যাচ্ছে জাপান৷ তার আগে শুধু জুনিচিরো কোইজুমিই পেরেছিলেন প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্বে পাঁচটি বছর পার করতে৷ তারপর শিনজো আবে একবার প্রধানমন্ত্রী হয়েও পদত্যাগে বাধ্য হন৷ সে হিসেবে দ্বিতীয় দফা একই দায়িত্বে এসে সুসময়ের প্রত্যাশা করতে পারছেন লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি (এলডিপি)-র এই নেতা৷ গত ডিসেম্বর থেকেই তিনি আবার জাপানের প্রধানমন্ত্রী৷ সেই থেকে দেশের অর্থনীতিকে চাঙা করতে বেশ কিছু পদক্ষেপ নিয়েছেন৷ তার সুফলও পেয়েছেন এ নির্বাচনে৷ সংক্ষিপ্ত ফলাফল – এলডিপি ৬৫ এবং জোট সরকারে তাদের অংশীদার নিউ কোমেইতো ১১টি আসনে জয়ী৷ সুবাদে সংসদের উচ্চকক্ষে পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ পেল জোট সরকার৷ প্রধান বিরোধী দল ডেমোক্রেটিক পার্টি অফ জাপান (ডিপিজে)-এর জন্য হতাশা বয়ে এনেছে এ নির্বাচন৷ মাত্র ১৭টি আসনে জিতেছে তাদের প্রার্থীরা৷ সেই তুলনায় জাপানের কমিউনিস্ট পার্টি (জেসিপি)-র অবস্থা অনেক ভালো, তারা জিতেছে ৮টি আসনে৷ ১৯৯৮ সালের পর থেকে উচ্চকক্ষে এটাই জেসিপি-র সেরা সাফল্য৷

তবে জাপানের মানুষ আপাতত চেয়ে আছে শিনজো আবের নেতৃত্বে নির্বাচনে বড় সাফল্য পাওয়া জোট সরকারের দিকে৷ নির্বাচিত হয়ে প্রধানমন্ত্রীও ভোটারদের দিয়েছেন আস্থার প্রতিদান দেয়ার আশ্বাস৷ এক ভাষণে তিনি বলেছেন, ডিসেম্বর থেকে দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির জন্য নেয়া তাঁর সরকারের প্রতিটি পদক্ষেপ আরো গতিশীল হবে৷ আরেকটি বিষয়ও প্রত্যাশিতভাবেই গুরুত্ব পেয়েছে ভাষণে৷ প্রতিবেশি রাষ্ট্র চীনের সঙ্গে সম্পর্ক উন্নয়নের ব্যাপারে শিনজো আবের মন্তব্য, ‘‘আলোচনার দরজা সব সময়ই খোলা৷''

এসিবি/ডিজি (রয়টার্স, ডিপিএ)

নির্বাচিত প্রতিবেদন