1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

জার্মানি

নির্বাচনের আগে জার্মান সংসদে ম্যার্কেলের শেষ ভাষণ

ম্যার্কেল তাঁর চূড়ান্ত ‘স্টেট অফ দ্য নেশন' ভাষণে মধ্যমপন্থা ও ঐকমত্যের ওপর জোর দিলেন, প্রশংসা করলেন ‘বৃহৎ জোট' সরকারের৷ এসপিডি কিন্তু আগের মতোই মুখগোমড়া৷

মাত্র দু'দিন আগে ম্যার্কেল তাঁর একমাত্র টেলিভিশন বিতর্কে প্রতিপক্ষ মার্টিন শুলৎসকে পর্যুদস্ত করেছেন৷ চলতি কর্মকালে জার্মান সংসদের শেষ অধিবেশনে ম্যার্কেল কিন্তু শুরু করলেন অর্থনীতি দিয়ে৷ বললেন, বর্তমানে কর্মসংস্থান সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছে; জার্মানি আজ সারা ইউরোপের ঈর্ষার পাত্র৷ ডিজেলগেট কেলেংকারির পরিপ্রেক্ষিতে ম্যার্কেল জানালেন যে, সরকার একদিকে যেমন নিয়ন্ত্রণ বাড়াবেন, অপরদিকে তেমন বৈদ্যুতিক গাড়ির চল বাড়ানোর চেষ্টা করবেন – তবে ডিজেল মোটর নিষিদ্ধ করার কোনো প্রশ্ন উঠবে না৷

প্রযুক্তির ক্ষেত্রে জার্মানির আরো বেশি উদ্ভাবনপ্রয়াসী হয়ে ওঠা প্রয়োজন, বললেন ম্যার্কেল – অতীতে জার্মানি যেরকম এমপি-থ্রি প্লেয়ার বাজারে এনেছে৷ ‘‘আমরা প্রযুক্তির সংগ্রহশালায় পড়ে থাকতে চাই না, আমরা পথিকৃৎ হতে চাই'', বললেন ম্যার্কেল৷

আন্তর্জাতিক প্রসঙ্গ

উত্তর কোরিয়া সমস্যার শুধুমাত্র ‘‘শান্তিপূর্ণ, সংলাপভিত্তিক সমাধান'' সম্ভব, বলে ম্যার্কেল মনে করেন৷ তবে তিনি বিশ্বের অপরাপর নেতৃবর্গের সঙ্গে উত্তরোত্তর অর্থনৈতিক শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নিয়ে কথা বলতে প্রস্তুত৷

ম্যার্কেল তুরস্কের বিরুদ্ধে তাঁর সমালোচনার পুনরাবৃত্তি করে বলেন যে, দেশটি ‘‘আইনের শাসন থেকে ক্রমেই দূরে সরে যাচ্ছে৷'' তিনি পুনরায় আংকারার প্রতি অবৈধভাবে ধৃত জার্মান নাগরিকদের মুক্তি দেবার দাবি জানান ও বলেন যে, তুরস্কের ইইউ-তে যোগদান সংক্রান্ত আলাপ-আলোচনা মুলতুবি রাখা অথবা পুরোপুরি বন্ধ করে দেওয়া সম্বন্ধে তিনি তাঁর ইইউ সতীর্থদের সঙ্গে শলাপরামর্শ করবেন৷

উদ্বাস্তু প্রসঙ্গে ম্যার্কেল উত্তর আফ্রিকার দেশগুলির সঙ্গে সহযোগিতার প্রচেষ্টা করবেন বলে জানান, যদিও ‘‘আমাদের এখনও ওদের সঙ্গে কথাবার্তা বলতে হবে৷'' অপরদিকে ‘‘জার্মান সংসদে সিদ্ধান্ত নিয়েই যে আমরা দুনিয়া বদলে দিতে পারব, এমনটা ভাবার কোনো অর্থ হয় না৷''

ভিডিও দেখুন 01:49

আঙ্গেলা ম্যার্কেল: চতুর্থবার জার্মান চ্যান্সেলর?

ছোট তরফ সুখি নয়

ম্যার্কেলের তথাকথিত ‘গ্র্যান্ড কোয়েলিশন'-এর যে (এযাত্রা) অন্ত ঘটতে চলেছে, তার লক্ষণ স্পষ্ট৷ ম্যার্কেলের ভাষণ চলাকালীন এসপিডি সাংসদরা বারংবার সোচ্চার দাবি তোলেন যে, সরকারের কৃতিত্বের অনেকটাই সামাজিক গণতন্ত্রীদের প্রাপ্য৷ ম্যার্কেলের স্নেহময়ী মাতৃসুলভ প্রতিক্রিয়া: ‘‘আমি জানি না, আপনারা কেন এটা করছেন৷ আমরা দু'পক্ষ মিলে যা করতে পেরেছি, সেজন্য আপনাদের সুখি হওয়া উচিত৷ চলুন আমরা এই জোটের কৃতি উদযাপন করি, যা বহুক্ষেত্রেই সফল হতে পেরেছে৷''

আক্রমণাত্মক এসিপিডি

সামাজিক গণতন্ত্রীদের সংদীয় গোষ্ঠীর নেতা টোমাস ওপ্যারমান একদিকে ন্যূনতম মজুরি, অন্যদিকে বড় বড় কোম্পানির পরিচালকমণ্ডলীতে মহিলাদের কোটা চালু করার কৃতিত্ব পুরোপুরি তাঁর দলের জন্য দাবি করেন৷ সামাজিক গণতন্ত্রীরা পেনশনভোগী ও মহিলাদের জন্য আরো অনেক কিছু করবে, বলে ওপ্যারমান ঘোষণা করেন৷ ওপ্যারমান ম্যার্কেলের উদ্দেশ্যে বলেন, ‘‘দেশের এমন একজন চ্যান্সেলর দরকার, যিনি সামাজিক গণতন্ত্রী আদর্শে কাজ করবেন৷ আমি আপনার মধ্যে সে ধরণের সাহস দেখি না৷''

ওপ্যারমান বিদেশনীতির বিষয়টি বাদ রাখেন, কেননা গত চার বছর ধরে জোট সরকারের পররাষ্ট্র দপ্তর ছিল সামাজিক গণতন্ত্রীদের হাতে৷

গাব্রিয়েল বনাম ম্যার্কেল

জোট সরকারের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও ম্যার্কেলের ডেপুটি চ্যান্সেলর সিগমার গাব্রিয়েল গোড়ায় ম্যার্কেলকে তাঁর ‘‘ন্যায্য'' সহযোগিতার জন্য ধন্যবাদ জানালেও, পরে দাবি করেন যে, এসপিডি-র সহযোগিতা ছাড়া ম্যার্কেল অনেক ক্ষেত্রে তাঁর অবস্থান নিতে পারতেন না, কেননা তাঁর নিজের রক্ষণশীল দলের একাংশ সেই অবস্থানের বিরুদ্ধে যেত৷

গাব্রিয়েলের মতে বিদায়ী জোট সরকারের একটি বড় সাফল্য হলো, উদ্বাস্তু সংকট, ব্রেক্সিট ও ট্রাম্পের নির্বাচনের মতো ঝড়ঝাপটা সত্ত্বেও জার্মানি ‘‘তুলনামূলকভাবে স্থিতিশীল'' থাকতে পেরেছে৷

জেফারসন চেজ/এসি

ভিডিও দেখুন 01:32

জার্মান নির্বাচন ও সরকার গঠনের প্রক্রিয়া

জার্মানিতে কেমন সরকার দেখতে চান? লিখুন নীচের ঘরে৷

নির্বাচিত প্রতিবেদন

এই বিষয়ে অডিও এবং ভিডিও

সংশ্লিষ্ট বিষয়