1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

বিশ্ব

নির্বাচনের আগেই প্রশ্নবিদ্ধ নির্বাচন?

বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়ার ক্ষেত্রে এবার অতীতের সব রেকর্ড ভঙ্গ হয়েছে৷ ফলে নির্বাচনের গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে এখনই প্রশ্ন উঠেছে বলে মনে করেন বিশ্লেষকরা৷

আগামী ৫ জানুয়ারি দশম জাতীয় সংসদের নির্বাচন হওয়ার কথা৷ কিন্তু সেদিন সংসদের ৩০০ আসনের প্রায় অর্ধেক আসনে ভোটগ্রহণের প্রয়োজন পড়বে না৷ কেননা সেসব আসনে একের অধিক প্রার্থী নেই৷

সংসদ নির্বাচনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হওয়ার এটাই সর্বোচ্চ রেকর্ড৷ এর আগে ১৯৯৬ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারির একতরফা নির্বাচনে ৪৮ জন এবং ২০০৭ সালের ২২ জানুয়ারি বাতিল হওয়া নির্বাচনে ১৭ জন বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছিলেন৷

রাজনীতির বিশ্লেষক অধ্যাপক ড. ইমতিয়াজ আহমেদ ডয়চে ভেলেকে বলেন বিপুল সংখ্যক প্রার্থীর বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হওয়ার এই ঘটনা নির্বাচনের আগেই নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করেছে৷ তাই ৫ জানুয়ারির নির্বাচন দেশের মানুষের কাছে ও দেশের বাইরে কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্যতা পাবে না৷ তিনি মনে করেন সরকার যেভাবে এগিয়ে যাচ্ছে তাতে হয়তো নির্বাচন তারা করবেই৷ তবে নির্বাচনের পর আবারো অল্প সময়ের মধ্যে আরেকটি নির্বাচন আয়োজন করতে হবে৷ আর সেই নির্বাচন হবে সব দলের অংশগ্রহণে৷ তিনি বলেন ৫ জানুয়ারির নির্বাচন এখন আর ৩০০ আসনে হচ্ছে না৷ অর্ধেকের কিছু বেশি আসনে নির্বাচন হবে৷ তবে সেই নির্বাচন পার করতে সরকারকে আরো অনেক কাঠ-খড় পোড়াতে হবে৷ সহিংসতা বাড়বে, বাড়বে সরকারের দমন নীতি৷

এদিকে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেছেন, সরকার দেশের গণতন্ত্রকে ভুলুন্ঠিত করছে৷ প্রায় ৫০ ভাগ আসনে প্রার্থীদের বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হওয়ার বিষয়টিকে তিনি নজিরবিহীন এবং ন্যাক্কারজনক বলে উল্লেখ করেন৷

আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুবুল আলম হানিফ বলেন সরকার বিরোধী দলের সঙ্গে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে৷ নির্বাচনি প্রক্রিয়ার মধ্যেই এই আলোচনা চলবে এবং নির্বাচন ৫ জানুয়ারিতেই হবে৷ তিনি বলেন, বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হওয়া কোনো বেআইনি বিষয় নয়৷

নির্বাচিত প্রতিবেদন