1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

বিশ্ব

নির্বাচনকালীন সরকারের নতুন ফর্মুলা দিলেন মেনন

ক্ষমতাসীন মহাজোট সরকারের অংশীদার ওয়ার্কার্স পার্টির প্রধান রাশেদ খান মেনন এমপি মনে করেন নির্বাচনের সময় প্রধান চারটি মন্ত্রণালয় নির্বাচন কমিশনের অধীনে দিয়ে সর্বদলীয় সরকার গঠন করলে নির্বাচন সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ হবে৷

আর সরকারের উচিত যত দ্রুত সম্ভব নির্বাচনকালীন সরকারের রূপরেখা প্রকাশ করা৷ তা না হলে দেশে সংঘাত-সংঘর্ষ আরো বাড়বে৷ ডয়চে ভেলেকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এসব কথা বলেন৷

রাশেদ খান মেনন এমপি মনে করেন স্বরাষ্ট্র, জনপ্রশাসন, স্থানীয় সরকার ও মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ এই চারটি মন্ত্রণালয় নির্বাচনের সময় নির্বাচন কমিশনের অধীনে দিলে নির্বাচন কমিশন শক্তিশালী হবে৷ আর সেই নির্বাচন কমিশনের পক্ষে সুষ্ঠু এবং নিরপেক্ষ নির্বাচন করা সম্ভব৷ তিনি তাঁর যুক্তি তুলে ধরে বলেন, এর বাইরে অন্য কোনো মন্ত্রণালয় নির্বাচনে তেমন কোনো প্রভাব ফেলতে পারেনা৷ তাই সেগুলো নির্বাচনের সময় কমিশনের অধীনে আনার প্রয়োজন নেই৷ সাধারণ নিয়মে নির্বাচনের সময় নির্বাচন কমিশনের যেকোনো সিদ্ধান্ত অগ্রাধিকার পায়৷

তিনি বলেন নির্বাচনের সময় সর্বদলীয় সরকার প্রতিষ্ঠা করা যেতে পারে৷

Bangladesch Dhaka Wahlkommission Gebäude

চারটি মন্ত্রণালয় নির্বাচন কমিশনের অধীনে দেয়ার প্রস্তাব করেছেন মেনন

বর্তমান প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে সংসদে আসনের ভিত্তিতে সব দল থেকে প্রতিনিধি নিয়ে একটি ছোট মন্ত্রিসভা গঠন করা যায়৷ এ ব্যাপারে প্রধানমন্ত্রীর নিজেরও একটি ফর্মুলা আছে৷

তবে রাশেদ খান মেনন মনে করেন এই নির্বাচনকালীন সরকার ব্যবস্থার রূপরেখা খুব দ্রুতই প্রকাশ করা উচিত৷ এটা প্রকাশে যত দেরি হবে দেশে সংঘাত সংঘর্ষ আরো বাড়বে৷ আর তাতে তৃতীয় কোনো শক্তি সুযোগ নিতে পারে৷ তিনি বলেন মহাজোটের শরিক হিসেবে তিনি বারবার সরকারকে নির্বাচনকালীন সরকারের রূপরেখা প্রকাশের তাগিদ দিয়েছেন৷ কিন্তু তাঁর কথা আমলে নেয়া হচ্ছেনা৷ তিনি জোটের বৈঠকেও বিষয়টি তুলেছেন৷
তিনি বলেন সরকারের অনেক সাফল্য আছে৷ কিন্তু সরকার জোটের বাইরে গিয়ে এককভাবে সিদ্ধান্ত নিচ্ছে৷ আওয়ামী লীগ এবং এর সহযোগী সংঠনের কতিপয় নেতার দুর্নীতি, চাঁদাবাজি, টেন্ডারবাজি, সন্ত্রাস সেইসব সাফল্যকে ম্লান করে দিয়েছে৷ যার প্রতিফলন ঘটেছে পাঁচটি সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে৷ তাঁর মতে জোটের অংশীদার হিসেবে তারা দায় এড়াতে পারেন না৷ কিন্তু জোটে থাকলেও তারা সরকারে নেই৷ তাই সরকারের দায় সরকারকেই নিতে হবে৷

রাশেদ খান মেনন বলেন সামনে আরো কঠিন সময় অপেক্ষা করছে৷ মৌলবাদি চক্র এক হয়েছে৷ তারা যুদ্ধাপরাধের বিচারের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ হয়েছে৷ সরকার এখনো জামায়াত-শিবিরের রাজনীতি নিষিদ্ধে কোনো কার্যকর ব্যবস্থা নিচ্ছেনা৷ জামায়াত-শিবিরকে নিষিদ্ধ করতে হবে৷ আর ধর্মীয় উন্মাদনার বিরুদ্ধে জনগণকে সচেতন করতে উদ্যোগ নিতে হবে সরকারকে৷ তিনি মনে করেন আগামী নির্বাচনকে সামনে রেখে মুক্তিযুদ্ধ এবং প্রগতিশীলতার পক্ষের শক্তিকে নিয়ে আরো বৃহত্তর জোট গড়ে তুলতে হবে৷ নয়তো সামনে কঠিন সময় অপেক্ষা করছে৷

নির্বাচিত প্রতিবেদন