1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

সমাজ সংস্কৃতি

নিরাপত্তা বোতাম চালু করল ফেসবুক

কিশোর-কিশোরীদের জন্য অনেকটা নিরাপত্তা কবচ নিয়ে আসল ফেসবুক৷ সোমবার থেকেই শুরু হলো এই নতুন ‘প্যানিক বাটন’এর ব্যবহার৷ তবে আপাতত এই সুবিধা পাচ্ছেন শুধুমাত্র যুক্তরাজ্যের ছেলে-মেয়েরা৷

Facebook , ফেসবুক, প্যানিক, বাটন, ইন্টারনেট

ইন্টারনেটে সামাজিক যোগাযোগের এই মাধ্যমটিতে নিজেদের নিরাপত্তা নিয়ে যেমন উদ্বিগ্ন হয়ে পড়ছিল অল্প বয়সি ছেলে-মেয়েরা, ঠিক তেমনি অভিভাবকরাও৷ এবার বলা যায়, কিছুটা হলেও সুরক্ষা হতে পারে ১৩ থেকে ১৮ বছর বয়সি ফেসবুক ব্যবহারকারীদের৷ বলা হচ্ছে, প্রাপ্তবয়স্ক লুণ্ঠনকারীদের হাত থেকে ছেলে-মেয়েরা বাঁচতে পারে এই বাটনে ক্লিক করার মধ্য দিয়ে৷ চাইল্ড প্রোটেকশন অ্যান্ড অনলাইন প্রোটেকশন সেন্টার - সিইওপি এবং ফেসবুকের যৌথ উদ্যোগ এটি৷

সিইওপি'র প্রধান নির্বাহী জিম গ্যাম্বল বলেন, ফেসবুকে অশ্লীলতা ছড়ায় এমন অপরাধ চক্রের সদস্যদের সাথে কথা বলে তাঁরা জানতে পেরেছেন যে দৃশ্যমান নিরাপত্তা বাটন অল্প বয়সি ফেসবুক ব্যবহারকারীদের রক্ষা করতে পারে৷ চলতি বছরের শুরুতে যুক্তরাজ্যে এই ধরণের এক অপরাধীর হাতে টিনএজ মেয়ে খুন হওয়ার পর থেকেই প্যানিক বাটনের দাবি জোরালো হয়৷ ঐ খুনি ব্যক্তি ইন্টারনেটে নিজেকে তরুণ বালক হিসেবে উপস্থাপন করতো৷ আর খাতির জমানোর পর নানা কৌশলে একের পর এক ধর্ষণ করেছে অনেককেই৷

ইউরোপ, মধ্যপ্রাচ্য এবং আফ্রিকা অঞ্চলে ফেসবুকের উপ-প্রধান জোয়ানা শিল্ডস বলেন, ‘‘প্রকৃতপক্ষে ইন্টারনেট জগতকে সম্পূর্ণ নিরাপদ করে তোলার জন্য এমন কোন সহজ বাটন নেই৷ কিশোর-কিশোরীদের নিরাপত্তার বিষয়ে আমরা সহযোগিতা করার পথ তৈরি করছি মাত্র৷'' ‘‘বরং অনলাইনে নিরাপদ থাকতে হলে শিল্প-প্রতিষ্ঠান, পুলিশ, অভিভাবক এবং ছেলে-মেয়েদের সবাইকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে,'' বলেন শিল্ডস৷

যুক্তরাজ্যের অপরাধ দমন বিষয়ক মন্ত্রী জেমস ব্রোকেনশায়ার বলেন, ‘‘বর্তমানে সামাজিক নেটওয়ার্কের মাধ্যমগুলো ব্যবহার করে নিজেদের পরিচয় গোপন করে শিশুদের কাছাকাছি পৌঁছে যাওয়ার ঘটনা বৃদ্ধি পাচ্ছে৷ এটা খুব দুঃখজনক৷ তাই নিরাপত্তার এই প্রক্রিয়া চালু রাখার পাশাপাশি শিশু-কিশোরদের মধ্যে এসব ঝুঁকি সম্পর্কে শিক্ষা এবং সচেতনতা বাড়াতে সকলকে কাজ করতে হবে৷''

প্রতিবেদন: হোসাইন আব্দুল হাই

সম্পাদনা: অরুণ শঙ্কর চৌধুরী