1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

বিশ্ব

নিখোঁজ মালয়েশীয় জেট নিয়ে বিভ্রান্তি

মালয়েশিয়ান এয়ারলাইন্সের ফ্লাইট এমএইচ৩৭০ কেন নিখোঁজ হলো? সেটা কি বিস্ফোরণ কিংবা সন্ত্রাসের কারণে? নাকি বিমানটি অপহৃত হয়েছে? বিমানটি – অথবা তার ধ্বংসাবশেষের – অবস্থান দুর্ঘটনার পাঁচদিন পরেও অজ্ঞাত৷

পুরো ঘটনাটা একটা রহস্য৷ অথচ ২৩৯ জন আরোহী নিয়ে বোয়িং ৭৭৭-২০০ বিমানটির নিখোঁজ হওয়াটা একটা নির্মম ও বাস্তব সত্য৷ খোঁজ চলেছে থাই উপসাগর ও দক্ষিণ চীন সাগর থেকে শুরু করে ভারতের আন্দামান-নিকোবর দ্বীপপুঞ্জের কাছের জলধি অবধি৷ ১২টি দেশের ডজন-ডজন জাহাজ, প্লেন ও হেলিকপ্টার সেই খোঁজে সংশ্লিষ্ট৷ অথচ নিখোঁজ বিমানের কোনো হদিশই নেই৷

মালয়েশীয় কর্তৃপক্ষ যেভাবে এই দুর্ঘটনার জনসংযোগের দিকটা সামলাচ্ছেন, তা-তে ইতিমধ্যেই সমালোচনার ঝড় উঠেছে৷ তার সর্বশেষ প্রমাণ: মালয়েশিয়ার মিলিটারি জানিয়েছে যে, বিমানটি তার উড়ালের পথ থেকে হঠাৎ পশ্চিমে মোড় নিয়ে থাকতে পারে৷

মিলিটারি রাডারে বিমানটিকে যদি সত্যিই দেখা গিয়ে থাকে, তাহলে তার নিখোঁজ হওয়ার কারণ বিস্ফোরণ কিংবা সন্ত্রাস কিংবা যান্ত্রিক গোলযোগ হতে পারে না – কেননা বিমানটির সঙ্গে শেষ বেতার সংযোগ ঘটে মালয়েশিয়ার পূর্ব উপকূলের শহর কোটা ভারু এবং ভিয়েতনামের উপকূলের ঠিক মাঝামাঝি; অথচ মিলিটারি রাডারে বিমানটি যেখানে ধরা পড়েছে, সেই স্থানটি এর ৫০০ কিলোমিটার পশ্চিমে৷ অর্থাৎ বিমানটি নিখোঁজ হবার পরেও এই ৫০০ কিলোমিটার উড়ে যাবার মতো অবস্থায় ছিল৷

এই আকার ও আয়তনের একটি যাত্রীবাহী বিমান সাগরে ভেঙে পড়লে তার কোনো অবশেষ কিংবা কোনো চিহ্নই যে পানিতে ভেসে থাকতে দেখা যাবে না, সোটা অসম্ভব৷ তাহলে কি এবার স্থলভূমিতেও বিমানটির খোঁজ করার সময় এসেছে? ভিয়েতনাম কিংবা চীন কিন্তু এখনও তা করার কথা ভাবছে না৷ অপরদিকে বিমানটির সহকারী বিমানচালক যে অতীতে মহিলা যাত্রীদের ককপিটে নিয়ে গেছেন, তা থেকেও বিমানটির অন্তর্ধানের কোনো ব্যাখ্যা পাওয়া যাচ্ছে না৷

সবশেষে বলা দরকার: যে সব বাণিজ্যিক বিমান আজ আকাশে ওড়ে, তাদের মধ্যে বোয়িং ৭৭৭ বিশেষভাবে নিরাপদ বলে পরিচিত৷ কাজেই ফ্লাইট এমএইচ৩৭০-এর ভাগ্যে সত্যিই কী ঘটেছে, তা জানার জন্য বিশ্বকে – বিশেষ করে নিখোঁজ যাত্রী ও ক্রু-র আত্মীয়স্বজনদের আরো অপেক্ষা করতে হবে৷

এসি/ডিজি (রয়টার্স, এএফপি, এপি)

নির্বাচিত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট বিষয়