1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

জার্মানি

নিকাব নিষিদ্ধ করার পক্ষে কথা বললেন ম্যার্কেল

চ্যান্সেলর আঙ্গেলা ম্যার্কেল এসেন শহরে তাঁর সিডিইউ দলের সম্মেলনে সরকারের উদ্বাস্তু নীতিতে আরো কড়াকড়ির আভাস দিয়েছেন৷ এর পাশাপাশি নিকাব নিষিদ্ধ করারও ডাক দিয়েছেন৷

ম্যার্কেল উপস্থিত ১,০০১ জন প্রতিনিধিকে বলেন, গত বছর বিপুল সংখ্যক উদ্বাস্তু যেভাবে সীমান্ত পার হয়ে জার্মানিতে প্রবেশ করেন, তা আর ঘটতে দেওয়া চলে না৷ তাঁর ভাষায়, ‘‘২০১৫ সালের গ্রীষ্মের মতো পরিস্থিতির পুনরাবৃত্তি ঘটতে দেওয়া উচিত নয়৷ সেটাই আমাদের ঘোষিত রাজনৈতিক লক্ষ্য ছিল ও থাকবে৷'' কিন্তু সবচেয়ে বেশি করতালি পড়ে ম্যার্কেল যখন বলেন, ‘‘যেখানে আইনগতভাবে সম্ভব, সেখানেই পুরোপুরি মুখ ঢাকা (অর্থাৎ নিকাব) নিষিদ্ধ করতে হবে৷''

ম্যার্কেল বলেছেন, ‘‘আমরা কোনো সমান্তরাল (অর্থাৎ বিকল্প) সমাজ (গড়ে উঠতে দিতে) চাই না এবং যেখানে এ ধরনের সমাজ আছে, আমাদের তার মোকাবিলা করতে হবে৷ পারিবারিক মান-সম্মানের নীতিমালা, সম্প্রদায় বা পরিবারগত রীতিনীতি এবং শরিয়ার চেয়ে আমাদের আইন অগ্রাধিকার পাবে৷ সেটা খুব স্পষ্টভাবে বলে দিতে হবে৷ এর অর্থ এই যে, মানুষ ও মানুষের মধ্যে আদানপ্রদানে আমাদের মুখ দেখাতে হয়, যা একটা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে৷ এ কারণে নিকাব যথাযথ নয় এবং যেখানে আইনগতভাবে সম্ভব, সেখানেই তা নিষিদ্ধ করা উচিত৷ ওটা আমাদের (সংস্কৃতির) অংশ নয়৷''

ম্যার্কেলের এই বক্তব্য নিয়ে ব্রিটিশ ইউকিপ দলের সাবেক প্রধান নাইজেল ফারাজ টুইটারে লিখেছেন, ‘‘বড় দেরি হয়ে গেছে৷ ঘোড়া পালিয়েছে৷''

জার্মানিতে প্রতিক্রিয়া তীব্র ও প্রত্যাশিত৷ অভিবাসনবিরোধী এএফডি দলের বক্তব্য হলো, ম্যার্কেল তাদের নীতিই আত্মসাৎ করেছেন৷ আর বামদলের বক্তব্য, যেসব দেশে বোরখা চালু আছে, সেসব দেশে অস্ত্র রপ্তানি করে স্বদেশে নিকাব নিষিদ্ধ করার ডাক দেওয়াটা ভণ্ডামি৷

২০১৫ সালে প্রায় দশ লক্ষ উদ্বাস্তু জার্মানিতে আসে৷ তারপর থেকে পাঁচটি প্রাদেশিক নির্বাচনে সিডিইউ দলকে হারতে হয়েছে প্রধানত ম্যার্কেলের উদার উদ্বাস্তু নীতির জন্য৷ সেই কারণে ম্যার্কেলের এই ‘দিক পরিবর্তন' তাঁর সিডিইউ দলকেও অন্তত কিছুটা নতুন প্রেরণা দিয়েছে, নয়তো ম্যার্কেল এসেনের সভায় ১১ মিনিটের স্ট্যান্ডিং ওভেশন পেতেন না৷

অপরদিকে ম্যার্কেল চ্যান্সেলর হিসেবে চতুর্থ কর্মকালের জন্য দলের সমর্থন পেলেও প্রতিনিধিদের ৮৯ দশমিক ৫ শতাংশ তাঁর পক্ষে ভোট দিয়েছেন৷ ২০১৪ সালে দলে তাঁর সমর্থন ছিল ৯৬ দশমিক ৭ শতাংশ৷

এসি/এসিবি (এএফপি, ডিপিএ)

প্রিয় পাঠক, আপনি কিছু বলতে চাইলে নীচে মন্তব্যের ঘরে লিখুন৷

নির্বাচিত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট বিষয়