1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

বিশ্ব

নিউ ইয়র্ক বোমাবাজির পিছনে আফগান বংশোদ্ভূত মার্কিনি

আহমদ খান রাহামির জন্ম আফগানিস্তানে, অ্যামেরিকাতে মানুষ৷ গত কয়েক বছরে একাধিকবার আফগানিস্তান ও পাকিস্তানে যান রাহামি৷ এমনকি তিনি পাকিস্তানে বিয়ে করেছেন বলেও খবর৷ তবে তার স্ত্রী যুক্তরাষ্ট্রে এসেছেন কিনা, তা জানা যায়নি৷

শনিবার রাতে ম্যানহ্যাটানের চেলসি এলাকায় একটি বোমা ফেটে ২৯ জন মানুষ আহত হন ও কাছাকাছি কয়েকটি বাড়িঘর ক্ষতিগ্রস্ত হয়৷ আরেকটি বোমা রোবোট দিয়ে নিষ্ক্রিয় করার সময় বিস্ফোরিত হয়৷ রবিবার এলিজাবেথ ট্রেন স্টেশনের কাছে একটি ব্যাগে পাঁচটি সন্দেহজনক ডিভাইস পাওয়া যায়; ব্যাগটি একটি ট্র্যাশ বিন-এ লুকনো ছিল৷ উভয় ঘটনার পিছনে আহমদ খান রাহামি ও তাঁর সম্ভাব্য সহযোগীরা ছিলেন, বলে সন্দেহ করা হচ্ছে৷

অ্যামেরিকা নিবাসী হরিন্দর বেইনস জাতিতে শিখ৷ নিউ জার্সির লিন্ডেনে তাঁর একটি বার আছে৷ গত সোমবার তিনি দেখেন, বারে ঢোকার দরজায় কোনো এক মাতাল যেন শুয়ে রয়েছে৷ বেইনস তখন বারের উলটো দিকে তাঁর আরেকটি দোকানে বসে ল্যাপটপে নিউজ দেখছিলেন৷ রাহামিকে চিনতে পেরে বেইনস পুলিশকে খবর দেন৷

পুলিশ এলে পর রাহামি একটি হ্যান্ডগান বার করে গুলি চালাতে শুরু করেন, সে গুলি এক পুলিশ কর্মকর্তার বুলেট-প্রুফ ভেস্টে গিয়ে লাগে৷ তারপর রাহামি দৌড়ে পালানোর চেষ্টা করেন ও পুলিশের গাড়ির দিকে গুলি ছোঁড়েন৷ একটি গুলি এক পুলিশ অফিসারের মুখ ঘেঁষে বেরিয়ে যায়৷ এরপর পুলিশ কর্মকর্তাদের একাধিক গুলিতে রাহামি ধরাশায়ী হন ও তাঁকে স্ট্রেচারে করে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়৷

আহমদ খান রাহামি তাদের পারিবারিক ‘ফার্স্ট অ্যামেরিকান ফ্রায়েড চিকেন' নামের একটি চিকেন টেকআউট রেস্টুরেন্টের কাউন্টারে কাজ করেছেন ও খদ্দেররা তার শান্ত ও বন্ধুসুলভ আচরণের কথাই বলেছেন৷ তবে কয়েক বছর আগে একটি আফগানিস্তান সফরের পর নাকি রাহামির ব্যক্তিত্বের পরিবর্তন ঘটে, বলেছেন তার এক কৈশোরের বন্ধু৷ রাহামি ‘‘আরো ধর্মপ্রাণ'' হয়ে পড়েন ও ‘‘জাতিসুলভ'' জামাকাপড় পরতে শুরু করেন৷

কে এই রাহামি? এ প্রশ্নের জবাবে বলতে হবে, তিনি একজন নাগরিকত্ব পাওয়া মার্কিনি; কোনো সন্ত্রাসী তালিকায় অথবা ‘নো-ফ্লাই' লিস্টে তার নাম নেই৷ তবে ২০১৪ সালে তার বিরুদ্ধে এক আত্মীয়কে ছুরিকাঘাত করার অভিযোগ আনা হয়েছিল৷

ভিডিও দেখুন 03:43

তারও আগে, ২০১২ সালে ২৮ বছর বয়সি রাহামির বিরুদ্ধে পারিবারিক সহিংসতা সংক্রান্ত একটি আদালতের নির্দেশ অমান্য করার অভিযোগ আনা হয়েছিল৷

রাহামিদের রেস্টুরেন্ট রাত দশটার পরেও খুলে রাখার ব্যাপারে প্রতিবেশীদের মধ্যে যথেষ্ট অসন্তোষ ছিল৷ এমনকি রাহামির বাবা ও রাহামিরা দুই ভাই এলিজাবেথ সিটির বিরুদ্ধে ২০১১ সালে মামলা করেন; তাদের বক্তব্য, তারা বিদেশি বলে পুলিশ তাদের জেনেশুনে হয়রানি করছে৷ ২০১২ সাল এই মামলা সমাপ্ত হয় যখন রহামির ভাই মোহাম্মদ খান রাহামি রেস্টুরেন্ট সময়মতো বন্ধ করার পুলিশি প্রচেষ্টায় বাধা দেবার কথা স্বীকার করেন৷

আহমদ খান রাহামির বিরুদ্ধে পুলিশ হত্যার পাঁচটি প্রচেষ্টার অভিযোগ আনা হয়েছে৷ বোমাবাজি সংক্রান্ত ফেডারাল অভিযোগ এখনও পর্যন্ত দায়ের করা হয়নি৷

এসি/ডিজি (এপি, এএফপি, রয়টার্স, ডিপিএ, পিটিআই)

নির্বাচিত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট বিষয়