নিঃসরণ কমাতে ওবামার আকস্মিক ঘোষণা | বিশ্ব | DW | 12.11.2014
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

বিশ্ব

নিঃসরণ কমাতে ওবামার আকস্মিক ঘোষণা

পরিবেশ দূষণের জন্য সবচেয়ে বেশি দায়ী দুই দেশ যুক্তরাষ্ট্র ও চীন কার্বন নিঃসরণ কমানোর লক্ষ্যমাত্রা স্থির করেছে৷ বুধবার বেইজিংয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা ও চীনের প্রেসিডেন্ট শি চিনপিং এ বিষয়ে ঘোষণা দেন৷

অ্যাপেক সম্মেলন উপলক্ষে চীন সফরের শেষ দিনে আকস্মিকভাবেই কার্বন নিঃসরণ কমানোর বিষয়ে ঘোষণা দিয়েছেন বারাক ওবামা৷ এক সংবাদ সম্মেলনে মার্কিন প্রেসিডেন্ট জানান, আগামী ২০২৫ সালের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র গ্রিনহাউস গ্যাস নিঃসরণের মাত্রা ২৬ থেকে ২৮ শতাংশ কমাবে৷ শি চিনপিং চীনের হয়ে সরাসরি তেমন কোনো ঘোষণা দেননি৷ তিনি জানিয়েছেন, ২০৩০ সাল বা তার আগেই চীন কার্বন নিঃসরণ যতটা সম্ভব কমাবে৷ তাঁর দেশ ২০৩০ সালের মধ্যে নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার অন্ততঃ ২০ ভাগ বাড়াবে বলেও জানিয়েছেন তিনি৷

যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে এ সময়ে এমন ঘোষণা কিছুটা অপ্রত্যাশিতই৷ প্যারিস সম্মেলনের আগেই ওবামা জলবায়ু পরিবর্তন রোধে তাঁর দেশের ভবিষ্যৎ করণীয় সম্পর্কে বলবেন এতটা কেউ আশা করেনি৷ ঘোষণা দিয়েই থেমে থাকেননি ওবামা৷ চীন এবং যুক্তরাষ্ট্রের এমন একটি বিষয়ে ঐকমত্যে পৌঁছানোকে ‘স্মরণীয়' হিসেবে উল্লেখ করে তিনি বলেছেন, ‘‘আমি খুব গর্ব নিয়ে ঘোষণা করছি যে, আজ আমরা ঐতিহাসিক এক অঙ্গীকার করেছি৷''

কিন্তু ঘোষণা দিলেও সে অনুযায়ী কাজ করা ওবামার জন্য সহজ হবেনা৷ বিরোধীদের দিক থেকে প্রবল বাধা আসতে পারে৷ এমন ইঙ্গিত ইতিমধ্যে পাওয়াও গেছে৷ যুক্তরাষ্ট্রের সেনেটে রিপাবলিকান দলের নেতা মিচ ম্যাককনেল ওবামার কঠোর সমালোচনা করে বুধবার বলেছেন, ‘‘একদম অবাস্তব পরিকল্পনা৷ প্রেসিডেন্ট এমন একটি পরিকল্পনা আমাদের ওপর চাপিয়ে দিয়ে যাবেন৷'' মিচ ম্যাককনেল মনে করেন, ওবামার ঘোষণা অনুযায়ী কার্বন নিঃসরণ কমাতে গেলে যুক্তরাষ্ট্রে বেকারত্ব আরো বাড়বে৷

যুক্তরাষ্ট্রের কয়লা শিল্পে গত কয়েক বছর ধরেই কর্মী ছাটাই চলছে৷ নবায়নযোগ্য জ্বালানির ওপর নির্ভরতা বাড়াতে গিয়ে কয়লা শিল্পের ক্ষতি করা হবে- এ বিষয়টি যুক্তরাষ্ট্রের অনেকেই এখনো মানতে নারাজ৷ রিপাবলিকান নেতা মিচ ম্যাককনেল মনে করেন, ওবামার স্থির করা লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করতে গেলে আরো বেকারত্ব বাড়ানোর ঝুঁকিও নিতেই হবে৷

এসিবি/জেডএইচ (রয়টার্স, এএফপি, এপি, ডিপিএ)

নির্বাচিত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট বিষয়