1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

সমাজ সংস্কৃতি

না জানিয়ে কনডম ফুটো করা, প্রেমিকের জেল

নারী অধিকার কতটা বিস্তৃত হওয়া উচিত? নারীর সব ইচ্ছাকে শেষ সীমা পর্যন্ত সজ্ঞানে সম্মান জানানো পর্যন্ত৷ তা না করায় ক্যানাডার এক প্রেমিক লাল ঘরে যাওয়ার অপেক্ষায়৷ প্রেমিকার অভিযোগ, প্রেমিকপ্রবর তাঁকে কৌশলে গর্ভবতী করেছেন!

২০০৬ সালের ঘটনা৷ মেয়েবন্ধুর সঙ্গে দীর্ঘদিনের সম্পর্কটা শীতল হয়ে আসছে দেখে দুশ্চিন্তায় পড়ে যান জ্যারেট হাচিনসন৷ প্রেমিকা তাঁকে ছেড়ে যেতে পারে এই আশঙ্কায় একটি কৌশলের আশ্রয় নেন ৪৩ বছর বয়সি এই ক্যানাডিয়ান৷ প্রেমিকার সঙ্গেই থাকতেন তিনি৷ যৌন সংসর্গও হতো নিয়মিত৷ প্রেমিকার শর্ত মেনে তখন কনডম ব্যবহার করতে হতো তাঁকে৷

ঘটনার রাতেও কনডম ব্যবহার করেছিলেন৷ কিন্তু সম্ভোগ শুরুর আগে একটি পিনের খোঁচায় কনডমটি ফুটো করে দিয়েছিলেন তিনি৷ ফলে যা হওয়ার তা-ই হলো৷ প্রেমিকা অন্তঃসত্ত্বা হলেন৷ তারপর হাচিনসন স্বীকার করলেন, সম্পর্ক টিকিয়ে রাখতেই এই কৌশল অবলম্বন করা৷

নারীর সঙ্গে ছলাকলা অনেক পুরুষই করে থাকেন৷ সরল বিশ্বাসের খেসারত নানাভাবে দিতে হয় অনেক নারীকে৷ ঘরে, রাস্তায় নারী নির্যাতন, নারীর যৌন হয়রানির শিকার হওয়ার ঘটনা কমবেশি সব দেশেই ঘটে থাকে৷

কিন্তু এ সবের বিচার হয় হাতে গোনা কয়েকটি দেশে৷ ক্যানাডা সেসব দেশের মধ্যে অন্যতম৷ তাই জ্যারেট হাচিনসন কায়দা করে তাঁকে অন্তঃসত্ত্বা করার পর ব্যাপারটি মেনে নেননি নাম প্রকাশ না করা প্রেমিকা৷ গর্ভপাত ঘটাতে গিয়ে জরায়ুতে সংক্রমণ হয়, রক্তস্রাব শুরু হয় অতিমাত্রায়, সাতদিন কষ্টভোগের পর স্থির করেন, কূটকৌশলের আশ্রয় নেয়ার উপযুক্ত শাস্তি দেবেন প্রেমিককে৷

সে উদ্দেশ্যেই ২০০৬ সালে প্রেমিকের বিরুদ্ধে তথ্য গোপন করে যৌন হয়রানির অভিযোগে মামলা করেছিলেন কথিত প্রেমিকা৷ ২০০৯ সালে ক্যানাডার নোভি স্কোটিয়া সুপ্রিম কোর্ট অভিযোগ প্রমাণিত হয়নি জানিয়ে হাচিনসনকে নির্দোষ ঘোষণা করে৷ কিন্তু আপিল আদালত সেই রায় খারিজ করে নতুন করে মামলার শুনানির নির্দেশ দেয়৷ ক্যানাডার সুপ্রিম কোর্টে অবশেষে মামলাটির নিষ্পত্তি হয়েছে৷ আদালত জানিয়েছে, কনডম ফুটো করার তথ্যটি গোপন করে প্রেমিকাকে অন্তঃসত্ত্বা করে শাস্তিযোগ্য অপরাধ করেছেন জ্যারেট হাচিনসন৷ সে অপরাধে ১৮ মাসের কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে তাঁকে৷ হাচিনসন অবশ্য এ রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করতে পারবেন বলে খবর৷

এসিবি/ডিজি (এএফপি, এপি)

নির্বাচিত প্রতিবেদন