1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

বিজ্ঞান পরিবেশ

নাসা’র কৃত্রিম উপগ্রহ সাগরে গিয়ে পড়ল

শুক্রবার নাসা’র পৃথিবী পর্যবেক্ষণ স্যাটেলাইট ‘গ্লোরি’ তার কক্ষপথে পৌঁছতে ব্যর্থ হয় এবং প্রশান্ত মহাসাগরে গিয়ে পড়ে৷ কারণ: তার সুরক্ষা আবরণ নিক্ষেপের পর খুলে যায়নি৷

default

কাজেই ৪২৪ মিলিয়ন মূল্যের কৃত্রিম উপগ্রহটি জলে গেল৷ স্যাটেলাইটের মোচাকৃতি নাকের চারপাশে ঝিনুকের মতো লাগানো আবরণটি না খোলার ফলে স্যাটেলাইটটি বড় বেশী ভারী থেকে যায় এবং কক্ষপথে পৌঁছতে ব্যর্থ হয়৷ গোড়ায় ইঞ্জিনিয়াররা কোনোরকম গলদ দেখেননি৷ অথচ উড়ালের কয়েক মিনিটের মধ্যেই স্পষ্ট হয়ে যায় যে, আবরণটি পৃথক হয়ে যাবে না৷

এই স্যাটেলাইটটির কাজ হতো পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলে কি পরিমাণ অ্যারোসল আছে, তার পরিমাপ করা৷ তার নিক্ষেপের আদত তারিখ ছিল ২৩শে ফেব্রুয়ারি, কিন্তু যাত্রা শুরু হবার ১৫ মিনিট আগে একটি অপ্রত্যাশিত গ্রাউন্ড কন্ট্রোল রিডিং-এর ফলে সে যাত্রা ভঙ্গ করতে হয়৷ শুক্রবার গ্লোরি আবার তার যাত্রা শুরু করে একটি চার পর্যায়ের টরাস-এক্সএল রকেটের মাথায় চড়ে৷ কিন্তু নাসা শীঘ্রই খবর দেয় যে রকেটের গতি কমে আসছে এবং গ্লোরি তার কক্ষপথে পৌঁছবে না৷

অথচ ঠিক এই ধরণের একটি বিপত্তি ঘটেছিল ২০০৯ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে৷ তখন পৃথিবীর কার্বন ডাইঅক্সাইড নির্গমন মাপার জন্য নিক্ষিপ্ত নাসা'র একটি স্যাটেলাইট অনুরূপভাবে কক্ষপথে পৌঁছতে ব্যর্থ হয় এবং কুমেরুতে গিয়ে পড়ে৷ সেবারেও যাত্রা শুরুর কয়েক মিনিটের মধ্যেই প্রমাদ: যে ‘ফেয়ারিং' স্যাটেলাইটটিকে ওপরে ওঠার সময় সুরক্ষা দেয়, সেটি ঠিকভাবে পৃথক হয়ে যায়নি৷ এখন বিশেষজ্ঞরা বলছেন যে, গ্লোরি একই কারণে ব্যর্থ হয়েছে কিনা, তা বলার আগে আরো কিছু অনুসন্ধানের প্রয়োজন৷

গ্লোরির ওজন ছিল ৫২৮ কিলোগ্রাম৷ তা'তে দু'টো পরিমাপ যন্ত্র বসানো ছিল৷ অবশ্য গ্লোরিকে মহাশূন্যে একা পড়তে হত না৷ সে হতো নাসা'র ‘এ-ট্রেন' নামে পরিচিত পাঁচটি পৃথিবী পর্যবেক্ষণ স্যাটেলাইটের ষষ্ঠ৷ আকোয়া, ক্লাউডস্যাট, ক্যালিপসো, প্যারাসল এবং অরা প্রত্যেক দ্বিপ্রহরে দঙ্গল বেঁধে উড়ে বিষুবরেখা পার হয়৷ গ্লোরি হতো সেই দলে ষষ্ঠ৷

প্রতিবেদন: অরুণ শঙ্কর চৌধুরী

সম্পাদনা: জান্নাতুল ফেরদৌস

নির্বাচিত প্রতিবেদন