1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

বিশ্ব

নার্সদের উপর ‘পুলিশের হামলার' প্রতিবাদ

বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকায় স্বাস্থ্যমন্ত্রীর বাড়ির সামনে বিক্ষোভ করতে গিয়েছিলেন বেকার নার্সরা, সেখানে পুলিশের বাধায় আহত হন কয়েকজন নারী৷ ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়েছে রক্তাক্ত নার্সের ছবি৷ পুলিশের কর্মকাণ্ডের সমালোচনা করেছেন অনেকে৷

বাংলাদেশে ডয়চে ভেলের কন্টেন্ট পার্টনার বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম জানিয়েছে, ‘‘স্বাস্থ্যমন্ত্রীর বাড়ির সামনে আন্দোলনরত বেকার নার্সদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষে বুধবার অন্তত ৪০ জন আহত হয়েছেন৷''

অনলাইন পত্রিকাটি লিখেছে, ‘‘আন্দোলনকারীরা পুলিশের দিকে ইট ছুড়লে সংঘর্ষের সূত্রপাত হয় বলে পুলিশের দাবি৷ অন্যদিকে বেকার নার্সদের দাবি, পুলিশ লাঠি ও জলকামান নিয়ে তাদের উপর চড়াও হয়েছিল৷''

এদিকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে কয়েকজন রক্তাক্ত নারীর ছবি ছড়িয়ে পড়েছে৷ ছবির ওই নারীরা স্বাস্থ্যমন্ত্রীর বাড়ির সামনে আন্দোলন অংশ নিতে গিয়ে আহত হয়েছেন বলে দাবি করা হচ্ছে৷ ফেসবুক সুদেব কুমার লিখেছেন, ‘‘আন্দোলনরত নিরীহ নার্সদের উপর পুলিশী হামলার পর স্বাস্থ্যমন্ত্রী ক্ষমতায় থাকার সকল নৈতিক অধিকার হারিয়েছেন৷'' জার্মানিতে অবস্থানরত অ্যাক্টিভিস্ট অনন্য আজাদ রক্তাক্ত এক নারীর ছবিসহ করা ফেসবুক পোস্টে লিখেছেন, ‘‘স্বাস্থ্যমন্ত্রীর বাড়ি ঘেরাও করার অপরাধে সরকারের রক্ষিতাবাহিনী তাদের আসল রূপ দেখিয়ে দিয়েছে৷ প্রতিবাদীর রক্তাক্ত শরীরে ফুটে উঠে বাঙলাদেশের আর্তনাদ৷''

শাহবাগ গণজাগরণ মঞ্চের মুখপাত্র ইমরান এইচ সরকার ফেসবুকে লিখেছেন, ‘‘নেতাদের লাথিতে গর্ভপাতের খবর পুরনো৷ নেতাদের গুলিতে পেটের শিশুকে গুলিবিদ্ধ হতেও দেখেছি৷ আবার মদ্যপ এমপিকে দেখলাম পাখির মতো গুলি করে শিশু শিকার করতে! এবার দেখলাম পুলিশের লাঠিতে আন্দোলনরত নার্সের গর্ভপাত৷ বলবেন, এও কি সম্ভব? হ্যাঁ সম্ভব৷ দেশটা মগের মুল্লুক হলে সবই সম্ভব৷''

অ্যাক্টিভিস্ট বাকি বিল্লাহ এই বিষয়ে তাঁর ফেসবুক পোস্টে লিখেছেন, ‘‘পুলিশের লাঠিতে একজন নার্সের গর্ভপাত ঘটে যাওয়ার খবর শোনা যাচ্ছে৷ এর আগে যুবলীগ নেতার লাথিতে ফেনীর জেলেপল্লীতে এক হিন্দু নারীর গর্ভপাতের নৃশংস ছবি আমাদের দেখতে হয়েছে- সাংসদের লাথিতে আরেকজন গৃহবধুর গর্ভপাতের খবর শুনতে হয়েছে৷''

তিনি লিখেছেন, ‘‘আমরা জানি না- আমাদের চোখ, কান ও অন্যান্য ইন্দ্রিয়ের আরো কত সহ্য ক্ষমতা বাকি রয়েছে?''

উল্লেখ্য, পিএসসির মাধ্যমে না করে আগের মতো জ্যেষ্ঠতার ভিত্তিতে নিয়োগের দাবিতে গত কয়েক মাস ধরে আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছিল বাংলাদেশ বেসিক গ্রাজুযেট নার্সেস সোসাইটি ও বাংলাদেশ ডিপ্লোমা বেকার নার্সেস অ্যাসোসিয়েশন৷ বুধবারের ঘটনার পর তাদের আন্দোলন আরো ছড়িয়ে পড়তে পারে বলে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শঙ্কা প্রকাশ করা হয়েছে৷

সংকলন: আরাফাতুল ইসলাম

সম্পাদনা: আশীষ চক্রবর্ত্তী

নির্বাচিত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট বিষয়