1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

সমাজ সংস্কৃতি

নারী অধিকার নিশ্চিত করতে মালিতে নতুন আইন

আফ্রিকার দেশ মালি প্রয় ৫০ বছর আগে স্বাধীন হয়েছে৷ এই দেশটি আগে ছিল ফ্রান্সের উপনিবেশ৷ মালির জনস্খ্যায় মুসলমানরাই সংখ্যাগরিষ্ঠ৷ বেশ কিছু ক্ষেত্রে মুসলিম আইন মেনে চলা হয়৷ পরিবর্তন আনার চেষ্টা করা হচ্ছে পারিবার আইনে৷

default

নারী সংগঠন ফেনাকফ-এর প্রধান উলেমাতু দেমবেলে

সম্পত্তির অধিকার এবং বিবাহ বিচ্ছেদের ক্ষমতা দেয়া হচ্ছে মালির নারীদের৷ নারী অধিকার সংক্রান্ত নতুন এই আইনের বিরুদ্ধে প্রায় ৫০ হাজার বিক্ষোভকারী আন্দোলন করেছে৷ এবং সেখানে শুধু পুরুষরাই নেই রয়েছে মহিলারাও৷ বেশ কিছু নারী সংগঠনের প্রধানরাও মনে করছেন এই আইন বাস্তবায়ন কঠিন হবে৷ গত বছরের অগাস্ট মাসে মালির প্রেসিডেন্ট আমাদু তুমানি তুরে টেলিভিশনে এক সাক্ষাৎকারে জানিয়েছেন, তিনি সারা দেশে নারী পুরুষের সমানাধিকার দেখতে চান, সংস্কার করতে চান আইনের৷ এই সংস্কারের প্রতিবাদেই শুরু হয় বিক্ষোভ৷

Erdnüsseverkäuferin in Bamako

নতুন আইন এসব মহিলাকে সাহায্য করবে তো ?

আইনের বিরোধী এক মহিলা বললেন, ‘‘নারী-পুরুষ কখনোই এক হতে পারে না৷ আমাদের দেশে একটি পরিবারের মূল রক্ষাকর্তা হচ্ছে একজন পুরুষ৷ এখানে কোন ধরণের সমনাধিকারের কথা বলা হচ্ছে ?''

আরেকজন মহিলা আইনের পক্ষ নিয়ে বললেন, ‘‘আমি আইনের কথা শুনেছি৷ আমার মনে হয়, নারীদের অধিকার দেয়া উচিৎ৷ এই সংস্কার আমাদের জন্যই !''

ক্ষিপ্ত এক ভদ্রলোক বললেন, ‘‘পারিবারিক আইনে সংস্কারের অর্থ হচ্ছে একজন মহিলা তাঁর স্বামীকে না জিজ্ঞেস করেই যা খুশি তাই করতে পারবে৷ মুসলিম আইন অর্থাৎ শারিয়ার সঙ্গে তা কিছুতেই খাপ খায়না৷ একটি পরিবারে একজন পুরুষই হচ্ছে প্রধান৷''

Präsident Amadou Toumani Toure Mali, Porträt

মালির প্রেসিডেন্ট আমাদু তুমানি তুরে আইনটি কার্যকর করতে চান

মালির রাজধানি বামাকো৷ প্রতি রবিবার প্রচলিত নিয়ন অনুসারে বাড়ি বাড়ি রান্না করা হয় পোলাও বা প্রচুর তেল দিয়ে ভাত, সঙ্গে মাছ৷ এবং প্রতিটি বাড়িতেই নতুন আইন নিয়ে চলছে আলোচনা৷ ত্রাওরে পরিবারে বেড়াতে এসেছেন নারী সংগঠন ফেনাকফের প্রধান উলেমাতু দেমবেলে৷ নতুন আইনের পক্ষে তিনি৷ পরিবারিক আইনের সংস্কারের প্রয়োজন আছে বলে তিনি মনে করেন৷ উলেমাতু জানান, ‘‘নতুন আইন অনুযায়ী কোন মেয়ের বিয়ে ১৫ নয় বরং ১৮ বছর বয়সেই হবে - প্রতিটি পুরুষের ক্ষেত্রে যা দেখা যায়৷ যে কোন মেয়ে ততদিন পর্যন্ত স্কুলে যেতে পারবে, পড়াশোনা করতে পারবে৷ কারণ ১৫ বছরে যখন কোন মেয়েকে বিয়ে দেয়া হয় তখন দেখা যায় তাঁর দ্রুত বাচ্চা হয়ে যাচ্ছে তখন পড়াশোনা শেষ করা হয় না৷ এবং অল্প বয়সে বাচ্চা হওয়ার পর দেখা যায় অসংখ্য শারিরীক সমস্যা৷ এই আইনের মধ্যে দিয়ে সব কিছুর পরিবর্তনই আমরা দেখবো৷''

প্রতিবেদক: মারিনা জোয়ারদার, সম্পাদনা: আবদুল্লাহ আল-ফারূক

সংশ্লিষ্ট বিষয়