1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

বিজ্ঞান পরিবেশ

নারীর কান্না পুরুষের যৌন আগ্রহ কমায়

ভেবে বসবেন না, নারী কাঁদলেই বুঝি পুরুষের মন গলে যায়৷ না, এমনটা সবক্ষেত্রে ঠিক নয়৷ বিজ্ঞানীরা মনে করছেন, নারীর কান্না পুরুষকে সবসময় কাতর করতে পারে না৷ তবে, এই কান্নার এক ভিন্ন প্রভাব রয়েছে৷

default

যৌন আবেদনের বিষয়ে বেশ খানিকটা কম আগ্রহই দেখিয়েছে কান্না শোঁকা পুরুষরা (প্রতীকী ছবি)

ইসরায়েলি গবেষকদলের কাছে নিজেদের কান্না ‘দান' করেছিলেন কয়েকজন নারী৷ মনের দুঃখে বা ব্যথা দিয়ে কাঁদানো হয়নি তাদেরকে৷ বরং একটি বিষন্ন সিনেমা দেখে তাদের এই কান্না৷ গবেষকরা, নারীর কান্না জমা করেন কার্পাস তুলায়৷ এরপর তা নিয়ে যান ১২ পুরুষের নাকের কাছে৷ পুরুষদের কাজ ছিল এই অশ্রু ভেজা তুলার গন্ধ বা সুবাশ গ্রহণ করা৷

যারা এই তুলা শুঁকেছেন তারা কিন্তু জানতেন না এটা কোন নারীর কান্না৷ তাই, নেহাত নিরপেক্ষ এক ফল পান গবেষকরা৷ দেখা গেল, কান্না শুঁকে পুরুষদের মধ্যে বেশ খানিকটা পরিবর্তন ঘটছে৷ তাদের হৃদকম্পন, ত্বকের তাপমাত্রা, শ্বাসক্রিয়ায় পরিবর্তন লক্ষ্য করেন গবেষকরা৷

সবচেয়ে আশ্চর্যের বিষয় ছিল, কান্না শুঁকে পুরুষের টেস্টোস্টেরোন নিঃসরণের মাত্রাও স্বাভাবিকের চেয়ে ১২ শতাংশ কমে যায়৷ তবে, এতসব শারীরিক পরিবর্তন হলেও কান্নার গন্ধ শুঁকে কোন পুরুষই বিমর্ষ হননি৷

গবেষণার খাতিরে গবেষকদল একই সময় বেছে নিয়েছিলেন আরো ১২ পুরুষকে৷ তাদেরকে শুঁকতে দেয়া হয়েছিল স্যালাইনে ভেজানো তুলা৷ বলাবাহুল্য গন্ধ শুঁকে এসব পুরুষের মধ্যে কোন ধরনের পরিবর্তন আসেনি৷ বরং তাদেরকে নারীর ছবি দেখিয়ে জানতে চাওয়া হয় কে বেশি যৌন আবেদনময়ী৷ দেখা গেলো, স্যালাইন শোঁকা পুরুষরা বেশ আগ্রহ নিয়েই নারীদের সম্পর্কে মত দিতে শুরু করলেন৷ অন্যদিকে, যৌন আবেদনের বিষয়ে বেশ খানিকটা কম আগ্রহই দেখিয়েছে কান্না শোঁকা পুরুষরা৷

ইসরায়েলি গবেষকরা অবশ্য আশা প্রকাশ করেছেন যে, ভবিষ্যতে ক্যান্সার চিকিৎসায়ও কাজে লাগবে তাদের এই গবেষণার ফলাফল৷ বিশেষ করে, প্রোস্টেট ক্যান্সারের চিকিৎসা হয় টেস্টোস্টেরোনের মাত্রা কমিয়ে৷ কান্না থেরাপি সেক্ষেত্রে কাজ আসতে পারে৷

প্রতিবেদন: আরাফাতুল ইসলাম

সম্পাদনা: ফাহমিদা সুলতানা