1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

বিশ্ব

নারীদের জন্য ৩০ ভাগ কোটা জার্মানিতে

বেসরকারি বৃহত্তম প্রতিষ্ঠানগুলোর উচ্চপদে নারীদের কোটা নির্ধারণ করেছে জার্মান সরকার৷ চ্যান্সেলর আঙ্গেলা ম্যার্কেল বুধবার পার্লামেন্টে এই সংক্রান্ত একটি আইনের খসড়া পার্লামেন্টে উত্থাপন করেন৷ ২০১৬ সালে এই আইন কার্যকর হবে৷

মঙ্গলবার রাতে পার্লামেন্ট সদস্যদের সাথে এ ব্যাপারে আলোচনার পর কোটা নির্ধারণের বিষয়ে একমত হয় জার্মানির জোট সরকার৷ ম্যার্কেল বলেন, ‘‘নারীদের যোগ্যতার বিষয়টি আমরা অস্বীকার করতে পারি না৷ আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি এটা করব এবং এটা বাস্তবায়িত হবে৷''

এই আইন বাস্তবায়িত হলে যেসব কোম্পানী তাদের বোর্ডের জন্য উপযুক্ত নারী প্রার্থী পাবে না তারা সেই সব পদ খালি রাখবে৷ তবে এই আইনের বিরোধিতা করে এরই মধ্যে বিবৃতি দিয়েছে কিছু ব্যবসা প্রতিষ্ঠান৷ বুধবারে এক বিবৃতিতে ফেডারেশন অফ জার্মান ইনডাস্ট্রি বিডিআই এবং দ্য এমপ্লয়ার্স ফেডারেশন বিডিএ নতুন এই আইনের সমালোচনা করেছে৷ তারা এক বিবৃতিতে জানিয়েছে এ ধরনের কোটা ব্যবস্থার ফলে যোগ্যতম ব্যক্তিরা সুযোগ হারাবে৷

পরিচালকমণ্ডলীতে নারী ৩০ ভাগ

২০১৬ সাল থেকে জার্মানির বৃহত্তম প্রতিষ্ঠানগুলোর পরিচালকমণ্ডলীর মধ্যে নারীদের কোটা থাকবে ৩০ ভাগ৷ এই তালিকায় ১০৮টি কোম্পানি রয়েছে, যার পরিচালকমণ্ডলীর সদস্য হতে পারলেও নির্বাহী পরিচালকের পদে কোন কোটা থাকবে না৷

অবশ্য এই কোটা বিষয়ে এক বছর আগে থেকেই আলোচনা হচ্ছিল৷ চ্যান্সেলর আঙ্গেলা ম্যার্কেলের রক্ষণশীল জোটের দুই দল খ্রিষ্টান ডেমোক্র্যাটিক সিডিইউ এবং খ্রিষ্টান সোশাল ইউনিয়ন সিএসইউ অতীতে আইন করে কোটা করার জন্য একমত হয়েছিল৷ তালিকাবদ্ধ ১০৮টি কোম্পানির জন্য এই কোটা পদ্ধতি বহাল থাকবে৷ এছাড়া কয়েক হাজার মাঝারি যেসব কোম্পানি রয়েছে তারা নির্বাহী ও পরিচালকমণ্ডলীতে নিজেদের মত করে কোটা পদ্ধতি করতে পারবে৷

বর্তমান পরিস্থিতি:

জার্মান বড় বড় কোম্পানিরগুলোর পরিচালকমণ্ডলীতে এখনো পুরুষের সংখ্যা প্রায় ৮০ ভাগ৷ ডিআইডাব্লিউ ইকোনমিক থিঙ্ক ট্যাঙ্ক এর তথ্য অনুযায়ী জার্মানির বৃহত্তম ৩০টি কোম্পানিতে নির্বাহী পদে নারীরা মাত্র ৭ ভাগ জায়গা দখল করে আছে ৷

সাম্প্রতিক এক জরিপে দেখা গেছে গত বছর নির্বাহী পদে নারীর সংখ্যা অনেক কমে গেছে৷ তবে সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোতে সে তুলনায় উচ্চপদে নারীদের অবস্থান বেশি৷ সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোতে বর্তমানে এই হার ১৮.৯ ভাগ, তিন বছর আগে যা ছিল মাত্র ১০ ভাগ৷

তবে জার্মানির কট্টরপন্থি ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠান মালিকরা এই আইনের সমালোচনা করে বলেছেন, এ ধরনের বৈধ কোটার কোন প্রয়োজন আমরা দেখছি না৷

এপিবি/ডিজি (এপি, এএফপি, ডিপিএ)

নির্বাচিত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট বিষয়