1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

বিশ্ব

নতুন মাত্রা পেয়েছে জঙ্গিবিরোধী অভিযান

প্রায় প্রতিদিনই আসছে জঙ্গি আটকের খবর৷ গুলশান হামলার পর জঙ্গিবিরোধী অভিযান যেন নতুন মাত্রা পেয়েছে৷

পুলিশ কর্মকর্তারা বলছেন, গুলশান হামলার পর সাধারণ মানুষ জঙ্গিদের বিরুদ্ধে সচেতন এবং সোচ্চার হয়েছে৷ তারা আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীকে জঙ্গিবিরোধী অভিযানে সহায়তা করছেন৷

এ সপ্তাহেই প্রকাশ করা হয়েছে ব্লগার অভিজিত্‍ রায় হত্যাকাণ্ডে জড়িত ছয় জনের ভিডিও ফুটেজ৷ আর তা প্রকাশ করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)৷ তারই ধারাবাহিকতায় প্রকাশক ফয়সল আরেফিন দীপন হত্যা মামলার প্রধান আসামি মইনুল ইসলাম শামীম ওরফে সিফাত ওরফে ইমরানকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে মঙ্গলবার রাতে৷ গাজীপুরের টঙ্গিতে চেরাগ আলী মার্কেটে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করে গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) সদস্যরা৷ তাকে ধরিয়ে দিতে দুই লাখ টাকা পুরস্কার ঘোষণা করা হয়েছিল৷

অডিও শুনুন 01:58

মাসুদুর রহমান

একই রাতে আটক করা হয়েছে নিষিদ্ধ জঙ্গি সংগঠন জেএমবির পাঁচ সদস্যকে৷ আটক জেএমবি সদস্যরা হলো রাশেদুজ্জামান, আব্দুল হাই, শাহবুদ্দিন রকি, ফিরোজ আহমেদ শেখ এবং সাইফুল ইসলাম৷ তাদের মধ্যে রাশেদুজ্জামান জেএমবির নারী শাখার প্রশিক্ষক ও দক্ষিণাঞ্চলের ভারপ্রাপ্ত আমির৷

এর আগে ঢাকা ও ঢাকার বাইরে থেকে জেএমবির নয় জন নারী সদস্যকে আটক করা হয়৷ তারা তহবিল সংগ্রহ, সদস্য সংগ্রহ এবং যোগাযোগের কাজে নিয়োজিত ছিল৷

তবে এসবের মধ্যে ঢাকার কল্যাণপুরে জঙ্গি আস্তানায় অভিযানকে পুলিশ গুলশান হামলার পর সবচেয়ে সফল জঙ্গিবিরোধী অভিযান হিসেবে বিবেচনা করছে৷ এসব অভিযানে পুলিশের কাউন্টার টেররিজম ইউনিট, গোয়েন্দা বিভাগ এবং ব়্যাব অগ্রণী ভূমিকা পালন করছে৷

গুলশান হামলার পর এক মাসে সারাদেশে জঙ্গি সন্দেহে আটক হয়েছে ১৫৯ জন৷ সবচেয়ে বেশি আটক করা হয়েছে সাতক্ষীরা এবং সিলেট থেকে৷ জুলাই মাসে সাতক্ষীরা থেকে জঙ্গি সন্দেহে আটক হয়েছে ৪৫ জন এবং সিলেট থেকে ৩১ জন৷

সাতক্ষীরা ও সিলেটের বাইরে মানিকগঞ্জে ১১ জন, ঢাকায় ১০ জন, পাবনায় ৯ জন, খুলনায় ৮ জন, চট্টগ্রামে ১০ জন, নওগাঁয় ৬ জন, গাজীপুরে ৪ জন, কুমিল্লা, মাগুরা ও টাঙ্গাইলে ৩ জন করে আটক হয়েছে৷''

আটকদের মধ্যে আনসারুল্লাহ বাংলা টিমের ৭ জন, হিযবুত-তাহরিরের ৩ জন, জামাত-শিবিরের ৩৪ জন, জেএমবির ৩২ জন এবং সংগঠনের পরিচয় না থাকা ৮৩ জন জঙ্গি সম্পৃক্ততার অভিযোগে আটক হয়েছে৷

পুলিশ আনসার আল ইসলামকে নিষিদ্ধ করারও উদ্যোগ নিয়েছে৷ আনসারুল্লাহ বাংলা টিম নিষিদ্ধ হওয়ার পর ২০১৪ সালের সেপ্টেম্বরে নতুন নামে ওই সংগঠনটিই আনসার আল ইসলাম নামে আবির্ভূত হয়৷

ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের উপ-কমিশনার (মিডিয়া) মাসুদুর রহমান ডয়চে ভেলেকে বলেন, ‘‘গুলশান হামলার পর ঢাকাসহ সারাদেশে জঙ্গিবিরোধী অভিয়ার জোরদার করা হয়েছে৷ অভিযানে শক্তি বৃদ্ধির সঙ্গে কৌশলগত পরিবর্তন আনা হয়েছে৷

তিনি বলেন, ‘‘আমরা সাধারণ মানুষের সহায়তা নিচ্ছি৷ তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহার করছি৷ সাধারণ মানুষের কাছ থেকে জঙ্গি সংক্রান্ত তথ্য পেতে নিজস্ব অ্যাপস ব্যবহার করছি৷ অ্যাপসের মাধ্যমে এ পর্যন্ত আমরা ১০ হাজার অভিযোগ পেয়েছি৷ এসব অভিযোগ যাচাই বাছাই করে আমার কাজে লাগাচ্ছি৷''

তিনি আরো বলেন, ‘‘গুলশান হামলার পর সাধারণ মানুষের মধ্যে জঙ্গিবিরোধী সচেতনতা তৈরি হয়েছে, যা খুবই ইতিবাচক৷ সাধারণ মানুষ এখন নিজ উদ্যোগে তথ্য দিচ্ছে৷''

নির্বাচিত প্রতিবেদন

এই বিষয়ে অডিও এবং ভিডিও

সংশ্লিষ্ট বিষয়