1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

বিশ্ব

নতুন বছরে ইউরোজোনের চিন্তা: ডিফ্লেশন, গ্রিস

২০১৪ সালের শেষ কয়েক মাস ধরে ইউরোজোনের অর্থনীতিতে ‘ডিফ্লেশন’ নিয়ে বেশ আলোচনা হচ্ছে৷ কারণ মুদ্রাস্ফীতির বর্তমান হার এখন ০ দশমিক ৩ শতাংশ, যেটা ২ শতাংশের মতো হওয়া উচিত বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা৷

পরিস্থিতির উন্নয়নে বেশ কিছু পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে৷ যেমন সুদের হার কমানো, ব্যাংকগুলোর জন্য সহজ শর্তে ঋণের ব্যবস্থা করা ইত্যাদি৷ কিন্তু এতে কাজ না হওয়ায় বিশ্লেষকরা এখন ‘কিউই' (কোয়ান্টিটিভ ইজিং) কর্মসূচি চালুর পরামর্শ দিচ্ছেন৷ এর মানে হচ্ছে বন্ড কেনা৷

ইউরোপীয় কেন্দ্রীয় ব্যাংক, ইসিবি-র নীতিনির্ধারকদের অনেকেই এই কর্মসূচির পক্ষে তাঁদের সমর্থনের কথা বলেছেন৷ কেননা ব্রিটেন, যুক্তরাষ্ট্র সহ অনেক দেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংকই এই পদক্ষেপ গ্রহণ করে সুফল পেয়েছে৷

Mario Draghi im Europaparlament 22.09.2014

ইউরোপীয় কেন্দ্রীয় ব্যাংকের প্রেসিডেন্ট মারিও দ্রাগি

তবে এর বিরোধিতাও রয়েছে৷ বিশেষ করে জার্মানি এই কর্মসূচির পক্ষে নয়৷ জার্মান কেন্দ্রীয় ব্যাংকের প্রেসিডেন্ট ইয়েন্স ভাইডমান মনে করেন, কর্মসূচি শুরুর পর সেটা নিয়ে যে হতাশা নেমে আসবে সেটা নিশ্চিত৷ ‘‘এর ফলে সমস্যার আসল রূপ চাপা পড়ে যেতে পারে'', বলে মনে করেন তিনি৷

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের প্রধানের সঙ্গে একমত জার্মান অর্থমন্ত্রী ভল্ফগাং শয়েবলে৷ তিনি বলেন, ‘‘অবস্থার উন্নতি করতে কাঠামোগত সংস্কারের বিকল্প নেই৷''

এছাড়া ব্রিটেন আর যুক্তরাষ্ট্রের চেয়ে ইউরোজোনের অর্থনৈতিক ও আইনগত কাঠামোটা ভিন্ন হওয়ায় ইউরোপও যে বন্ড কেনা কর্মসূচি থেকে সুফল পাবে, সেটা মনে করার কারণ নেই বলে মনে করেন অনেক বিশ্লেষক৷

অবশ্য বিরোধিতা সত্ত্বেও পরিস্থিতির উন্নয়নে ইসিবি নতুন বছরের শুরুতে কিংবা তার পর বন্ড কেনা কর্মসূচি চালু করতে পারে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা৷ জানুয়ারির ২২ কিংবা মার্চের ৫ তারিখে ইসিবি-র বৈঠকে এ ব্যাপারে সিদ্ধান্ত হতে পারে৷

প্রসঙ্গ গ্রিস

পর পর তিনবার চেষ্টা করেও একজন প্রেসিডেন্ট নির্বাচন করতে পারেনি গ্রিস৷ তাই জানুয়ারিতে সংসদ নির্বাচনের ডাক দিয়েছেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী৷ ঐ নির্বাচনে বামপন্থি সিরিজা দল ক্ষমতায় আসতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে৷ তারা ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও আইএমএফ-এর ব্যয়সংকোচ নীতির বিরোধী৷ তাই দলটি যদি ক্ষমতায় আসে, তাহলে গ্রিসে যে হারে সংস্কার চলছে, সেটা ধীর হয়ে যেতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে৷

জেডএইচ/ডিজি (এএফপি)

নির্বাচিত প্রতিবেদন