1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

বিশ্ব

নতুন কাগজের ঘ্রাণ নেবার সময় এলো

বাঙালির প্রাণের একুশে বইমেলা শুরু হচ্ছে শনিবার৷ ইতিমধ্যে লেখকরা ব্লগ আর ফেসবুকে তাঁদের প্রকাশিত ও মেলার সময় প্রকাশিতব্য বইয়ের প্রচারণা শুরু করে দিয়েছেন৷ লেখকদের শুভাকাঙ্খিরাও এক্ষেত্রে পিছিয়ে নেয়৷

সামহয়্যার ইন ব্লগ খুললেই প্রথম যে পোস্টটি আপনার চোখে পড়বে, তাতে এবারের বইমেলায় ব্লগারদের প্রকাশিত বইয়ের তালিকা রয়েছে৷ পোস্টটি যেন পাঠকের নজর না এড়ায় সেজন্য সেটিকে এক জায়গায় স্থির করে রাখা হয়েছে৷

কবি নির্মলেন্দু গুণ ফেসবুকে জানিয়েছেন, এবারের বইমেলায় ‘নির্গুণের মুখপঞ্জি ও সুইডেনের গল্প' এবং ‘বর্ষামঙ্গল' নামে তাঁর দুটো বই বের হচ্ছে৷

বইমেলাকে ঘিরে প্রচারণা চালাতে কয়েকটি প্রকাশনা সংস্থা ফেসবুকে ‘ইভেন্ট' তৈরি করেছে৷ ভাষাচিত্র, ঐতিহ্য আদর্শ – এই তিন প্রকাশনা সংস্থার ইভেন্ট পেজে গেলে সেখান থেকে বের হওয়া বইয়ের প্রচ্ছদ সহ নানা তথ্য পাওয়া যাচ্ছে৷

এদিকে, সার্জিল খান বইমেলাকে ঘিরে একটি ইভেন্ট তৈরি করেছেন যেখানে বইমেলার ইতিহাস বর্ণনা করা হয়েছে৷

সামিউল আজিজ সিয়াম ফেসবুকে বইমেলা নিয়ে লিখতে গিয়ে মেলাকে ঘিরে তাঁর ছোটবেলার আগ্রহ, উদ্দীপনার কথা জানিয়েছেন৷ তিনি লিখেছেন, ‘‘...ফেব্রুয়ারি মানেই আমাদের কাছে জমানো কিছু টাকা খরচ, কিছু অবসর আলাদা করে রাখা....ছোটবেলায় জানুয়ারি থেকে বায়না শুরু হতো, এবার বিশটা বই কেনা হবে৷ পরে যেদিন মেলায় যাওয়া হতো দেখা যেত চল্লিশটা কিনে ফিরতাম৷ আমার মাকে আমি প্রত্যেকটা শিশুর মতো অন্যসব পেইনের পাশাপাশি যেই বাড়তি পেইনটা দিয়েছি তা হলো, বইমেলায় হাঁটাহাঁটির পেইন! সেই সাথে ধৈর্য ধরে আমি যেই বইটাই কিনতে চাই সেটা উলটেপালটে দেখা, কয়েক লাইন পড়ে দেখা, ফ্ল্যাপ পড়া, লেখককে যাচাই করা, আরো অনেক দায়িত্ব মা নিজেই ঘাড়ে নিতেন, বইয়ের ওজনের সাথে সাথে৷ প্রতিটা স্টলের সামনে যেয়ে আমার কোনো একটা বই হাতে ঠাই দাঁড়িয়ে পড়া, আর মায়ের দিকে একটা বিশেষ দৃষ্টিতে তাকানো যার অর্থ, ‘এটাই শেষ, প্লিজ!' সন্ধ্যায় ‘এটাই শেষ' পর্বের সত্যিকারের ইতি ঘটিয়ে ক্লান্ত হয়ে মা ছেলের (বোন ও থাকতো) বাড়ি ফেরা! আমার জন্য সে বড় সুখকর ক্লান্তি৷''

সংকলন: জাহিদুল হক

সম্পাদনা: দেবারতি গুহ

নির্বাচিত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট বিষয়