1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

বিশ্ব

নতুন করে শুরু করতে চায় ওএসসিই

মধ্য এশিয়ার দেশ কাজাখস্তানের রাজধানী আসটানায় বুধবার থেকে শুরু হয়েছে ওএসসিই অর্থাৎ ইউরোপীয় নিরাপত্তা ও সহযোগিতা সংস্থা’র শীর্ষ সম্মেলন৷ আজই শেষ হয়ে যাবে এই সম্মেলন৷

default

ওএসসিই সম্মেলনে জার্মান চ্যান্সেলর আঙ্গেলা ম্যার্কেল ও কাজাখ প্রেসিডেন্ট নুরসুলতান নাজারবায়েভ

সদস্য সংখ্যা বিবেচনায় নিরাপত্তা বিষয়ক বিশ্বের সবচেয়ে বড় সংস্থা এই ওএসসিই, যার জন্ম কোল্ড ওয়ার অর্থাৎ শীতল যুদ্ধের সময়৷ ওএসসিই'র বর্তমান সদস্য সংখ্যা ৫৬৷ সংস্থাটির নামে শুধু ইউরোপের নাম থাকলেও উত্তর অ্যামেরিকা, মধ্য এশিয়া ও ককেশাস অঞ্চলের কয়েকটি দেশও এই সংস্থার সদস্য৷

পূর্ব ও পশ্চিমা বিশ্বের মধ্যে থাকা বিভিন্ন সমস্যা সমাধানের মাধ্যম হিসেবে গড়ে তোলা হয়েছিল ওএসসিইকে৷ শুধুমাত্র আলোচনার মাধ্যমেই এটা করতে চেয়েছিলেন সবাই৷ কিন্তু বিভিন্ন সদস্য রাষ্ট্রের মধ্যেই বিভিন্ন কোন্দল থাকার কারণে আস্তে আস্তে এর কার্যক্রম অনেকটা গুটিয়ে যায়৷ যেমন এবার মাত্র সপ্তমবারের মতো আয়োজন করা হয়েছে সম্মেলনটি৷ অথচ প্রথম সম্মেলনটি হয়েছিল সেই ১৯৭৫ সালে৷ আর শেষটি ১৯৯৯ সালে৷

সম্মেলনের শেষ দিন

OSZE Gipfeltreffen in Astana Kasachstan NO FLASH

আসটানার সম্মেলনস্থল

আজ একটি ঘোষণা পত্র তুলে ধরা হবে৷ সেখানে এই অঞ্চলের নিরাপত্তা বাড়াতে কী করা উচিত তার একটা রূপরেখা থাকবে৷ এছাড়া সম্মেলনে অংশ নেয়া শীর্ষনেতারা সংস্থাটিকে এগিয়ে নিয়ে যাবার জন্য বিভিন্ন পরামর্শ দিয়েছেন৷ এসব নেতার মধ্যে রয়েছেন জার্মান চ্যান্সেলর আঙ্গেলা ম্যার্কেল, রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট দিমিত্রি মেদভেদেভ, মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিলারি ক্লিন্টন ও আফগান প্রেসিডেন্ট হামিদ কারজাই৷ এর মধ্যে জার্মান চ্যান্সেলর ম্যার্কেল আয়োজক দেশ কাজাখস্তানের বর্তমান পরিস্থিতির দিকে ইঙ্গিত করে অত্র অঞ্চলে মানবাধিকার, বাকস্বাধীনতা এবং গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে সবাইকে পরামর্শ দেন৷ আর মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ক্লিন্টন বলেন, সদস্য রাষ্ট্রগুলো যদি রাজনৈতিক সদিচ্ছা নিয়ে বিভিন্ন সমস্যার সমাধানে এগিয়ে আসে তাহলেই কেবল আবার সংস্থাটিকে গুরুত্বপূর্ণ করে তোলা যেতে পারে৷

কেন কাজাখস্তান?

সংস্থা'র বর্তমান সভাপতি দেশ কাজাখস্তান৷ তাই এত বড় একটা সম্মেলন আয়োজনের সুযোগ পেয়ে গেছে সচরাচর প্রচারে না থাকা এই দেশটি৷ সম্মেলন উপলক্ষ্যে দু'দিনের সরকারি ছুটি কাটাচ্ছে দেশটির সবাই৷ আর নিরাপত্তার বাড়াবাড়ি থাকায় অনেকে শহর ছেড়ে বাইরে ঘুরতে গেছেন৷ তবে কাজাখস্তানে সম্মেলন আয়োজন নিয়ে কিছুটা সমালোচনা হয়েছে৷ কারণ দেশটির প্রেসিডেন্ট নুরসুলতান নাজারবায়েভ তাঁর শাসনামলে এমন কিছু আইনে স্বাক্ষর করেছেন যেগুলো গণমাধ্যম ও ইন্টারনেটের স্বাধীনতাকে খর্ব করেছে৷

প্রতিবেদন: জাহিদুল হক

সম্পাদনা: হোসাইন আব্দুল হাই

সংশ্লিষ্ট বিষয়