1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

সমাজ সংস্কৃতি

নজরদারিতে এসএমএস ব্যবহার করছে জার্মান পুলিশ

জার্মানির পুলিশ এবং গোয়েন্দা সংস্থাগুলো বিভিন্ন ব্যক্তির মুঠোফোন ‘নিরব’ বা ‘অদৃশ্য’ এসএমএস পাঠিয়ে তাদের গতিবিধি পর্যবেক্ষণ করছে৷ সংসদে এক প্রশ্নের জবাবে একথা জানিয়েছে সরকার৷

জার্মানির পুলিশ এবং গোয়েন্দা সংস্থাগুলো বিভিন্ন ব্যক্তির মুঠোফোন ‘নিরব' বা ‘অদৃশ্য' এসএমএস পাঠিয়ে তাদের গতিবিধি পর্যবেক্ষণ করছে৷ সংসদে এক প্রশ্নের জবাবে একথা জানিয়েছে সরকার৷

চলতি বছর জার্মানির চারটি নিরাপত্তা সংস্থা বিভিন্ন ব্যক্তির মোবাইলে দেড়লাখের বেশি ‘অদৃশ্য' এসএমএস পাঠিয়েছে৷ এই এসএমএস যার নম্বরে পাঠানো হয়, তার মোবাইল তা প্রদর্শন করতে পারেনা৷ তবে মোবাইলটি এসএমএস রিসিভ করায় সেটির অবস্থান সনাক্ত করা সম্ভব হয়৷ এরপর মোবাইল নেটওয়ার্কের মধ্যে থাকা অবস্থায় মোবাইলের মালিকের গতিবিধির দিকে নজর রাখা যায়৷

জার্মানির ফেডারেল পার্লামেন্ট বুন্ডেসটাগের বামপন্থি বিরোধী দলীয় পার্লামেন্টারি গ্রুপের প্রশ্নের জবাবে এ সব তথ্য জানা গেছে৷

জার্মানিতে সাধারণত কারো উপর নজরদারি চালাতে গেলে সুনির্দিষ্টভাবে সংসদীয় কমিটি জি১০-এর অনুমতির প্রয়োজন হয়৷ জার্মান সংবিধানের ‘প্যারাগ্রাফ ১০' অনুযায়ী ডাক এবং টেলিযোগাযোগ ব্যবস্থায় নজরদারি নিষিদ্ধ৷

বাম দলের সাংসদ আন্দ্রেজ হুনকো জানান, গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর ‘স্পাই-এসএমএস'-এর পরিমাণ দেখে তিনি উদ্বিগ্ন৷

সরকারি হিসেবে গত বছরের প্রথম ছয় মাসে এরকম ১২৫,০০০ বার্তা পাঠানো হয়েছিল৷ আর চলতি বছর জার্মানির অভ্যন্তরীণ গোয়েন্দা সংস্থা ভিএফএস ৫৩,০০০ এ রকম ম্যাসেজ পাঠিয়েছে৷ জার্মান ফেডারেল পুলিশের পাঠানো ‘স্পাই-এসএমএস'-এর সংখ্যা ৬৯,০০০ এবং বিকেএ পাঠিয়েছে ৩৪,০০০ এসএমএস৷

প্রসঙ্গত, জার্মানির কারো উপর নজরদারির বিষয়টি বেশ স্পর্শকাতর৷ গত শতকের ত্রিশ এবং চল্লিশের দশকে নাৎসি শাসকরা এবং পরবর্তীতে সাবেক কমিউনিস্ট পূর্ব জার্মানির স্ট্যাসি পুলিশের কর্মকাণ্ড নজরদারির বিষয়টি ভয়াবহ আতঙ্কে পরিণত করে৷

এআই/ডিজি (ডিপিএ, এএফপি)

নির্বাচিত প্রতিবেদন