1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

সমাজ সংস্কৃতি

নকলের ‘রাজা' ইন্দোনেশিয়া

এশিয়ায় কপিরাইট বা মেধাস্বত্ব আইনের প্রয়োগ সবচেয়ে কম ইন্দোনেশিয়ায়৷ যার মানে হলো, নকলে সবাইকে ছাড়িয়ে গেছে এই দেশটি৷ আর এর ঠিক উল্টো দিকে আছে সিঙ্গাপুর৷

default

ইন্দোনেশিয়ার বাজারে নকল ছেয়ে গেছে

মেধাস্বত্ব আইনের প্রয়োগ এশিয়ায় কোথায় কেমন, তা যাচাই করে দেখেছে হংকংভিত্তিক পরামর্শক সংস্থা পলিটিক্যাল অ্যান্ড ইকোনমিক রিস্ক কন্সালটেন্সি (পিইআরসি) ৷ এই জন্য একটি মাপকাঠি ঠিক করেছে তারা৷ তাতে বিভিন্ন পয়েন্টের ভিত্তিতে যে দেশের স্কোর সবচেয়ে কম, সে দেশে মেধাস্বত্ব আইনের প্রয়োগ সবচেয়ে কঠোর৷ আর যাদের স্কোর বেশি সেখানে অবস্থা শোচনীয়৷

পিইআরসির মাপকাঠিতে ইন্দোনেশিয়ার স্কোর ৮ দশমিক ৫৷ তাদের ঘাড়ে নিঃশ্বাস ফেলছে ভিয়েতনাম, ৮ দশমিক ৪ স্কোর নিয়ে৷ এর অর্থ হলো, নকলবাজিতে কম যায় না তারাও৷ চীনের স্কোর ৭ দশমিক ৯, এর নিচে আছে যথাক্রমে ফিলিপাইন্স (৬ দশমিক ৮), ভারত (৬ দশমিক ৫), থাইল্যান্ড (৬ দশমিক ১৭) ও মালয়েশিয়া (৫ দশমিক ৮)৷

China, Betrug am Verbraucher

চীনে মাজন থেকে শুরু করে অনেক পণ্যের নকল বিক্রি হয়

নকলকে প্রশ্রয় না দেওয়াদের দলে সিঙ্গাপুরের পাশেই আছে জাপান৷ সিঙ্গাপুরের স্কোর ১ দশমিক ৫, আর জাপানের ২ দশমিক ১৷ তাদের পেছনে আছে যথাক্রমে হংকং (২ দশমিক ৮), তাইওয়ান (৩ দশমিক ৮), তাইওয়ান (৩ দশমিক ৮) ও দক্ষিণ কোরিয়া (৪ দশমিক ১)৷

ইন্দোনেশিয়া ইতোমধ্যে মেধাস্বত্ব আইন প্রণয়ন করেছে৷ কোনো একটি বিশেষ ধারণার প্রকাশ বা তথ্য ব্যবহারের নিয়ন্ত্রণকারী বিশেষ কিছু অধিকারের সমষ্টিগত নাম হলো মেধাস্বত্ব৷ যার মানে হলো, যিনি বিষয়টির আবিষ্কর্তা বা ধারণার প্রথম প্রকাশ ঘটালেন, তা ব্যবহারের নিয়ন্ত্রণ থাকবে ওই ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের ওপর৷ কেউ তা চাইলেই ব্যবহার করতে পারবে না৷

Deutschland MAN Bus in China kopiert

জার্মানির ‘মান’ কোম্পানির একটা গোটা বাস হুবহু নকল করা হয়েছে

ইন্দোনেশিয়ায় মেধাস্বত্ব আইন হলেও তা যে এখন পর্যন্ত কার্যকর নয়, তাই বলছে পিইআরসি৷ ইন্দোনেশিয়ার পাশাপাশি ভিয়েতনাম ও ফিলিপাইন্সের চিত্র তুলে ধরে তারা বলছে, সরকারগুলো পাইরেসি দমনের কথা বলে এলেও সেখানে এখনো পাইরেটেড সফটওয়্যার চলছে দেদারসে৷ হাল আমলের চলচ্চিত্রগুলোর পাইরেটেড কপিও পাওয়া যাচ্ছে বাজারে৷

অভিযোগ রয়েছে, পাইরেসি বা নকলবাজির ক্ষেত্রে চীনের একটা বড় ভূমিকা আছে৷ বিশ্বের জনবহুল এই দেশের বিষয়ে আইপিআরসির বক্তব্য হল, চীনের কোম্পানিগুলোকে আরো নজরদারির মধ্যে রাখতে হবে৷ কারণ চীন বিশ্ব অর্থনীতিতে এখন প্রভাবশালী দেশ৷ আর সেখানকার অনেক কোম্পানিই আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নিজেদের আধিপত্য নিতে আশ্রয় নিচ্ছে নকলবাজির৷ ইন্দোনেশিয়া বা ভিয়েতনামের কোম্পানিগুলো পাইরেসি করে বিশ্ব অর্থনীতির তেমন ক্ষতি করতে পারবে না, যতটুকু করতে পারবে চীনা কোম্পানিগুলো৷ আর বহুজাতিক কোম্পানিগুলোও তাদের নিত্য নতুন প্রযুক্তি চীনাদের কাছে নিয়ে যেতে ভয় পায়৷ এই ভয় ভাঙানোর দায়িত্ব নিতে হবে চীন সরকারকেই৷

প্রতিবেদন: মনিরুল ইসলাম
সম্পাদনা: সঞ্জীব বর্মন

ইন্টারনেট লিংক

সংশ্লিষ্ট বিষয়