1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

সমাজ সংস্কৃতি

ধুম-তিনে আমীর খান, সাজতে পারেন ভিলেন সর্দার

গব্বর সিং কিংবা মোগাম্বোর পর এবার দুষ্টু লোকের তালিকায় নাম তুলতে চললেন তাহলে আমাদের আমীর খান! তেমন একটা সম্ভাবনা দেখা দিচ্ছে দিগন্তে৷

default

ভিলেন হতে আমীর কি রাজি হবেন?

আমীর কি রাজি হবেন? রাজি হলে কী হবে? রাজি হলে কেন হবেন? না হলে কেন হবেন না? আদিত্য চোপড়া তো আমীরের বন্ধু মানুষ৷ তাঁর অনুরোধ কি আমীর ফেলতে পারবেন? আমীর রাজি হলে, আর কোন কথা নেই, মোগাম্বো বা গব্বরের পরেই শোনা যাবে আমাদের আমীরের নাম৷ কারণ?

আরে, কারণ তো সাফসুতরো দেখা যাচ্ছে৷ আদিত্য ধুমধাম করে ধুম - থ্রি তৈরি করবেন বলে বাজারে ঢ্যাঁড়া পেটানো কবে হয়ে গেছে৷ এবার নতুন চমক, সেই ধুম তিনের ভিলেন মানে দুষ্টু লোকের ভূমিকায় আদিত্য আমীরকে চান৷

তা, তেমন হলে হৈচৈ পড়ে যাবে৷ কারণ, এমনিতেই আমীর মানেই ‘একটু সরে দাঁড়ান দাদা' গোছের কারবার৷ মানে, আমীর তো যেমন তেমন হিরো নন, যাকে বলে জাত অভিনেতা এবং আমীরের সব চরিত্রই বেছে বেছে৷ তো, এই আমীর আজ পর্যন্ত বাজে লোকের ভূমিকায় মুখ দেখান নি৷ কিন্তু যদি ধুম-এর মত সফল সিকোয়েলে আমীর বাজে লোক হয়ে পর্দায় পড়েন, তাহলে হটকেকের চেয়েও হটেস্ট হয়ে যাবে সেই ছবি৷ আর সেই চরিত্র আবারও বাজারে মিথ তৈরি করবে৷ তাই....

Szene aus dem Film Peepli Live

আপাতত পিপলি লাইভ নিয়ে ব্যস্ত আমীর

তাই আশায় বাঁচে চাষা৷ তবে কিনা আমীর আপাতত পিপলি লাইভ নিয়ে দুনিয়া জুড়ে চক্বর খেতে ব্যস্ত৷ ছবি সবে ভারতে পর্দায় পড়েছে, প্রথমদিনের রিপোর্ট বলছে ফাটাফাটি ব্যাপার৷ কোথায় যেন চলচ্চিত্র উত্সবে সে ছবি সেরার শিরোপাও পেয়ে বসে আছে৷ বছরের সেরা হিট কিনা তাই নিয়ে শুরু হয়েছে চুলছেঁড়া গবেষণা৷ আমীর এখন পিপলি লাইভের লং লাইফ নিয়ে ব্যস্ত৷ সেসেব চুকেবুকে গেলেই আমীরের বসার কথা আদিত্য চোপড়ার সঙ্গে৷ শোনা যাচ্ছে, স্ক্রিপ্ট পছন্দ হলে খানসাহেব হ্যাঁ বলেও দিতে পারেন৷

আর হ্যাঁ হলে...ওফফ! ভাবা যাচ্ছে না! শোলেতে ‘কিতনে গোলি হ্যায় রে কালিয়া'-এর গব্বর সিং, থুড়ি আমজাদ খান কিংবা মিস্টার ইন্ডিয়ার ‘মোগাম্বো খুশ হুয়া'-র অমরিশ পুরির পর তাহলে আরও একটা মারমার কাটকাট ভিলেনের সন্ধান মিলবে৷

কিন্তু শেষে সেই ভিলেনই আবার না হিরো হয়ে যায়! তাহলে কিন্তু ধুম-এর কপালে ধুমধাম জুটবে আরও বেশিমাত্রায়৷

দেখা যাক শেষমেস কী হয়!

প্রতিবেদন: সুপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
সম্পাদনা: সঞ্জীব বর্মন

নির্বাচিত প্রতিবেদন