1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

সমাজ সংস্কৃতি

‘ধার না শুধেই’ মরতে হবে অধিকাংশ সুইডিশকে

সুইডিশদের মধ্যে যারা বাড়ি বন্ধক রেখে ঋণ নিয়েছেন, তাদের অধিকাংশই মৃত্যুর আগে ঋণমুক্ত হওয়ার সুযোগ পাবেন না৷ ঋণগ্রহিতাদের দেনা শোধের তথ্য বিশ্লেষণ করে সুইডেনের কেন্দ্রীয় ব্যাংক এ তথ্য প্রকাশ করেছে৷

প্রায় চল্লিশ লাখ নাগরিকের আয় ও ঋণের কিস্তি ফেরত দেয়ার হার তুলনা করে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২৫ শতাংশ নাগরিকের দেনার পরিমাণ প্রতি বছরই বাড়ছে৷ ১৫ শতাংশের ক্ষেত্রে পরিস্থিতির অবনতি না ঘটলেও উন্নতিরও কোনো লক্ষণ নেই৷ বাকি ৬০ শতাংশ অত্যন্ত ধীর গতিতে তাদের ঋণ শোধের চেষ্টা করে যাচ্ছেন৷

ঋণগ্রহিতার এই সংখ্যা সুইডেনের মোট প্রাপ্তবয়স্ক জনগোষ্ঠীর ৫২ শতাংশ৷

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের অর্থনীতিবিদ ইয়াকব উইন্ডস্ট্রান্ড বলেন, ‘‘এখন যে হারে তাঁরা ঋণ শোধ করে যাচ্ছেন তা অব্যাহত থাকলে তাদের ঋণমুক্ত হতে গড়ে ১০০ বছর করে বাঁচতে হবে৷''

সুইডিশদের গড় আয়ু প্রায় ৮২ বছর৷ বাড়ি বা সম্পত্তি বন্ধক রেখে তারা যে পরিমাণ ঋণ ইতিমধ্যে করেছেন, তা তাদের বার্ষিক আয়ের তুলনায় ৩.৭ গুন বেশি৷ দেখা গেছে, নিম্ন আয়ের মানুষের ক্ষেত্রে ঋণের পরিমাণও বেশি৷

Hammarby Müllsortierung

সুইডেনে বেকারত্বের হার ইউরোপের অন্য অনেক দেশের তুলনায় কম৷ তার ওপর অধিকাংশ নাগরিকেরই নিজের বাড়ি থাকায় তাঁদের ধার করার প্রবণতাও কম৷ কিন্তু অর্থনৈতিক মন্দার পর ব্যাংকগুলো ঋণের সুদের হার রেকর্ড পরিমাণ কমিয়ে আনায় অনেকেই এ সুযোগ কাজে লাগাতে চেয়েছেন এবং বাড়ি বন্ধক রেখে মোটা অংকের ঋণ নিয়েছেন৷ ফলে সাম্প্রতিক সময়ে সেখানে বাড়ি ও জমির দাম হু হু করে বাড়তে শুরু করেছে৷

এ পরিস্থিতিতে আবাসন ব্যবসায় ১৯৯০ এর দশকের ধসের কথা মনে করিয়ে দিয়ে সুইডনকে আর্থিক খাতে সংস্কার আনার তাগিদ দিয়েছে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল – আইএমএফ৷

অর্থনীতিতে নোবেল বিজয়ী অধ্যাপক পল ক্রুগম্যান গত জানুয়ারিতেও সরকারকে হুঁশিয়ার করে বলেছে, সুইডেন হয়তো আরেকটি মন্দার ঝুঁকি টেনে আনছে৷

অবশ্য অর্থনীতিবিদদের মধ্যে কেউ কেউ বলছেন, সুইডিশদের মধ্যে যারা বাড়ির মালিক, ব্যাংকে তাদের সঞ্চয় ও অন্যান্য সম্পদের পরিমাণ একেবারে খারাপ নয়৷ ফলে ঋণের টাকা ফেরত পেতে খুব বেশি সমস্যা হওয়ার কথা নয়৷

তাঁদের মতে, নতুন বাড়িঘর তৈরি না হওয়ার কারণেই সুইডেনে আবাসনের দাম ক্রমাগত হারে বাড়ছে৷

জেকে / এসবি (এএফপি)

নির্বাচিত প্রতিবেদন