1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

ব্রিটেন

ধর্ষণের বিচার করতে ব্যক্তিগত তহবিল গঠন

লন্ডনের একটি হোটেলে নিজেকে একেবারে ‘নগ্ন' অবস্থায় পান এমিলি হান্ট৷ সঙ্গে সঙ্গেই আদালতের দারস্থ হন তিনি৷ কিন্তু আইনজীবীরা তাঁর অভিযোগ আমলেই নেননি৷ তাই ন্যায়বিচারের জন্য শেষ পর্যন্ত এক অভিনব পন্থা বেছে নেন এমিলি৷

২০১৫ সালে লন্ডনে ৩৮ বছর বয়সি এই নারী ধর্ষিত হন৷ তারপর থেকেই অনলাইনে ‘গোফান্ডমি' ওয়েবসাইটের মাধ্যমে তিনি ১ লাখ পাউন্ড (১ লাখ ১৪ হাজার ইউরো) জোগাড় করার চেষ্টা করতে আরম্ভ করেন৷ ব্যক্তিগতভাবে বিচার প্রক্রিয়া শুরু করতেই এই উদ্যোগ নেন তিনি৷

সব গোপনীয়তার তোয়াক্কা না করে অক্টোবর থেকে এমিলি হান্ট ‘ধর্ষণের বিচার হওয়া উচিত' শিরোনামে এই ক্যাম্পেইন শুরু করেন৷ ব্রিটেনের অপরাধ সংক্রান্ত আইনজীবীদের সংগঠন ক্রাউন প্রসিকিউশন সার্ভিস (সিপিএস) জানায়, সেই ব্যক্তির বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ আনতে যথেষ্ট প্রমাণ ছিল না৷

'নগ্ন এবং ভীত সন্ত্রস্ত'

ক্যাম্পেইন শুরুর পর হান্টা জানান, তিনি অনেক পরে বুঝতে পেরেছিলেন যে তাঁকে মাদকাসক্তও করা হয়েছিল৷ ২০১৫ সালের মে মাসে সেই ঘটনা ঘটেছিল৷ বিবিসিকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি দাবি করেন, সেই ব্যক্তির সঙ্গে যৌনতার কথা তিনি মনেই করতে পারেন না৷ তবে পরে সিসিটিভি ফুটেজ দেখে পুলিশ নিশ্চিত হয় যে, সেই ব্যক্তি তাঁকে ধর্ষণও করেছিল৷

অনুমতি সম্ভব নয়

হান্ট শুরু থেকেই দাবি করে আসছিলেন যে সিপিএস সঠিকভাবে টক্সিকোলজি পরীক্ষাটি করেনি৷ এমনকি সিসিটিভি ফুটেজও তারা বিশ্লেষণ করেনি৷ ‘‘আমাকে মাদকাসক্ত করা হয়েছিল৷ ফুটেজে দেখা যায় যে আমি এতটাই নেশাগ্রস্ত ছিলাম যে আক্ষরিক অর্থেই হঠাৎ করে পড়ে যাই৷ কোনোরকম অনুমতি দেয়া তখন আমার পক্ষে সম্ভব ছিল না'', ব্রিটিশ দৈনিক ‘ইভিনিং স্ট্যান্ডার্ড'-কে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এ সব জানান৷

এই ক্যাম্পেইনের মাধ্যমে এখন পর্যন্ত হান্টের প্রাথমিক প্রত্যাশা পূরণ হয়েছে৷ শুরু হওয়ার প্রথম ১৬ দিনে ২৫৭ জন দাতার কাছ থেকে ৭ হাজার ৫৪৬ পাউন্ড সংগ্রহ করা গেছে৷

এই প্রচারণার মাধ্যমে যাঁরা তাঁকে সমর্থন করেছেন তাঁদের প্রশংসা করেছেন হান্ট৷ বলেছেন, ‘‘মানুষের ওপর আমার বিশ্বাসের পরীক্ষা যেমন হয়েছে, তেমনি তা পুনরুদ্ধারও হয়েছে৷ আমাদের সমর্থকরা সত্যিই সেরা৷''

আলেকজান্ডার পিয়ার্সন/এএম

প্রতিবেদনটি সম্পর্কে আপনার কিছু বলার থাকলে লিখুন নীচের ঘরে৷

নির্বাচিত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট বিষয়