1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

সমাজ সংস্কৃতি

‘ধর্মের রক্ষক হলেও নিস্তার নেই’

শিশু যৌন হয়রানির সাথে জড়িত সব ক্যাথলিক পুরোহিতদের অবিলম্বে বরখাস্ত করে পুলিশের হাতে সোপর্দ করতে ভ্যাটিকান কর্তৃপক্ষের কাছে দাবি জানিয়েছে জাতিসংঘ৷

শিশু নিপীড়ন নিয়ে বুধবার জাতিসংঘের শিশু অধিকার বিষয়ক কমিটির প্রকাশিত প্রতিবেদনে এ দাবি জানানো হয়৷ কড়া এক বিবৃতিতে এ জাতিসংঘ কমিটি বলেছে, শিশুদের ওপর থেকে যৌন নির্যাতনের অবসান ঘটাতে পারেনি ভ্যাটিকান৷ বিশ্বব্যাপী ক্যাথলিক চার্চের সদস্য এবং যাজকদের অসংখ্য শিশু যৌন নির্যাতনের ঘটনায় জড়িত থাকার বিষয়টি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে প্রতিবেদনে৷

প্রতি বছর ক্যাথলিক যাজকদের বিরুদ্ধে হয়রানির অন্তত ৬০০ অভিযোগ আসে৷ এর মধ্যে এমন অভিযোগ আছে যেগুলো ৬০,৭০ ও ৮০-র দশকের ঘটনা৷ এ তথ্য জানিয়েছে খোদ ভ্যাটিকান কর্তৃপক্ষ৷ ২০১০ সালে যাজকদের এই জঘণ্য আচরণের জন্য জনসমক্ষে ক্ষমা চেয়েছিলেন এর আগের পোপ ষোড়শ বেনেডিক্ট৷

প্রিস্ট বা যাজকদের দ্বারা নির্যাতিতদের রক্ষাকারী সংস্থা দ্য সার্ভাইভার্স নেটওয়ার্ক অফ দোজ অ্যাবিউস্ড বাই দ্য প্রিস্ট বা এসএনএপি জানিয়েছে, তারা খুব শিগগিরই এ সংক্রান্ত তথ্য উপাত্ত যোগাড় করে জাতিসংঘের কাছে জমা দিবে৷ এসএনএপি জানিয়েছে, নতুন পোপ ফ্রান্সিস তাঁর পূর্বসূরিদের বিষয়ে কোনো পদক্ষেপ নিতে রাজি নন৷

জার্মানির লোয়ার স্যাক্সনির ক্রিমিনোলজিক্যাল রিসার্চ ইনস্টিটিউটের পরিচালক ক্রিস্ট্রিয়ান ফেফার অবশ্য চমকপ্রদ কিছু তথ্য দিয়েছেন ডয়চে ভেলেকে৷ জানিয়েছেন, কয়েক বছর আগে ক্যাথলিক চার্চগুলোতে এই হয়রানির বিষয়গুলো তদন্ত করে একটি গবেষণা প্রকল্পের ভার দেয়া হয়েছিল তাঁর উপর৷ কিন্তু তদন্ত যাতে স্বচ্ছ্ব হয় এ জন্য তিনি বেশ কিছু তথ্য জানতে চেয়েছিলেন এবং সেটাই প্রকল্পের ক্ষেত্রে বড় বাধা হয়ে দাঁড়ায় এবং ২০১৩ সালের প্রথম দিকে তাঁকে ঐ প্রকল্প থেকে অব্যাহতি দেয়া হয়৷

এ কারণে জাতিসংঘের এই পদক্ষেপকে স্বাগত জানিয়েছেন তিনি৷ তিনি গবেষণায় দেখেছিলেন, ৫০ থেকে ৭০ এর দশক পর্যন্ত যেসব যাজক এ ধরনের হয়রানি করেছিল, তাঁদের তখনকার কাজ থেকে ভিন্ন কাজে সরিয়ে দেয়া হলেও উপযুক্ত কোনো শাস্তি দেয়া হয়নি৷ কিন্তু এখন পরিস্থিতি বদলেছে৷ কারণ এখন কোনো যাজকের বিরুদ্ধে যৌন হয়রানির অভিযোগ এলে তাঁকে চাকুরিচ্যুত করা হয়৷ ক্যানন আইন অনুযায়ী শাস্তি পেতে হয় তাকে৷ অর্থাৎ রাষ্ট্র তাঁকে শাস্তি দিতে পারবে, যেটা আগে সম্ভব ছিল না৷

নির্বাচিত প্রতিবেদন