1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

বিশ্ব

‘দ্বি-দলীয় বৃত্তের মধ্যে আর কত দিন?'

সিটি করপোরেশন নির্বাচন নিয়ে এখন আলোচনায় সরব বাংলাদেশের মানুষ৷ ঘর থেকে চায়ের দোকান সব জায়গায় চলছে আলোচনা৷ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও চলছে আলোচনা৷

নাগরিক ঐক্যের আহ্বায়ক মাহমুদুর রহমান মান্না ও আওয়ামী লীগের সাবেক সাংসদ সারাহ বেগম কবরী মঙ্গলবার ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে মেয়র পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতার জন্য মনোনয়নপত্র কিনেছেন৷

ঢাকা উত্তরে গতকাল সোমবার মনোনয়নপত্র কেনেন আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী আনিসুল হক৷ সব মিলিয়ে উত্তর সিটি থেকে এ পর্যন্ত মেয়র পদে ১৫, কাউন্সিলর পদে ২৬৯ ও সংরক্ষিত নারী কাউন্সিলর পদে ৬২ জন মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছেন৷ আর দক্ষিণে মেয়র পদে নয়জন, কাউন্সিলর পদে ৫২৫ ও সংরক্ষিত নারী কাউন্সিলর পদে ১০২ জন মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছেন৷

তফশিল অনুযায়ী, আগামী ২৮ এপ্রিল ঢাকা ও চট্টগ্রামের তিন সিটিতে ভোট হবে৷ ২৯ মার্চ পর্যন্ত মনোনয়নপত্র দাখিলের সুযোগ রয়েছে৷ ১ ও ২ এপ্রিল মনোনয়নপত্র বাছাই, প্রত্যাহারের শেষ তারিখ ৯ এপ্রিল পর্যন্ত৷

ফেসবুক পাতায় রবিবার জিয়া হাসান লিখেছেন,

‘‘আজকের পেপারে জানলাম, বেগম খালেদা জিয়া পজিটিভ এবং সিটি করপোরেশন নির্বাচনে বিএনপি অংশগ্রহণ করবে৷ বিএনপির যদি সামান্য নৈতিকতা থাকতো তবে সাধারণ মানুষকে পেট্রোল বোমা মেরে এবং দলের নেতা কর্মীদেরকে পুলিশের গুলিতে হত্যা করিয়ে, তাদের লাশের উপর দিয়ে এই নির্বাচনে অংশ করার চিন্তাও করতে পারত না৷

বিএনপি বলবে, এইটা তাদের কৌশল৷ এই নির্বাচনে জিতে সে দেখাইতে চায়, তার জনসমর্থন আছে৷ আওয়ামী লীগ কখনো জনসমর্থনের পরোয়া করে নাই৷ আওয়ামী লীগ জানে, তার জনসমর্থন নাই এবং সেইটা থাকা না থাকা নিয়ে তার কোন টেনশনও নাই৷ তাই, বিএনপি নির্বাচনে জিতে জনসমর্থন পাইলো কি পাইলো না, তাতে তার কিছু যায় আসেনা৷ বরং সে বলবে, এই দেখো আমাদের অধীনে সুষ্ঠু নির্বাচন হইতে পারে৷ তুমি ৫ জানুয়ারিতে নির্বাচন না করে ভুল করছো৷ আমার আন্ডারে নির্বাচনে জিতে তোমার সিদ্ধান্তের ভুল প্রমাণিত হইছে৷ এখন মুড়ি খাও৷''

জিয়া হাসান মনে করেন, ‘‘যারা আওয়ামী লীগের লুট, সন্ত্রাস, টেন্ডারবাজি, শেয়ার বাজার, আদর্শিকভাবে দেশকে বিভাজন করা, ব্যাংক লুট, নদী লুটে বিরক্ত হয়ে বিএনপির দিকে ঝুঁকছিল, তারা এখন বুঝতে পারবে, বিএনপি তাদেরকে সমর্থন পাওয়ার যোগ্য দল না৷ এদের সামান্যতম নৈতিক অবস্থান নাই৷

সিটি করপোরেশন নির্বাচন হওয়ার কথা নির্দলীয় নির্বাচন৷ কিন্তু আজ প্রধানমন্ত্রীর অফিসে বসে, দলীয় প্রার্থীর ঘোষণা আসে৷ বিরোধী দলের সাথে মিটিং শেষ করে কে ভালো প্রার্থী হবে তার ঘোষণা আসে৷ আমরাই আবার বলি, সংবিধান রক্ষার কথা৷ বাস্তবতা হচ্ছে আমরা একটা হাস্যকর জাতিতে পরিণত হয়েছি৷''

পার্থ পথিক ফেসবুক পাতায় লিখেছেন,

‘‘আমরা দ্বি-দলীয় বৃত্তের মধ্যে আর কত দিন থাকব? কি পেলাম জোট-মহাজোটের কাছে? একটু ভাবার সময় এসেছে৷ সামনেই সিটি করপোরেশন নির্বাচন৷ নিজেকে একজন সুস্থ নাগরিক মনে করি শুধুমাত্র এ জন্যই বলছি, কোনো রাজনৈতিক ফায়দা লুটার জন্য না, আপনারা অন্যদের ভোট দিন৷ আওয়ামী লীগ আর বিএনপি কখনো যোগ্য ব্যক্তিকে সমর্থন দেয় না৷''

সুদীপ ঘোষ লিখেছেন,

‘‘কয়েক সপ্তাহ আগে আনিসুল হককে সমর্থন দিয়ে বসে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ৷ এরপর থেকেই আলোচনায় চলে আসেন আনিসুল হক৷ রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা এ নিয়ে হিসেব কষতে বসে যান৷ আওয়ামী লীগ কি ঠিক পদক্ষেপ নিলো? সব জল্পনা-কল্পনা ছাপিয়ে সোমবার ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন নির্বাচনের জন্য মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেন আওয়ামী লীগ সমর্থিত মেয়র প্রার্থী আনিসুল হক৷ পরিচ্ছন্ন ঢাকা গড়তে তিনি অঙ্গীকারাবদ্ধ জানিয়ে ঢাকাবাসীর সহযোগিতাও চান আনিসুল হক৷''

তবে সাধারণ মানুষের মন জয়ের জন্য তাঁকে আরো অনেক পরীক্ষা দিতে হবে বলে মনে করেন সুদীপ ঘোষ৷

সামহয়্যার ইন ব্লগে আহমেদ মামুন লিখেছেন,

‘‘সবগুলো পত্রিকা পড়ে বুঝতে পারলাম বিএনপি নির্বাচনে যাচ্ছে৷ তাহলে তারা কেন অবরোধ ডাকল৷ কেন তারা এতগুলো মানুষকে রাস্তায় ডেকে ঘরে ঘুমাচ্ছে৷ তাদের কথা যারা বার বার প্রতারিত হয় তারা কতটা বিশ্বাস করবে বিএনপিকে৷''

সংকলন: অমৃতা পারভেজ

সম্পাদনা: জাহিদুল হক

নির্বাচিত প্রতিবেদন