1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

বাংলাদেশ

দ্বিতীয় বউ নিয়ে বিপাকে ক্রিকেটার সানি

দ্বিতীয় বউ থাকার কথা স্বীকার করে নুতন এক কেলেঙ্কারির জন্ম দিয়েছেন বাংলাদেশের আলোচিত ক্রিকেটার আরাফাত সানি৷ তাঁর সঙ্গে ঘনিষ্ট ছবি প্রকাশ করার দায়ে সানির বিরুদ্ধে এক নারীর করা মামলার প্রেক্ষিতে জানা গেছে এই গোপন তথ্য৷

default

ফাইল ছবি

নাসরিন সুলতানা নামের এক নারীর দায়ের করা মামলার প্রেক্ষিতে গত জানুয়ারি মাসে আরাফাত সানিকে গ্রেপ্তার করা হয়৷ কিন্তু তখনও জানা যায়নি যে, তাঁরা দু'জন বিবাহিত৷

বাংলাদেশের আইনে একজন পুরুষের আইনত চারজন পর্যন্ত স্ত্রী থাকতে পারে৷ তবে শহুরে তরুণ প্রজন্মের মধ্যে বহুবিবাহের চর্চা বিরল৷

ত্রিশ বছর বয়সি আরাফাত সানি গত মার্চে জামিন লাভ করেন৷ তবে গত বুধবার আদালতে তাঁর জামিন বাতিলের আবেদন জানান নাসরিনের আইনজীবী৷ দেলওয়ার জাহান রুমি জানিয়েছেন, নাসরিনকে ক্রিকেটারের দেয়া ভরনপোষণের খরচ এবং সংসার শুরু করার প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করায় জামিন বাতিলের আবেদন করেন তাঁরা৷

আলোচিত এই স্পিনারের বিরুদ্ধে প্রাথমিক অভিযোগ ছিল যে, নাসরিনের নামে একটি ভুয়া ফেসবুক অ্যাকাউন্ট খুলে তাদের দু'জনের বিভিন্ন অন্তরঙ্গ ছবি পোস্ট করেছিলেন সানি৷ এই অভিযোগ সত্যি প্রমাণিত হলে ক্রিকেটারের ১৪ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড এবং এক কোটি টাকা অবধি জরিমানা হতে পারে৷

বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড জানিয়েছে, ষোলটি একদিনের এবং দশটি টি-টোয়েন্টি আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলা সানিকেক্রিকেট থেকে নিষিদ্ধও করা হতে পারে৷ গত বছর আইসিসি ওয়ার্ল্ড টি-টোয়েন্টি চলাকালে অবৈধ বোলিংয়ের দায়ে তাঁকে বরখাস্ত করা হয়৷ বর্তমানে শুধু প্রথম শ্রেণির ক্রিকেট খেলছেন তিনি৷

এদিকে, সানির আইনজীবী জুয়েল আহমেদ দাবি করেছেন, প্রথম স্ত্রীকে তালাক না দেয়া অবধি সানির সঙ্গে থাকতে চাচ্ছেন না নাসরিন৷ তবে নাসরিন এই দাবি অস্বীকার করেছেন৷  

‘‘আমরা আদালতে বলেছি যে, সানি দুই স্ত্রী-কে নিয়েই সংসার করতে চান৷ সানি ইতোমধ্যে নাসরিনের জন্য একটি অ্যাপার্টমেন্ট ভাড়া করেছেন৷ কিন্তু প্রথম স্ত্রীকে তালাক না দেয়া অবধি নাসরিন সেখানে যেতে চাচ্ছেন না,'' বলেন জুয়েল আহমেদ৷

আদালত সানির জামিন বাতিল না করে তাঁর একজন আইনজীবীকে বিরোধ মিমাংসার দায়িত্ব দিয়েছেন এবং আগামী ৬ জুলাই শুনানির দিন নির্ধারণ করেছেন৷

আপনার কিছু বলার থাকলে লিখুন নীচে মন্তব্যের ঘরে৷

এআই/এসিবি (এএফপি)

নির্বাচিত প্রতিবেদন