1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

বিশ্ব

দেশে ফিরলেন এভারেস্ট বিজয়ী এম এ মুহিত

বাংলাদেশের দ্বিতীয় এভারেস্ট বিজয়ী এম এ মুহিত দেশের মাটিতে পা রেখে বললেন, দেশ আর দেশের পতাকা তাঁকে হিমালয়ের চূড়ায় নিয়ে গেছে৷ তাঁর সব শক্তি যখন নি:শেষ হয়ে গেছে তখন তাঁকে দেশ আর জাতীয় পতাকা অনুপ্রেরণা যুগিয়েছে৷

***Achtung: Nur zur mit der abgebildeten Person abgesprochenen Berichterstattung verwenden!*** M A Muhit in Hazrat Shahjalal (R) International Flughafen, Dhaka, Bangladesch Text: M A Muhit in Hazrat Shahjalal (R) International Flughafen, Dhaka, Bangladesch Datum: 28.05.2011 Eigentumsrecht: Harun Ur Rashid Swapan, DW Correspondent, Dhaka, Bangladesch

দেশে ফেরার পর মুহিত

এর চেয়ে বড় কোন শক্তি নেই৷ নেই বড় কোন অনুপ্রেরণা৷

শনিবার বিকেল ৫টার দিকে এম এ মুহিতকে নিয়ে শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের মাটি ছোঁয় বাংলাদেশ বিমানের একটি ফ্লাইট৷ আর তাঁর জন্য বিমান বন্দরে অপেক্ষা করছিল প্রাণ ঢালা অভ্যর্থনা৷

তাঁর আত্মীয় স্বজন, সুহৃদ, ক্লাব সদস্যরা তাঁকে ফুলেল অভ্যর্থনা জানান৷ মুহিত ছিলেন তখন আবেগে আপ্লুত৷ তিনি জানান, এই জয়ের পথে মৃত্যু ভয় ছিল পদে পদে৷ তাঁর সামনেই একজন অভিযাত্রী মারা গেছেন৷ তাঁর নিজের চোখও অবশ হয়ে গিয়েছিল৷

কিন্তু কোন বাধাই তাঁর কাছে বাধা মনে হয়নি৷ তাঁর মাথায় বাঁধা ছিল জাতীয় পতাকা আর হৃদয়ে বাংলাদেশ৷ এই পতাকা আর দেশই তাঁকে শক্তি যুগিয়েছে৷ এগিয়ে নিয়ে গেছে পৃথিবীর সর্বোচ্চ চূড়া হিমালয়ের এভারেস্টে৷

বিমানবন্দরে উপস্থিত মুহিতের বোন জানান, তাদের উদ্বেগ আর উৎকণ্ঠার কথা৷ তিনি বলেন এক সময় তারা তার ভাগ্য নিয়ে চিন্তিত হয়ে পড়েন৷

গত বছরের ২২শে মে প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে এভারেস্ট জয় করেন মুসা ইব্রাহীম৷ সেই অভিযাত্রায় মুসার সঙ্গে মুহিতও ছিলেন৷ বিরূপ আবহাওয়ার কারণে মুহিতকে এভারেস্ট জয় না করেই ফিরে আসতে হয়৷ কিন্তু ঠিক এক বছর পর গত ২১শে মে ৮ হাজার ৮শ' ৪৮ মিটার উচ্চতায় হিমালয়ের চূড়া এভারেস্টে পৌঁছে যান মুহিত৷ ৪১ বছর বয়সি মুহিত বাংলাদেশ মাউন্টেনিয়ারিং এন্ড ট্রেকিং ক্লাবের সদস্য৷ কাজ করেন একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে৷ তাঁর গ্রামের বাড়ি ভোলা জেলায়৷ মুহিত বলেন, এই কাজে অর্থ সহায়তার জন্য বিভিন্ন ব্যক্তি এবং প্রতিষ্ঠানের এগিয়ে আসা উচিত৷

প্রতিবেদন: হারুন উর রশীদ স্বপন, ঢাকা

সম্পাদনা: ফাহমিদা সুলতানা

সংশ্লিষ্ট বিষয়