1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

পাঠক ভাবনা

দেশের উন্নয়নের জন্য বিদ্যুৎকেন্দ্র করে মানুষ হত্যা?

বাঁশখালিতে বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপনের সিদ্ধান্তে পরিবেশ, জীবিকা হারানোসহ নানাভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে হাজারো মানুষ৷ তাই এক পাঠক আমাদের ফেসবুক পাতায় ওপরের প্রশ্নটি করেছেন৷ বিদ্যুৎকেন্দ্র করার বিপক্ষে মত প্রকাশ করেছেন আরো অনেকে৷

‘‘মানুষের জন্যই দেশের উন্নয়ন৷ অথচ সেই মানুষকেই মারা হচ্ছে? তাহলে কার জন্য এই উন্নয়ন? বাংলাদেশে তো অনেক ফাঁকা যায়গা আছে, সেখানেই তো এই বিদ্যুৎকেন্দ্র বানালে হয়৷ পরিবেশের ক্ষতি করে, মানুষ মেরে, এই উন্নয়ন কখনই আমরা চাই না৷ শতভাগই না৷'' এই মন্তব্য ডয়চে ভেলের ফেসবুক বন্ধু মোহাম্মদ আলির৷

বিষয়টি নিয়ে অর্থনীতিবিদ অধ্যাপক ড. আনু মুহাম্মদ ডয়চে ভেলেকে বলেছিলেন, ‘‘বাঁশখালির এই বিদ্যুৎ প্রকল্পটি অনিয়ম এবং অস্বচ্ছতায় ভরা৷ এখানে পরিবেশ সমীক্ষা করা হয়নি৷ আর সাধারণ মানুষের কাছে তথ্য গোপন করে কিছু জমি কেনা হয়েছে, অথচ প্রকৃত দাম দেয়া হয়নি৷ শুধু তাই নয়, এখানে সাত হাজার পরিবার উচ্ছেদ হবে অথচ জেলা প্রশাসন সরকারকে মিথ্যা তথ্য দিয়ে বলেছে যে, দেড়শ' পরিবার উচ্ছেদ হবে৷''

অধ্যাপক ড. আনু মুহাম্মদের বক্তব্য পড়ে ফেসবুকে জাফরুল জেনির মন্তব্য, ‘‘কে শুনবে আনু ভাইয়ের কথা?''

চট্টগ্রাম জেলার বাঁশখালি উপজেলায় কয়লাভিত্তিক একটি বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপনের বিরুদ্ধে ফুঁসে উঠেছেন স্থানীয়রা৷ জীবন দিলেও বিদ্যুৎকেন্দ্র হতে দেবেন না তাঁরা৷ আর সেরকমই লিখেছেন ফেসবুকে মো. ইসরাফিল৷ তাঁর কথায়, ‘‘উন্নয়ন মানুষের জন্য আর সেই মানুষই যদি হত্যা করা হয়, তাহলে কার জন্য বিদ্যুৎকেন্দ্র?''

যেখানে বিদ্যুতের সমস্যা, সেখানে সেই সমস্যা মেটাতে গিয়ে যদি আরো হাজারো সমস্যা এসে ভিড় করে, তাহলে আর সেখানে বিদ্যুৎকেন্দ্র করে কী লাভ? ঠিক এ কথাই বলছেন মো.জাহাঙ্গির আলম৷ লিখেছেন, ‘‘মানুষ মেরে এই বিদ্যুৎকেন্দ্রর কোনো দরকার নাই৷''

বন্ধু ছায়া বলেছেন, ‘‘একে তো সারাদিন বিদ্যুৎ নেই, তারওপর এ সব সমস্যা৷''

অন্যদিকে পাঠক রবিউললাহ নিশ্চিত যে ভূমি দালালদের কারণেই বাঁশখালিতে আজ কান্নার রোল পড়েছে৷

সংকলন: নুরুননাহার সাত্তার

সম্পাদনা: দেবারতি গুহ

নির্বাচিত প্রতিবেদন