1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

বিশ্ব

দেখতে ‘খারাপ' খাবার ফেলে দেবেন?

‘সুন্দর মুখের জয় সর্বত্র' কথাটা নতুন নয়, কিন্তু গাজর-মুলো-আনারসের ক্ষেত্রেও যে কথাটা প্রযোজ্য – তা কি ভাবা যায়? হ্যাঁ, জার্মানিতে এমনটাই হয়৷ কিম্ভূত-কিমাকার সবজি সোজা চলে যায় গারবেজে৷ তবে আর নয়...৷

দরিদ্র দেশের দরিদ্রতম মানুষদের আবর্জনার স্তূপে খাবার খোঁজাখুঁজি করতে দেখা যায়, দেখা যায় অন্যের ফেলে দেওয়া, আধ-খাওয়া জিনিস কুড়িয়ে নিতে৷ কিন্তু জার্মানির মতো একটা ধনী দেশেও যে এ রকমটা ঘটে থাকে, সেটা হয়ত অনেকেই জানেন না, তাই না?

আসলে জার্মানিতে ৩০ শতাংশ শাক-সবজিই ফেলে দেয়া হয় আবর্জনায়, তা-ও শুধুমাত্র ‘সৌন্দর্য্যের' দোহাই দিয়ে৷ মুলোটা কেমন ব্যাঁকা, গাজরটা কেমন সরু হয়ে আবারো গোলাকৃতি হয়ে গেছে, অথবা চেরি ফলগুলো কেমন যেন গোলই হয়নি৷ তা এমন ‘কুশ্রী' খাবার কি পাতে দেওয়া যায়? না৷ কক্ষনো না৷ অবাক হচ্ছেন? জার্মানির অধিকাংশ কৃষক, সবজি ও ফল বিক্রেতা কিন্তু এমনটাই বলবেন৷

ভিডিও দেখুন 01:21

তাই তো ভাইমার বিশ্ববিদ্যালয়ের তিন ছাত্র-ছাত্রী এবার কোমর-বেঁধে লেগে পড়েছে এই অপচয়ের বিরুদ্ধে কিছু একটা করতে৷ দারিদ্র্যের কারণে নয়, রাজনৈতিক আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়েই এগিয়ে এসেছে তারা৷ ফেলে দেওয়া ফল, সবজি কুড়িয়ে অনেক অল্প দামে বিক্রি করেছে তারা৷ এতে চাষির যেমন উপকার হচ্ছে, দরিদ্র, নিম্ন আয়ের মানুষও পারছে খেয়ে-পরে বাঁচতে৷

জার্মানিতে অবশ্য শুধু কিম্ভূত-কিমাকার সবজি বা ফলমূলই নয়, সুপার মার্কেটগুলোর পেছনে, আবর্জনার বিশাল কন্টেইনারে, প্রায় প্রতিদিনই নিক্ষেপ করা হয় প্রচুর খাদ্যদ্রব্য৷ হয়ত বা সময় উত্তীর্ণ হয়ে গেছে, প্যাকেট একটু ছিঁড়ে গেছে, অথবা এক ছড়া কলার মাত্র একটা খারাপ হয়ে গেছে – শুধুমাত্র এই কারণে!

ডিজি/এসবি

নির্বাচিত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট বিষয়