দেখতে ‘খারাপ′ খাবার ফেলে দেবেন? | বিশ্ব | DW | 08.08.2016
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

বিশ্ব

দেখতে ‘খারাপ' খাবার ফেলে দেবেন?

‘সুন্দর মুখের জয় সর্বত্র' কথাটা নতুন নয়, কিন্তু গাজর-মুলো-আনারসের ক্ষেত্রেও যে কথাটা প্রযোজ্য – তা কি ভাবা যায়? হ্যাঁ, জার্মানিতে এমনটাই হয়৷ কিম্ভূত-কিমাকার সবজি সোজা চলে যায় গারবেজে৷ তবে আর নয়...৷

দরিদ্র দেশের দরিদ্রতম মানুষদের আবর্জনার স্তূপে খাবার খোঁজাখুঁজি করতে দেখা যায়, দেখা যায় অন্যের ফেলে দেওয়া, আধ-খাওয়া জিনিস কুড়িয়ে নিতে৷ কিন্তু জার্মানির মতো একটা ধনী দেশেও যে এ রকমটা ঘটে থাকে, সেটা হয়ত অনেকেই জানেন না, তাই না?

আসলে জার্মানিতে ৩০ শতাংশ শাক-সবজিই ফেলে দেয়া হয় আবর্জনায়, তা-ও শুধুমাত্র ‘সৌন্দর্য্যের' দোহাই দিয়ে৷ মুলোটা কেমন ব্যাঁকা, গাজরটা কেমন সরু হয়ে আবারো গোলাকৃতি হয়ে গেছে, অথবা চেরি ফলগুলো কেমন যেন গোলই হয়নি৷ তা এমন ‘কুশ্রী' খাবার কি পাতে দেওয়া যায়? না৷ কক্ষনো না৷ অবাক হচ্ছেন? জার্মানির অধিকাংশ কৃষক, সবজি ও ফল বিক্রেতা কিন্তু এমনটাই বলবেন৷

ভিডিও দেখুন 01:21

তাই তো ভাইমার বিশ্ববিদ্যালয়ের তিন ছাত্র-ছাত্রী এবার কোমর-বেঁধে লেগে পড়েছে এই অপচয়ের বিরুদ্ধে কিছু একটা করতে৷ দারিদ্র্যের কারণে নয়, রাজনৈতিক আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়েই এগিয়ে এসেছে তারা৷ ফেলে দেওয়া ফল, সবজি কুড়িয়ে অনেক অল্প দামে বিক্রি করেছে তারা৷ এতে চাষির যেমন উপকার হচ্ছে, দরিদ্র, নিম্ন আয়ের মানুষও পারছে খেয়ে-পরে বাঁচতে৷

জার্মানিতে অবশ্য শুধু কিম্ভূত-কিমাকার সবজি বা ফলমূলই নয়, সুপার মার্কেটগুলোর পেছনে, আবর্জনার বিশাল কন্টেইনারে, প্রায় প্রতিদিনই নিক্ষেপ করা হয় প্রচুর খাদ্যদ্রব্য৷ হয়ত বা সময় উত্তীর্ণ হয়ে গেছে, প্যাকেট একটু ছিঁড়ে গেছে, অথবা এক ছড়া কলার মাত্র একটা খারাপ হয়ে গেছে – শুধুমাত্র এই কারণে!

ডিজি/এসবি

নির্বাচিত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট বিষয়