1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

বিশ্ব

দুর্যোগ পীড়িত মানুষের পাশে জাপানের সম্রাট

জাপানের সম্রাট আকিহিতো এবং সম্রাজ্ঞী মিচিকো ভূমিকম্প এবং সুনামি বিধ্বস্ত মানুষদের দেখতে গেলেন৷ বৃহস্পতিবার চিবা জেলার আশাহি শহরের মানুষদের সান্ত্বনা ও সাহস যোগাতে তাঁদের পাশে গিয়ে দাঁড়িয়েছেন সম্রাট এবং সম্রাজ্ঞী৷

default

জাপানের সম্রাট আকিহিতো এবং সম্রাজ্ঞী মিচিকো

১১ মার্চ জাপানের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের ভূমিকম্প ও সুনামিতে আশাহিতে নিহত হয়েছেন ১৩ জন৷ আহত হয়েছেন ১২ জন৷ সেই দুর্যোগের পর এই প্রথম সম্রাট ও সম্রাজ্ঞী ঐ এলাকা পরিদর্শন করছেন৷ ইতোমধ্যে তাঁরা টোকিওর উত্তরের কাজো শহর পরিদর্শন করেছেন৷ এবং শুক্রবার তাঁরা ফুকুশিমা দাইচি পরমাণু কেন্দ্রের আশপাশের এলাকার মানুষদের দেখতে যাবেন৷

এদিকে, ফুকুশিমা পরমাণু চুল্লির পাশের একটি গ্রামে ১০২ বছরের একজন বৃদ্ধ আত্মহত্যা করেছেন৷ বৃদ্ধের পরিবার বলছে, ভূমিকম্প এবং সুনামির কারণে আশ্রয়ের জন্য বারবার এক জায়গা থেকে আরেক জায়গায় যাওয়া এই বৃদ্ধের জন্য অত্যন্ত কষ্ট হয়ে দাঁড়িয়েছিল৷ যে কারণে তিনি আত্মহত্যা করতে পারেন বলে মনে করছে তাঁর পরিবার৷

Obama verbeugt sich vor Akihito, Kaiser von Japan und Frau Michiko

জাপানের সম্রাট আকিহিতোর সম্মুখে নতজানু মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা

জাপানের বার্তা সংস্থা জিজি মঙ্গলবার এই বৃদ্ধের মৃত্যুর কথা নিশ্চিত করেছে৷ তিনি ছিলেন ইটেট গ্রামের সবচেয়ে বয়োজ্যেষ্ঠ ব্যক্তি৷ আর ইটেট গ্রামটি ফুকুশিমা পরমাণু চুল্লি থেকে ৪০ কিলোমিটার দূরে৷ তেজস্ক্রিয়তার কারণে ফুকুশিমার আশেপাশের যে সব এলাকা থেকে লোকজনদের সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে তারমধ্যে এটি একটি৷ কর্তৃপক্ষ গত সোমবার এই গ্রামকে তেজস্ক্রিয় ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা হিসেবে চিহ্নিত করেছে৷ মার্চের ১১ তারিখে জাপানের ইতিহাসের সবচেয়ে ভয়াবহ ভূমিকম্প ও সুনামি হয়৷ এতে ১৩ হাজারেরও বেশি মানুষ নিহত হয়েছেন এবং প্রায় ১৫ হাজার মানুষ নিখোঁজ হন৷ ১৯৮৬ সালে চেরোনোবিল পরমাণু চুল্লির দুর্ঘটনার পর সবচেয়ে বড় পরমাণু দুর্ঘটনা ঘটেছে ফুকুশিমায়৷

প্রতিবেদন: জান্নাতুল ফেরদৌস

সম্পাদনা: সঞ্জীব বর্মন

নির্বাচিত প্রতিবেদন