1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

অন্বেষণ

দুর্যোগের ক্ষতি কমানোর চেষ্টায় জার্মান বিজ্ঞানীরা

২০১১ সালে জাপানে সুনামির আঘাতে হাজার হাজার মানুষ প্রাণ হারিয়েছিলেন৷ এ ধরনের প্রাকৃতিক দুর্যোগ প্রতিহত করা সম্ভব না হলেও বিজ্ঞানীরা ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ কিছুটা কমানোর চেষ্টা করছেন৷

জার্মানির বিমান ও সেন্টার, ডিএলআর-এ এই বিষয়টি নিয়ে কাজ করছেন দু'শ'র বেশি গবেষক৷ তাঁরা সবসময় পৃথিবীর উপর নজর রাখছেন, যেন দুর্যোগের সামান্য কোনো লক্ষণ সম্পর্কে মানুষকে সতর্ক করা যায়৷ ভূ-বিজ্ঞানী ড. টোবিয়াস স্নাইডারহান বলেন, ‘‘আমাদের কাজ হচ্ছে স্যাটেলাইটের সাহায্যে যত দ্রুত সম্ভব দুর্গত এলাকার মানচিত্র তৈরি করা৷''

কৃত্রিম উপগ্রহগুলোতে শক্তিশালী ক্যামেরা আছে, যা উপদ্রুত এলাকার সরাসরি ছবি পাঠিয়ে থাকে৷

স্যাটেলাইটের পাঠানো ছবি ডিএলআর-এর ‘আর্থ অবজারভেশন সেন্টার'-এ বিশ্লেষণ করা হয়৷ এরপর সেগুলো দুর্গত এলাকায় থাকা উদ্ধারকারী দল, জরুরি কর্মী ও বিজ্ঞানীদের কাছে পাঠানো হয়৷ এই ছবি ও মানচিত্র তাঁদের কাজে সমন্বয় করতে সহায়তা করে৷

এসব ছবি ও মানচিত্র উদ্ধারকারী দলকে পরিস্থিতি ভালোভাবে বুঝতে সহায়তা করেছে৷

স্নাইডারহান বলেন,  ‘‘সুনামির মতো দুর্যোগ হয়ত আমরা কখনোই রুখতে পারব না৷তবে ক্ষতির পরিমাণ কিছুটা কমানো যেতে পারে৷''

গবেষকরা ইদানিং নতুন একটি ক্যামেরা দিয়ে কাজ করছেন৷ এই ক্যামেরার শক্তিশালী সেন্সর ৫২০ কিলোমিটার উঁচু থেকে থার্মাল রেডিয়েশন শনাক্ত করতে সক্ষম৷ দিনের যে-কোনো সময় যে-কোনো আবহাওয়ায় এটি কাজ করতে পারে৷

ক্যামেরার মাধ্যমে দুর্গত এলাকায় ফোকাস করে পাওয়া তথ্য ও ছবি দিয়ে হাজার হাজার মানুষকে দ্রুত অন্যত্র সরিয়ে নেয়া যেতে পারে৷

গবেষকরা এখনই ভবিষ্যতের কথাও ভাবা শুরু করেছেন৷ তারা প্রতিবেশী মঙ্গলগ্রহের কথা ভাবছেন৷ মানুষ যদি কখনও সেখানে যেতে চায় তাহলে এ ধরণের মানচিত্র ঐ অভিযান সফল করতে সহায়তা করবে৷

ইলেক্ট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ার ড. আংকো ব্যোর্নার বলেন, ‘‘আমাদের ক্যামেরা দিয়ে বিভিন্ন গ্রহের পৃষ্ঠভাগের ছবিও তোলা সম্ভব৷ এরপর পৃথিবীতে সেই ছবিগুলোকে ত্রিমাত্রিক ছবিতে পরিণত করা যায়৷ বিজ্ঞানীরা এই ছবি দিয়ে তাঁদের গবেষণা চালাতে পারেন৷''

হাই-রেজ্যুলেশনের ত্রিমাত্রিক মানচিত্র হচ্ছে ভবিষ্যৎ৷ এর মাধ্যমে কোনো এলাকার উপর দিয়ে ভার্চুয়ালি ঘুরে আসতে পারেন গবেষকরা – এমনকি সবচেয়ে দূরের গ্রহ থেকেও৷

জেডএইচ/

নির্বাচিত প্রতিবেদন

ইন্টারনেট লিংক