1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

পাঠক ভাবনা

‘দুনিয়া উল্টে গেলেও দু'দলের মধ্যে আস্থার সম্পর্ক গড়ে উঠবে না'

বাংলাদেশের চলমান সংকট নিরসনে প্রধান দুই রাজনৈতিক দলের মধ্যে পারস্পরিক আস্থার সম্পর্ক গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়েছেন পশ্চিমা কূটনীতিকরা৷ সেটা কি আদৌ সম্ভব? এর উত্তরে ডিডাব্লিউ-র ফেসবুকে প্রায় সবারই মত ‘না'৷

ডয়চে ভেলের ফেসবুক পাতায় মাত্র এক ঘণ্টায় এই পোস্টটি দেখেছেন প্রায় ১১ হাজার পাঠক আর লাইক করেছেন আড়াইশ'রও বেশি মানুষ৷ তবে মন্তব্য করেছেন মাত্র ১৩-১৪ জন বন্ধু৷ যাঁরা মতামত জানিয়েছেন, তাঁদের মধ্যে পাঠক ইখতিখার আল-দীনের মন্তব্য, ‘‘পশ্চিমারা আন্তরিক হলে সম্ভব হতে পারে৷ কিন্তু গণতন্ত্রের এ সব ফেরিওয়ালারা সংকট দূর হোক, তা আদৌ চায় কিনা সন্দেহ!

পাঠক সন্ধ্যা তারার মত, ‘‘তাঁরা দু'জন ভালো হলে সম্ভব হতো৷''

কাজি নজরুল ইসলামের স্পষ্ট মত, ‘‘না''৷ মো. আবদুল্লাহ এবং পল্লব অনিকেতও নজরুল ইসলামের সাথে পুরোপুরি একমত, অর্থাৎ সোজা উত্তর ‘‘সম্ভব না''৷

পাঠক রাকিব শেখ ভাবতেই পারেন না যে সেটা সম্ভব হতে পারে৷ তাই তিনি শতভাগ নিশ্চিত হয়েই জানিয়েছেন, ‘‘দুনিয়া উল্টে গেলেও না৷''

আরিফ রনি মনে করেন, ‘‘যেখানে নৈতিকতার অভাব, সেখানে নিয়মকানুনের মাধ্যমে ভালো দিকগুলো প্রতিষ্ঠা করা উচিত৷''

প্রধান দুই দলের মধ্যে আস্থার সম্পর্ক গড়ে তোলার ব্যাপারে পেন্সিল রাহাদের মত, ‘‘তা কোনোভাবেই সম্ভব নয়৷''

চলমান সংকট নিরসনে পশ্চিমা কূটনীতিকরা দেশের প্রধান দুই দলের মধ্যে পারস্পরিক আস্থার সম্পর্ক গড়ে তোলার যে আহ্বান জানিয়েছেন সে সম্পর্কে পাঠক আলাউদ্দিন জাভেদ তাঁর মতামত জানিয়েছেন এভাবে, ‘‘আমাদের দেশের রাজনৈতিক দলগুলো দলীয়করণে বিশ্বাসী, আদালতকে এরা নিজেদের স্বার্থে ব্যবহার করে জণগণের অধিকার কেড়ে নেয়! যেমন আদালতের একটি রায়কে ব্যবহার করে জনগণের ভোটের অধিকার কেড়ে নেওয়া হয়েছে! টিক তেমনি আদালতের রায় দিয়ে এখন, হরতাল অবরোধের মতো গণতান্ত্রিক অধিকার কেড়ে নেওয়ার পায়তারা হচ্ছে!!''

অন্যদিকে এ ব্যাপারে অসমাপ্ত ভালোবাসা বলছেন, ‘‘হাসিনার সে মনোভাব নেই৷'' আর মো. মহিউদ্দিনের মন্তব্য, ‘‘বস্তির রানী সংলাপ চায় না৷''

মজার ব্যাপার হলো, সবাইকে অবাক করে দিয়ে চানাচুর বিক্রেতা নামের এক পাঠকবন্ধু লিখেছেন, সংকট নিরসনে প্রধান দুই দলের মধ্যে পারস্পরিক আস্থার সম্পর্ক গড়ে তোলা ‘সম্ভব'৷

সংকলন: নুরুননাহার সাত্তার

সম্পাদনা: দেবারতি গুহ

নির্বাচিত প্রতিবেদন