1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

অন্বেষণ

দুঃস্বপ্ন জয়ের অস্ত্র শিশুদের হাতে

রাতে ঘুমের মধ্যে দুঃস্বপ্ন আসবেই, কিন্তু তাতে ভয় পাওয়ার কিছু নেই৷ বিকল্প পথে দুঃস্বপ্ন থেকে বেরিয়ে আসার পথ বাতলে দিচ্ছেন জার্মানির এক থেরাপিস্ট৷

রাতে ঘুমের মধ্যে বার বার চলে আসে দুঃস্বপ্ন৷ ৪ থেকে ১০ বছর বয়সি শিশুদের অর্ধেকেই মাসে কমপক্ষে একবার দুঃস্বপ্ন দেখে৷ তখন প্রায়ই ভয়ে তাদের ঘুম ভেঙে যায়৷

স্কুলে ভর্তি হওয়া পর্যন্ত শিশুরা সহজে স্বপ্ন ও বাস্তবের মধ্যে পার্থক্য বুঝতে পারে না৷ ফলে ঘুম ভেঙে গেলেও ভয় থেকেই যায়৷ এক শিশুর ভাষায়, ‘‘একদল লোক আমাকে ঘিরে ধরেছিল৷ ভয়ংকর সব লোক৷ তাদের হাতে ছোরা৷ আমি ভাবলাম, কী আর করি! ওরা আমাকে মেরে ফেললে ফেলবে!''

অন্ধকার চরিত্র, ভয়ংকর দৈত্যরা শিশুদের কাছে বাস্তব হয়ে ওঠে৷ ফলে দিনের পর দিন ধরে মনের মধ্যে তাদের প্রভাব থেকে যায়৷ শিশুদের মনে স্বপ্নের আবেগ-অনুভূতি বিশেষ ভাবে দাগ কাটে৷

রাতের দ্বিতীয় ভাগেই দুঃস্বপ্ন আসে বেশি৷ দিনে মনের মধ্যে যে চাপ তৈরি হয়, যে সব খারাপ অভিজ্ঞতা হয়, দুঃস্বপ্ন সে সবেরই প্রতিফলন৷ যে কোনো শিশুর বিবর্তনের ক্ষেত্রেই রাতে ভয় পাওয়া স্বাভাবিক৷ কিন্তু সেই ভয় দূর না হলে বুঝতে হবে যে মনের মধ্যে কোনো সংঘাত চলছে৷ তখন তার চিকিৎসা দরকার৷

জার্মানির কোলোন শহরের কয়েকজন শিশু দুঃস্বপ্নের মোকাবিলা করতে শিখছে৷ রাবেয়া ম্যুলার-এর তত্ত্বাবধানে শিশুরা তাদের দুঃস্বপ্নের ছবি এঁকে প্রথমে সেই খারাপ অভিজ্ঞতাকে আবার জাগিয়ে তোলে৷ তিনি বলেন, ‘‘নয় বছরের একটি মেয়ে এই ছবিতে তার একটি দুঃস্বপ্ন তুলে ধরেছে৷ বাসায় আগুন ধরে গেছে৷ যেমনটা দেখা যাচ্ছে, বিছানা সহ সে বাড়ি থেকে ছিটকে উড়ে যাচ্ছে৷ এবার সবচেয়ে জরুরি বিষয় হলো শিশুটিকে বোঝানো, যে তাকে এমন বিপদের পরিস্থিতিতে থাকতে হবে না, সে নিজেই তার অবস্থা বদলাতে পারে৷ আমরা কয়েকটি ছবি প্রস্তুত করেছি৷ প্রথমে সে তার বিছানাসহ বিপদ থেকে নিজেকে দূরে সরাতে পারছে৷ অর্থাৎ সে বিছানায় বসে বিভিন্ন জায়গায় উড়ে যাচ্ছে৷ যেখানে সে নিজেকে নিরাপদ মনে করবে, সেখানেই সে নামতে পারে৷''

বের হবার এমন সব পথ খুঁজে পেলে দুঃস্বপ্নের ভয়ংকর শক্তি কমে আসে৷ শিশুরা আর তখন নিজেদের অসহায় বোধ করে না, দুঃস্বপ্নের মধ্যে নিজেরাই পরিস্থিতির রাশ ধরে৷

ইন্টারনেট লিংক